ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২৯৯ আসনের ফলাফল: বিএনপি ২১১, জামায়াত ৬৮ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী পেতে যাচ্ছে কক্সবাজার গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন আহমদ-“আওয়ামীলীগের বিচার শুরু হবে বলে আশা করছি” কবে গঠিত হবে নতুন সরকার? চট্টগ্রামে ১৬টির মধ্যে ১৪ আসন বিএনপির, কে কত ভোট পেলেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতেছে, কী কী বদল আসবে গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনার আসনে জয় পেয়েছে বিএনপির জিলানী কক্সবাজারের চার আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল; কে কতো ভোটে জিতলেন কত ভোট পেলেন তাসনিম জারা সরকার গঠনে জোট করার প্রশ্নই আসে না: সালাহউদ্দিন তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা, কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন দূতাবাস তারেক রহমানকে মোদির অভিনন্দন রুমিন ফারহানা–তাহসিনা রুশদীর–শামা ওবায়েদসহ জয়ী হলেন ৭ নারী পোস্টাল ব্যালটের চূড়ান্ত হিসাব জানালো ইসি সারা দেশে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ: ইসি

কক্সবাজারের চার আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল; কে কতো ভোটে জিতলেন

  • রাহুল মহাজন:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 956

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. আ. মান্নান এ ফলাফল ঘোষণা করেন। চারটি আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

আসনভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো—

কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া)

চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ জন।

এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক-এর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১৭৮টি কেন্দ্রে সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৮ ভোট।

৯২ হাজার ২৯১ ভোটের বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৭.০৬ শতাংশ।

কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া)

দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন।

বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এবং জামায়াতে ইসলামীর ড. এ এইচএম হামিদুর রহমান আজাদ ছিলেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১২৫টি কেন্দ্রে আলমগীর ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট।

২৫ হাজার ৭২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আলমগীর ফরিদ।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোট ৬০.০০ শতাংশ।

কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও)

সদর উপজেলা, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত জেলার সর্বোচ্চ ভোটারসংবলিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩ জন।

বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল এবং জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর-এর মধ্যে হয় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১৮৩টি কেন্দ্রে লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট। শহীদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট।

২০ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন লুৎফুর রহমান কাজল।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৫.৩১ শতাংশ।

কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ)

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৮ জন।

বিএনপির জেলা সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নূর আহমদ আনোয়ারী ছিলেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১১৬টি কেন্দ্রে শাহাজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট। নূর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট।

মাত্র ১ হাজার ৫৪৯ ভোটের স্বল্প ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন শাহাজাহান চৌধুরী।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৭.৯৪ শতাংশ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

কক্সবাজারের চার আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল; কে কতো ভোটে জিতলেন

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. আ. মান্নান এ ফলাফল ঘোষণা করেন। চারটি আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

আসনভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো—

কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া)

চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ জন।

এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক-এর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১৭৮টি কেন্দ্রে সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৭২৮ ভোট।

৯২ হাজার ২৯১ ভোটের বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৭.০৬ শতাংশ।

কক্সবাজার–২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া)

দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন।

বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এবং জামায়াতে ইসলামীর ড. এ এইচএম হামিদুর রহমান আজাদ ছিলেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১২৫টি কেন্দ্রে আলমগীর ফরিদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হামিদুর রহমান আজাদ পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট।

২৫ হাজার ৭২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আলমগীর ফরিদ।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোট ৬০.০০ শতাংশ।

কক্সবাজার–৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও)

সদর উপজেলা, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে গঠিত জেলার সর্বোচ্চ ভোটারসংবলিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩ জন।

বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল এবং জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর-এর মধ্যে হয় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১৮৩টি কেন্দ্রে লুৎফুর রহমান কাজল পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট। শহীদুল আলম বাহাদুর পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট।

২০ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন লুৎফুর রহমান কাজল।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৫.৩১ শতাংশ।

কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ)

উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৮ জন।

বিএনপির জেলা সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরী এবং জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নূর আহমদ আনোয়ারী ছিলেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।

পোস্টাল ব্যালটসহ ১১৬টি কেন্দ্রে শাহাজাহান চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট। নূর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট।

মাত্র ১ হাজার ৫৪৯ ভোটের স্বল্প ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন শাহাজাহান চৌধুরী।আসনটিতে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬৭.৯৪ শতাংশ।