ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কূটনীতিক প্রক্রিয়ায় বেনজীরকে ফেরত আনার চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরিবেশ সংরক্ষণে নাগরিক হিসেবে সকলের দায়িত্ব রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষরকে বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় পর্যটক মৃত্যুর ঘটনায় ফরিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ক্ষমতাচ্যুতির দুই বছর: ৫ আগস্ট ‘ভার্চুয়ালি সামনে আসছেন’ হাসিনা নিখোঁজ রাজমিস্ত্রীর সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি পালংখালী তে যুবদল নেতার ‘মাদক’ সিন্ডিকেট! ৫০ হাজার ইয়াবা ছিনতাই প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মন্ত্রীর ১০ বছরে ১৯টি দুর্ঘটনা শেষে মৃত্যু, লাইসেন্স ছাড়া চলছিল কক্সবাজারের প্যারাসেইলিং বিকেএসপিতে মহেশখালীর ইয়াসেরের মৃত্যুতে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি: ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে ডাকাতি, বিকাশ কর্মীদের ৬০ লাখ টাকা লুট : গুলিবিদ্ধ ১ গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে শিক্ষার্থীদের হাতে চারা বিতরণ করলেন রামুর ইউএনও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি অনুকূলে এলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কেন দেশজুড়ে সতর্কতা জারি, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সৈকত থেকে সরেছে বিমান আকৃতির সেই স্থাপনা

নিষেধাজ্ঞা স্বত্ত্বেও কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে বিমানের বিশাল প্রতিকৃতি স্বরুপ অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করেছিলো একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

বিষয়টি নিয়ে টিটিএন সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ পায়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসন সরানোর নির্দেশ দিলে তড়িঘড়ি করে বিমান আকৃতির স্থাপনাটি সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে নির্মাণে জড়িত প্রতিষ্ঠান ‘ব্র‍্যান্ড সলিউশন লিমিটেড’।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘ আদালতের নির্দেশনা ও শর্ত অমান্য করে স্থাপনা তৈরি করায় সেটি সরাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে।’

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ইরশাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ কিছু করার নেই প্রশাসন যখন সরাতে বলেছে আমরা সেটি সরিয়ে নিয়েছি। ‘

পরিবেশ সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, ‘ সৈকতের বালিয়াড়িতে ইসিএ এলাকায় অস্থায়ী বা স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আছে। প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়ায় সাধুবাদ জানাচ্ছি আশা করছি ভবিষ্যতে তারা এবিষয়ে কঠোর তদারকি জারি রাখবে।’

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে টেকনাফ সমুদ্রসৈকতের ১০ হাজার ৪৬৫ হেক্টর এলাকাকে প্রাণবৈচিত্র্য, নির্মল জলরাশি এবং পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় ১৯৯৯ সালে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে সরকার।

নির্দেশনা মতে, কক্সবাজার পৌরসভার নাজিরারটেক থেকে টেকনাফের বদর মোকাম পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকত, সৈকতের ঝাউ গাছসমৃদ্ধ ৩০০ মিটার উন্নয়ন নিষিদ্ধ ও ৫০০ মিটার সংরক্ষিত এলাকা, যেখানে সব ধরনের স্থাপনা বা অবকাঠামো নির্মাণ নিষিদ্ধ। এছাড়াও এই নির্দেশনা মানতে উচ্চ আদালতের পক্ষ থেকেও একটি আদেশ বলবৎ রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কূটনীতিক প্রক্রিয়ায় বেনজীরকে ফেরত আনার চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সৈকত থেকে সরেছে বিমান আকৃতির সেই স্থাপনা

আপডেট সময় : ১০:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নিষেধাজ্ঞা স্বত্ত্বেও কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে বিমানের বিশাল প্রতিকৃতি স্বরুপ অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করেছিলো একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

বিষয়টি নিয়ে টিটিএন সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ পায়।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসন সরানোর নির্দেশ দিলে তড়িঘড়ি করে বিমান আকৃতির স্থাপনাটি সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে নির্মাণে জড়িত প্রতিষ্ঠান ‘ব্র‍্যান্ড সলিউশন লিমিটেড’।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘ আদালতের নির্দেশনা ও শর্ত অমান্য করে স্থাপনা তৈরি করায় সেটি সরাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে।’

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ইরশাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ কিছু করার নেই প্রশাসন যখন সরাতে বলেছে আমরা সেটি সরিয়ে নিয়েছি। ‘

পরিবেশ সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, ‘ সৈকতের বালিয়াড়িতে ইসিএ এলাকায় অস্থায়ী বা স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আছে। প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়ায় সাধুবাদ জানাচ্ছি আশা করছি ভবিষ্যতে তারা এবিষয়ে কঠোর তদারকি জারি রাখবে।’

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে টেকনাফ সমুদ্রসৈকতের ১০ হাজার ৪৬৫ হেক্টর এলাকাকে প্রাণবৈচিত্র্য, নির্মল জলরাশি এবং পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় ১৯৯৯ সালে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে সরকার।

নির্দেশনা মতে, কক্সবাজার পৌরসভার নাজিরারটেক থেকে টেকনাফের বদর মোকাম পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকত, সৈকতের ঝাউ গাছসমৃদ্ধ ৩০০ মিটার উন্নয়ন নিষিদ্ধ ও ৫০০ মিটার সংরক্ষিত এলাকা, যেখানে সব ধরনের স্থাপনা বা অবকাঠামো নির্মাণ নিষিদ্ধ। এছাড়াও এই নির্দেশনা মানতে উচ্চ আদালতের পক্ষ থেকেও একটি আদেশ বলবৎ রয়েছে।