ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল বদরখালীতে আলমগীর ফরিদের বহরে থাকা গাড়ীর ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় পাশে থাকবে ভারত: হাইকমিশনার মাতামুহুরী হচ্ছে কক্সবাজার জেলার দশম উপজেলা ১৮ মাস পর ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন মুহাম্মদ ইউনূস ১২ মার্চ সংসদ বসছে, নির্বাচন করা হবে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে কিছু পরিবর্তন আসবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন ভিসি নিয়াজ আহমদ খান চকরিয়ার কাকারায় ডাকাতের হামলায় মুজিবের মৃত্যু দাবী স্থানীয়দের: আঘাতের চিহ্ন নেই বলছে পুলিশ বিশ্বের সব দেশের ওপর শুল্ক ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করলেন ট্রাম্প বাংলাদেশ-সৌদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে: প্রধানমন্ত্রী জানুয়ারিতে সড়কে ঝরল ৫৪৬ প্রাণ: যাত্রী কল্যাণ সমিতি ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী, করবেন বইমেলার উদ্বোধন রমজানের অর্থনৈতিক দর্শন ‘চুল-দাঁড়ি পেকে সাদা হয়ে গেছে, আর কত!’  – জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রিপন

বিকল্প অফিস খুঁজছে পুড়ে যাওয়া মন্ত্রণালয়গুলো

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 248

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে গভীর রাতের আগুনে পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়, নথিপত্র, কম্পিউটার ও আসবাব পুড়ে যাওয়ায় এই মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়াই এখন বড় রকমের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য কাজ চালিয়ে নিতে বিকল্প অফিস খুঁজছে মন্ত্রণালয়গুলো। যেমন স্থানীয় সরকার বিভাগ আপাতত সময়ের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বা অন্য কোনো উপযুক্ত জায়গায় অফিস করার চিন্তাভাবনা করছে।

গত বুধবার ছিল বড়দিনের ছুটি। এ দিন গভীর রাতে বাংলাদেশ সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে ৭ নম্বর ভবনে। আগুনে এই ভবনে থাকা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে কম্পিউটার ও আসবাব। দেয়াল ও মেঝেতেও বড় ক্ষতি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ভবনটির ক্ষতিগ্রস্ত তলাগুলো আপাতত ব্যবহার করার সুযোগ নেই। ফলে অন্য কোনো জায়গায় অফিস খোঁজা হচ্ছে। তবে নথিপত্র পুড়ে যাওয়ায় কাজের ক্ষেত্রে বড় রকমের অসুবিধা হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) এ কে এম তারিকুল আলম আজ প্রথম আলোকে বলেন, অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের কার্যক্রম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বা অন্য কোনো উপযুক্ত জায়গায় করা যায় কি না, তা নিয়ে তাঁরা চিন্তাভাবনা করছেন।অতিরিক্ত সচিব যখন কথা বলছিলেন, তখন তাঁরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেই অবস্থান করছিলেন। প্রসঙ্গত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন চলে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সূত্রমতে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য অফিসের বিষয়টি ঠিক করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল

This will close in 6 seconds

বিকল্প অফিস খুঁজছে পুড়ে যাওয়া মন্ত্রণালয়গুলো

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে গভীর রাতের আগুনে পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়, নথিপত্র, কম্পিউটার ও আসবাব পুড়ে যাওয়ায় এই মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়াই এখন বড় রকমের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য কাজ চালিয়ে নিতে বিকল্প অফিস খুঁজছে মন্ত্রণালয়গুলো। যেমন স্থানীয় সরকার বিভাগ আপাতত সময়ের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বা অন্য কোনো উপযুক্ত জায়গায় অফিস করার চিন্তাভাবনা করছে।

গত বুধবার ছিল বড়দিনের ছুটি। এ দিন গভীর রাতে বাংলাদেশ সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে ৭ নম্বর ভবনে। আগুনে এই ভবনে থাকা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে কম্পিউটার ও আসবাব। দেয়াল ও মেঝেতেও বড় ক্ষতি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ভবনটির ক্ষতিগ্রস্ত তলাগুলো আপাতত ব্যবহার করার সুযোগ নেই। ফলে অন্য কোনো জায়গায় অফিস খোঁজা হচ্ছে। তবে নথিপত্র পুড়ে যাওয়ায় কাজের ক্ষেত্রে বড় রকমের অসুবিধা হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) এ কে এম তারিকুল আলম আজ প্রথম আলোকে বলেন, অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের কার্যক্রম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বা অন্য কোনো উপযুক্ত জায়গায় করা যায় কি না, তা নিয়ে তাঁরা চিন্তাভাবনা করছেন।অতিরিক্ত সচিব যখন কথা বলছিলেন, তখন তাঁরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেই অবস্থান করছিলেন। প্রসঙ্গত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন চলে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সূত্রমতে, সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সময়ের জন্য অফিসের বিষয়টি ঠিক করা হবে।