ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

উখিয়ায় ৮ খুদে হাফেজার কোরআন সবিনা খতম উপলক্ষে নানান আয়োজন

উখিয়ার দক্ষিণ থাইংখালী উত্তর জামতলি এলাকায় অবস্থিত হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা (রা.) বালিকা মাদ্রাসা, হিফজ খানা ও এতিম খানায় ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৮ জন খুদে হাফেজা পবিত্র কুরআন সবীনা খতম করেছেন। এ উপলক্ষে শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ও বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাওলানা সেলিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আইনজীবী এডভোকেট এম এ মালেক। স্থানীয় সমাজকর্মী, অভিভাবক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিবর্গ এতে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই খতমে কুরআন, দোয়া ও তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন-
“এই খুদে হাফেজারা আমাদের গর্ব। তারা কুরআনের আলো ছড়িয়ে মানবতার দিশা দেখাবে। মাদ্রাসাটির পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে-এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।”

এ বছর যারা সবীনা খতম সম্পন্ন করেন তারা হলেন-
হাফেজা উম্মে আয়মান (মাতা লায়লা বেগম), হাফেজা মুবিনা আক্তার (পিতা মোহাম্মদ ইসহাক), হাফেজা রাহমা নূরী (পিতা উখিল আহমেদ), হাফেজা মরিয়ম আক্তার (পিতা মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ), হাফেজা ফাতেমা নূর ছামী (পিতা মোহাম্মদ খলিল), হাফেজা ফারিহা জান্নাত মারুয়া (পিতা মোহাম্মদ উসমান), হাফেজা সাইমা আক্তার (পিতা মোহাম্মদ নুরুল আলম) ও হাফেজা জান্নাতুল নাঈমা (পিতা ছৈয়দ আলম)।

প্রতিষ্ঠান পরিচালক মাওলানা সেলিম বলেন, “২০২০ সালে নিজস্ব অর্থায়নে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এটি উখিয়ার অন্যতম মানসম্মত নারী হিফজ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

প্রতি বছর ৮ থেকে ১০ জন হাফেজা তৈরি হচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের।”

এ মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগের পাশাপাশি কওমী বিভাগও চালু রয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও উর্দু ভাষার পাঠ দেওয়া হয়। ফলে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানেও তারা সমৃদ্ধ হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে খুদে হাফেজাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং পরে গাড়িবহর নিয়ে পুরো এলাকায় আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্রীদের অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল এক অনন্য মিলনমেলা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা!

উখিয়ায় ৮ খুদে হাফেজার কোরআন সবিনা খতম উপলক্ষে নানান আয়োজন

আপডেট সময় : ১০:২৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

উখিয়ার দক্ষিণ থাইংখালী উত্তর জামতলি এলাকায় অবস্থিত হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা (রা.) বালিকা মাদ্রাসা, হিফজ খানা ও এতিম খানায় ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৮ জন খুদে হাফেজা পবিত্র কুরআন সবীনা খতম করেছেন। এ উপলক্ষে শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ও বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাওলানা সেলিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আইনজীবী এডভোকেট এম এ মালেক। স্থানীয় সমাজকর্মী, অভিভাবক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিবর্গ এতে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই খতমে কুরআন, দোয়া ও তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন-
“এই খুদে হাফেজারা আমাদের গর্ব। তারা কুরআনের আলো ছড়িয়ে মানবতার দিশা দেখাবে। মাদ্রাসাটির পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে-এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।”

এ বছর যারা সবীনা খতম সম্পন্ন করেন তারা হলেন-
হাফেজা উম্মে আয়মান (মাতা লায়লা বেগম), হাফেজা মুবিনা আক্তার (পিতা মোহাম্মদ ইসহাক), হাফেজা রাহমা নূরী (পিতা উখিল আহমেদ), হাফেজা মরিয়ম আক্তার (পিতা মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ), হাফেজা ফাতেমা নূর ছামী (পিতা মোহাম্মদ খলিল), হাফেজা ফারিহা জান্নাত মারুয়া (পিতা মোহাম্মদ উসমান), হাফেজা সাইমা আক্তার (পিতা মোহাম্মদ নুরুল আলম) ও হাফেজা জান্নাতুল নাঈমা (পিতা ছৈয়দ আলম)।

প্রতিষ্ঠান পরিচালক মাওলানা সেলিম বলেন, “২০২০ সালে নিজস্ব অর্থায়নে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এটি উখিয়ার অন্যতম মানসম্মত নারী হিফজ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

প্রতি বছর ৮ থেকে ১০ জন হাফেজা তৈরি হচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের।”

এ মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগের পাশাপাশি কওমী বিভাগও চালু রয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও উর্দু ভাষার পাঠ দেওয়া হয়। ফলে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানেও তারা সমৃদ্ধ হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে খুদে হাফেজাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং পরে গাড়িবহর নিয়ে পুরো এলাকায় আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্রীদের অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল এক অনন্য মিলনমেলা।