ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কলাতলীর অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন শিল্প-সাহিত্য চর্চার রাজনীতিকীকরণ সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তি ভারতের সিকিমে জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞের মামলায় সাবেক এমপি বদির জামিন ২৬ দিনে আটবার কেঁপেছে দেশ, বড় দুর্যোগের শঙ্কা? একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কলাতলীর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস নতুন গভর্নরকে স্বাগত জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মীরা বইমেলা শুরু হচ্ছে আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের আরেক চমক: এবার পৌরসভা হচ্ছে পেকুয়া বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের গুলিতে জেলে নিহত আগুন নিয়ন্ত্রণে, তবে আছে ঝুঁকি, দগ্ধ ১০: অনুমতি নেই গ্যাস পাম্পের কক্সবাজারে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প কলাতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড , নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনী

কক্সবাজারে ‘প্রশ্নপত্র’ ফাঁস / গ্রেফতারকৃতদের অপরাধ নিয়ে যা বলছে আইন

  • তানভীর শিপু
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • 873

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন জালিয়াতির মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসে জড়িত  সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ, যাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রুজু করা হয়েছে মামলা।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পেকুয়ার উজানটিয়া ইউনিয়নের রুপালি বাজার পাড়া এলাকার আক্তার আহমেদের পুত্র ফজলুল হক (৩১) এবং কুতুবদিয়া লেমশীখালী ইউনিয়নের লুৎফার বাপের পাড়ার হাবিনুল মান্নানের স্ত্রী জেসমিন আক্তার (২৮)।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমির উদ্দিন বলেন, ‘ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শহরের দুটি কেন্দ্রে প্রশ্নফাঁস চক্রের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুজন’কে আটকের পর শিক্ষা কর্মকর্তার দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন মিয়া বলেন, ‘ দক্ষিণ খুরুশকুল ও সিটি কলেজ কেন্দ্রে থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দুইজনকে আটক করা হয়, পরে তাদের তল্লাশী করে সাথে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, একটি ডিভাইস এবং একটি পুলিশের ব্যাগ পাওয়া যায়।’

প্রতিবেদকের হাতে আসা একটা ভিডিও’তে দেখা যায় পরীক্ষা শুরু হলে দক্ষিন খুরুস্কুল মডেল হাইস্কুলের পাশের একটি মাঠে বসে ফজলুল হক নামের যুবক মোবাইলে প্রশ্ন ও তার উত্তর দিচ্ছিলো, এসময় তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে একটি গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন।

পরে সেই যুবকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরীক্ষায় দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নারী পরীক্ষার্থী জেসমিন আক্তার কে আটক করা হয়, এসময় তার কাছ থেকে ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনই প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলে  পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

যা বলছে আইন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন আইন ২০২৩ এর ‘পরীক্ষার্থীকে সহায়তা ও উহার দণ্ড’ সংক্রান্ত ১৩ নং ধারায় বলা হয়েছে,  ‘কোনো ব্যক্তি কোনো পরীক্ষার্থীকে কোনো লিখিত উত্তর, বই, লিখিত কাগজ, পৃষ্ঠা বা উহা হইতে কোনো উদ্ধৃতি পরীক্ষার হলে সরবরাহ করিলে অথবা মৌখিকভাবে বা যান্ত্রিক কোনো ডিভাইসের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর লিখিবার জন্য সহায়তা করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’

এবং ‘পরীক্ষার পূর্বে প্রশ্নপত্র প্রকাশ বা বিতরণ
ও উহার দণ্ড’ সংক্রান্ত  ১১ নং ধারায় বলা হয়েছে,  ‘কোনো ব্যক্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে এইরূপ পরীক্ষার জন্য প্রণীত কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য, পরীক্ষার জন্য প্রণীত হইয়াছে বলিয়া মিথ্যা ধারণাদায়ক কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য অথবা পরীক্ষার জন্য প্রণীত প্রশ্নের সহিত হুবহু মিল রহিয়াছে বলিয়া বিবেচিত হওয়ার অভিপ্রায়ে কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য যেকোনো উপায়ে ফাঁস, প্রকাশ বা বিতরণ করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’

যেগুলোর বিশ্লেষণে প্রতিয়মান হয় সংশ্লিষ্ট আইনে গ্রেফতারকৃতদের অপরাধের সাথে ধারা দুটি’র সামঞ্জস্য রয়েছে। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশে যেহেতু প্রণীত সেক্ষেত্রে উল্লেখিত আইন ও ধারা এখানে প্রাসঙ্গিক।

মূলত সংঘবদ্ধ চক্রগুলো সারাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার সহ নানা কৌশলে পরীক্ষার পূর্বে থেকে পরিকল্পনা অনুযায়ী চলাকালীন সময়ে প্রশ্নফাঁসে লিপ্ত ছিলো। এই চক্রগুলোর অপতৎপরতা রুখতে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে কাজ করেছে এবং এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৭ টি জেলায় শতাধিক গ্রেফতারের খবর গণমাধ্যমে এসেছে।

প্রসঙ্গত, পরীক্ষা শুরুর প্রায় ১৪ ঘন্টা আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত (৯ জানুয়ারি) ১২ টা ৪৯ মিনিটে ‘৩ সেট প্রশ্ন ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা: প্রাথমিকের প্রশ্ন ফাঁস চক্র কক্সবাজারে সক্রিয়’ শিরোনামে টিটিএনে একটি সংবাদ প্রকাশ পায়।

বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে জেলার আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও প্রশাসন প্রশ্নফাঁস ও অসাধু চক্রের তৎপরতা প্রতিরোধে বেশ সরব ছিল। কার্যত পরীক্ষার আগে প্রশ্ন ফাঁসের যথা উপযুক্ত প্রমাণ না মিললে পরীক্ষা চলাকালীন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রশ্ন ফাঁসের তৎপরতা গোয়েন্দা কার্যক্রমে শনাক্ত হয় এবং যার ফলশ্রুতিতে গ্রেফতার হতে হয় কথিত চক্রের দুই সদস্যকে।

‘অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে ,তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে’ প্রচলিত প্রবাদ বাক্যটিও মিলে যায় গ্রেফতারকৃতদের বেলায়, কারণ তারা ছিলেন চক্রের মধ্যস্বত্ব ভোগী। সচেতন মহল এখানে প্রত্যাশা রাখতেই পারেন আইনের আওতায় যেহেতু তারা অপরাধী হয়েই এসেছেন সেহেতু অন্তরালের অন্য সহযোগীরা বিশেষ করে ফজলুল হককে যে মাধ্যম প্রশ্ন সরবরাহ করেছেন এবং ডিভাইস সহ জেসমিন আক্তারকে কেন্দ্রে যে প্রবেশে সহায়তা করেছেন তারাও ধরা পড়বেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কলাতলীর অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

This will close in 6 seconds

কক্সবাজারে ‘প্রশ্নপত্র’ ফাঁস / গ্রেফতারকৃতদের অপরাধ নিয়ে যা বলছে আইন

আপডেট সময় : ০২:০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন জালিয়াতির মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসে জড়িত  সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ, যাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রুজু করা হয়েছে মামলা।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পেকুয়ার উজানটিয়া ইউনিয়নের রুপালি বাজার পাড়া এলাকার আক্তার আহমেদের পুত্র ফজলুল হক (৩১) এবং কুতুবদিয়া লেমশীখালী ইউনিয়নের লুৎফার বাপের পাড়ার হাবিনুল মান্নানের স্ত্রী জেসমিন আক্তার (২৮)।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমির উদ্দিন বলেন, ‘ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শহরের দুটি কেন্দ্রে প্রশ্নফাঁস চক্রের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুজন’কে আটকের পর শিক্ষা কর্মকর্তার দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন মিয়া বলেন, ‘ দক্ষিণ খুরুশকুল ও সিটি কলেজ কেন্দ্রে থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দুইজনকে আটক করা হয়, পরে তাদের তল্লাশী করে সাথে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, একটি ডিভাইস এবং একটি পুলিশের ব্যাগ পাওয়া যায়।’

প্রতিবেদকের হাতে আসা একটা ভিডিও’তে দেখা যায় পরীক্ষা শুরু হলে দক্ষিন খুরুস্কুল মডেল হাইস্কুলের পাশের একটি মাঠে বসে ফজলুল হক নামের যুবক মোবাইলে প্রশ্ন ও তার উত্তর দিচ্ছিলো, এসময় তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে একটি গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন।

পরে সেই যুবকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরীক্ষায় দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নারী পরীক্ষার্থী জেসমিন আক্তার কে আটক করা হয়, এসময় তার কাছ থেকে ডিভাইস উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনই প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলে  পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

যা বলছে আইন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন আইন ২০২৩ এর ‘পরীক্ষার্থীকে সহায়তা ও উহার দণ্ড’ সংক্রান্ত ১৩ নং ধারায় বলা হয়েছে,  ‘কোনো ব্যক্তি কোনো পরীক্ষার্থীকে কোনো লিখিত উত্তর, বই, লিখিত কাগজ, পৃষ্ঠা বা উহা হইতে কোনো উদ্ধৃতি পরীক্ষার হলে সরবরাহ করিলে অথবা মৌখিকভাবে বা যান্ত্রিক কোনো ডিভাইসের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর লিখিবার জন্য সহায়তা করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’

এবং ‘পরীক্ষার পূর্বে প্রশ্নপত্র প্রকাশ বা বিতরণ
ও উহার দণ্ড’ সংক্রান্ত  ১১ নং ধারায় বলা হয়েছে,  ‘কোনো ব্যক্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে এইরূপ পরীক্ষার জন্য প্রণীত কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য, পরীক্ষার জন্য প্রণীত হইয়াছে বলিয়া মিথ্যা ধারণাদায়ক কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য অথবা পরীক্ষার জন্য প্রণীত প্রশ্নের সহিত হুবহু মিল রহিয়াছে বলিয়া বিবেচিত হওয়ার অভিপ্রায়ে কোনো প্রশ্ন সংবলিত কাগজ বা তথ্য যেকোনো উপায়ে ফাঁস, প্রকাশ বা বিতরণ করিলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’

যেগুলোর বিশ্লেষণে প্রতিয়মান হয় সংশ্লিষ্ট আইনে গ্রেফতারকৃতদের অপরাধের সাথে ধারা দুটি’র সামঞ্জস্য রয়েছে। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০২৫ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশে যেহেতু প্রণীত সেক্ষেত্রে উল্লেখিত আইন ও ধারা এখানে প্রাসঙ্গিক।

মূলত সংঘবদ্ধ চক্রগুলো সারাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার সহ নানা কৌশলে পরীক্ষার পূর্বে থেকে পরিকল্পনা অনুযায়ী চলাকালীন সময়ে প্রশ্নফাঁসে লিপ্ত ছিলো। এই চক্রগুলোর অপতৎপরতা রুখতে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে কাজ করেছে এবং এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৭ টি জেলায় শতাধিক গ্রেফতারের খবর গণমাধ্যমে এসেছে।

প্রসঙ্গত, পরীক্ষা শুরুর প্রায় ১৪ ঘন্টা আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত (৯ জানুয়ারি) ১২ টা ৪৯ মিনিটে ‘৩ সেট প্রশ্ন ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা: প্রাথমিকের প্রশ্ন ফাঁস চক্র কক্সবাজারে সক্রিয়’ শিরোনামে টিটিএনে একটি সংবাদ প্রকাশ পায়।

বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে জেলার আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও প্রশাসন প্রশ্নফাঁস ও অসাধু চক্রের তৎপরতা প্রতিরোধে বেশ সরব ছিল। কার্যত পরীক্ষার আগে প্রশ্ন ফাঁসের যথা উপযুক্ত প্রমাণ না মিললে পরীক্ষা চলাকালীন তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রশ্ন ফাঁসের তৎপরতা গোয়েন্দা কার্যক্রমে শনাক্ত হয় এবং যার ফলশ্রুতিতে গ্রেফতার হতে হয় কথিত চক্রের দুই সদস্যকে।

‘অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে ,তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে’ প্রচলিত প্রবাদ বাক্যটিও মিলে যায় গ্রেফতারকৃতদের বেলায়, কারণ তারা ছিলেন চক্রের মধ্যস্বত্ব ভোগী। সচেতন মহল এখানে প্রত্যাশা রাখতেই পারেন আইনের আওতায় যেহেতু তারা অপরাধী হয়েই এসেছেন সেহেতু অন্তরালের অন্য সহযোগীরা বিশেষ করে ফজলুল হককে যে মাধ্যম প্রশ্ন সরবরাহ করেছেন এবং ডিভাইস সহ জেসমিন আক্তারকে কেন্দ্রে যে প্রবেশে সহায়তা করেছেন তারাও ধরা পড়বেন।