সমুদ্র বিকেলে লাল সবুজের পতাকা হাতে এসেছে ৬ বছরের ছোট্ট শিশু মারিয়া।মায়ের হাত ধরে কাজল চোখে দেখছে সূর্যাস্ত। জিজ্ঞেস করতেই এক চিলতে হাসি দিয়ে বলেছে “সাগর দেখতে এসেছি”। তার মা বিলকিস বেগম জানান কুমিল্লার লাকসাম থেকে এসেছেন বেড়াতে।
১৬ ডিসেম্বরের ছুটিতে পরিবার পরিজনসহ সাগর দেখতে এসেছেন রাজধানীর মিরপুরের তন্ময় হাওলাদার। বললেন, মানুষ আর মানুষ। এতো মানুষের ভীড়ে সমুদ্রকে নিজের মতো করে আর অনুভব করার সুযোগ হলো না। তবুও সময়টা ভালো কাটলো।
মহান বিজয় দিবস, সরকারি ছুটির দিন হওয়াতে লাখো মানুষের পদভারে মুখরিত হয়ে পড়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। সকাল থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা ভীড় করতে থাকে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে।
এদিকে পর্যটকের আনাগোনা বাড়ায় মন্দা কাটিয়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে সাগর তীরের ব্যবসা বানিজ্যেও।
সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের হোটেল সী প্রিন্সেসের পরিচালক সালাহ উদ্দিন মুকুট জানিয়েছেন, তাদের হোটেলের ৯০ শতাংশ রুম ভাড়া হয়ে গেছে। তিনি জানান,ডিসেম্বর মাসজুড়ে থাকবে পর্যটকের চাপ।
কলাতলীর বীচ ওয়ে হোটেলের সহকারী ব্যবস্থাপক সুখেন্দু বড়ুয়া জানান,১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর ৮০ শতাংশ রুম বিক্রি হয়েছে। আগামী ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর ছুটির দিন থাকায় সেদিনও প্রায় ৭০ পার্সেন্ট রুম বুকিং হয়েছে। তবে ৩১ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে এখনও আশানুরুপ সাড়া পাওয়া যায়নি।
হোটেল আইল্যান্ডিয়া রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল কবির পল্লব পাশা বলেন, রুম ভাড়া হয়েছে শতভাগ। কক্সবাজারের বেশীর ভাগ হোটেলের শতভাগ রুম বুকিং হয়েছে বলে তিনি জানান।
এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তায় রাতদিন কাজ করছে জানিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকদের যে কোনো সহয়তা লাগলে ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বোচ্চ সহযোগীতা করবে।
আবাসিক হোটেলগুলোর রুমের পরিসংখ্যান বলছে প্রায় ১ লক্ষ পর্যটক এসেছে কক্সবাজার।
আফজারা রিয়া 





















