কক্সবাজারে শুরু হয়েছে পাঁচদিনব্যাপী ‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা–২০২৫’।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকাল ৪ টায় শহীদ দৌলত ময়দানে জাতীয় পাতাকা ও বেলুন উড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে বিজয় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহবায়ক ছোট দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন, এম রহুল আমিন মুকুল,আবদুল মাবুদ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিদ্যুৎ মজুমদার,মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা আব্দুল মতিন আজাদ,আহবায়ক সুবিমল পাল পান্না ও সদস্য সচিব নাছির উদ্দীন।
এ সময় বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইতিহাস এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
মেলা উপলক্ষে শহীদ দৌলত ময়দানে নির্মাণ করা হয়েছে প্রধান মঞ্চসহ বিভিন্ন প্রদর্শনী স্টল। এবারের আয়োজনে কক্সবাজারের প্রায় ২০টি সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নিচ্ছে। মেলায় সংগীত, নৃত্য, নাটক, গণসংগীত, আবৃত্তি ও দেশাত্মবোধক পরিবেশনার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী জামশেদ বলেন,“বিজয় মেলা কেবল একটি উৎসব নয়; এটি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।”
মেলার সাজসজ্জা প্রসঙ্গে আয়োজকরা জানান, এবারের মঞ্চ ও পুরো মেলা প্রাঙ্গণ মুক্তিযুদ্ধকালীন নানা প্রতীক, ঘটনা ও স্মৃতিচিহ্নকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে, যাতে দর্শনার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার আবহ অনুভব করতে পারেন।
আয়োজকরা আরও জানান, মেলা চলাকালে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উদ্বোধন শেষে একটি বিজয় শোভাযাত্রা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ দৌলত ময়দানে এসে শেষ হয়। ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলবে এই বিজয় মেলা।
মেলায় ২০ টি স্টল স্থান পেয়েছে।
বার্তা পরিবেশক: 
























