ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন  সড়ক ভাড়া দিলো কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, পাঁচ ধাপে হবে ভোটগ্রহণ প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না : হাইকোর্ট রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত বাড়িতে স্ত্রীর লাশ রেখে মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু অবশেষে গ্রেফতার হলো নিহত তাজমিনের প্রেমিক রাজু উখিয়ার কোটবাজার থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জসিম গ্রেপ্তার আরব আমিরাত থেকে ৯৬ লাখ টাকা চুরি করে পালিয়ে এলো চকরিয়ার নোমান, খুঁজছে পুলিশ কক্সবাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়ায় কমিউনিটি রিপোর্টিং জোরদারে এমবোলডেন বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা তাজমিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ‘সম্পর্ক নেই’ রাজুর পেকুয়ায় চিংড়িঘেরে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ ৩ ৫০ হাজার টাকার জন্য ৪ বছরের ওমাইরকে অপহরণ করে হত্যা এমপি কাজলের সহধর্মিণী শিরিন রহমানের সুস্থতা কামনায় রামুতে বিএনপির দোয়া মাহফিল

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড়দিন উদযাপন

উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নানা আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উদযাপিত হয়েছে। বড়দিন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্প এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১ ব্লকে আয়োজিত বড়দিনের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দুই দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করা হয়।

সূত্র জানায়, উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ৪০টি খ্রিস্টান পরিবার বসবাস করছে। তাঁরা প্রতিবছর নিয়মিতভাবে বড়দিন পালন করে থাকেন। এ বছরও দুই দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে বড়দিনের আয়োজন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সিরাজুল কবির বলেন, বড়দিন উপলক্ষে ক্যাম্পে যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে—সে লক্ষ্যেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের আওতাধীন ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-ইন-চার্জ আল ইমরান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত সব ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্যাম্পে সকল ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎসব চলাকালে ক্যাম্প ইনচার্জ ও এপিবিএন পুলিশের তত্ত্বাবধানে সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বড়দিন উদযাপন

আপডেট সময় : ১২:৪০:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নানা আয়োজন ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উদযাপিত হয়েছে। বড়দিন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ক্যাম্প এলাকায় ঝলমলে আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) উখিয়ার ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১ ব্লকে আয়োজিত বড়দিনের অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দুই দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করা হয়।

সূত্র জানায়, উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ৪০টি খ্রিস্টান পরিবার বসবাস করছে। তাঁরা প্রতিবছর নিয়মিতভাবে বড়দিন পালন করে থাকেন। এ বছরও দুই দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর পরিবেশে বড়দিনের আয়োজন করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সিরাজুল কবির বলেন, বড়দিন উপলক্ষে ক্যাম্পে যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি না থাকে, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছি। সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারে—সে লক্ষ্যেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের আওতাধীন ১৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-ইন-চার্জ আল ইমরান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত সব ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্যাম্পে সকল ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎসব চলাকালে ক্যাম্প ইনচার্জ ও এপিবিএন পুলিশের তত্ত্বাবধানে সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।