ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন শাহজাহান-আনোয়ারীর লড়াই জমালো যে ‘ভোটব্যাংক’ তারেক রহমানের সাথে আলমগীর ফরিদের শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধে এনসিপির আহবান কক্সবাজারের চারটি আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত চকরিয়ার ফুলের রাজ্যে ২ কোটি টাকার ফুল বিক্রি ঢাকায় সালাহউদ্দিনের সাথে আলমগীর ফরিদ, ‘জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি’ মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা মহেশখালীর সাতদিনব্যাপী আদিনাথ মেলা শুরু আগামীকাল থেকে কক্সবাজার ৪ সহ ৩০টি আসনে জয়ীদের শপথ স্থগিতে আইনী পদক্ষেপ নেবে জামায়াত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান চাঁদাবাজদের পুলিশে দিন,সাহসিকতার জন্যে দেয়া হবে পুরস্কার- লুৎফুর রহমান কাজল তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি: ডব্লিউআইওএন কক্সবাজারে বিএনপির দাপট: সালাহউদ্দিন ৪, ফরিদ ৩, কাজল ২ ও শাহজাহান ৫ বার এমপি জনরায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে নতুন সরকার: ড. আলী রিয়াজ

ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগিয়ে নিতে রোহিঙ্গা বানিয়ে আ’লীগ নেতার মিথ্যা অপপ্রচার

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা পশ্চিমপাড়ার একই পরিবারের দুই সন্তানের ভোটার হওয়া নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয় পত্রিকা দেশবিদেশসহ কয়েকটি অনলাইন নিউজে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদ পুরোপুরি মিথ্যা ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদে ​​আমান উল্লাহকে রোহিঙ্গা দাবি করে তার সন্তান—ছমিরা আকতার ও মো: রিদুয়ানের ভোটার কার্ড বাতিলের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন রিদুয়ান ও ছমিরা। তাদের দাবি, তারা ভোটার হওয়ার সময় আইনসম্মতভাবে সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং পূর্বপুরুষসহ সবাই বাংলাদেশী নাগরিক।

ছমিরা আকতার তাঁর পূর্ব পুরুষের পরিচিতি তুলে ধরে বলেন, আমার পরদাদা মৃত আজিজুর রহমান
আজিজুর রহমানের চার সন্তান
১. মৃত সোনালী
২. মৃত হাজী আব্দুল্লাহ
৩. মৃত আলী আহমদ সাওদাগর
৪. মৃত হাজী আব্দুল গফ্ফার
ঠিকানা : শাহ পরীর দ্বীপ, বাজার পাড়া, ৮ নং ওয়ার্ড, সাবরাং ইউনিয়ন, টেকনাফ, কক্সবাজার
আমার দাদা : মৃত সোনালী
সোনালীর তিন সন্তান
১. মৃত খতিজা
২. আমান উল্লাহ
৩. মৃত শফি উল্লাহ
আমার বাবা আমান উল্লাহ, আমার চাচা শফি উল্লাহ ১৯৯৪ সালে লেদা হাজী মকতুল হোসাইন এর কাছ থেকে ৩৯ শতক জায়গা ক্রয় করে আমার বাবাকে সেই ভিটায় থাকতে দেয়।  এবং আমার চাচা তখন থেকে সৌদি আরব চলে যান। আর আমাদের যাবতীয় ডকুমেন্টস সেই ভিটার অবস্থানে।
১৯৯৪ থেকে লেদা বরইগাছতলা আমাদের বসতভিটা, আমাদের জন্ম সেই বসতভিটায় আর পড়াশুনা শুরু হয় বাড়ির পাশের ইবনে আব্বাস মাদ্রাসা থেকে। ২০০৭ সাল থেকে আমার বাবার সাথে একজনের জায়গার বিরোধ হয় এবং মৃত্যুর হুমকি দেয়। সেই থেকেমদীর্ঘ ১৭ বছর বাবা মানসিক রোগী

​ছমিরা আকতার বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রক্রিয়ায় পরিবার-স্বজনদের যাবতীয় দলিলাদি জমা দেওয়া হয়েছে। ভুমিদস্যু স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলম গং অসৎ উদ্দেশ্যে পিতার নামে ভুয়া আইডি কার্ড জমা দেওয়ার মিথ্যা তথ্য রটিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলেন, মোহাম্মদ আলম ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগিয়ে নিতে  দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত শত্রুতা ও ঈর্ষা থেকে তাদের হয়রানি করে আসছেন। তথ্যগুলো একপেশে ও সম্পূর্ণ বানোয়াট। বিশেষ করে, পিতার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা একটি ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়, যা পরিবারের মানহানি ঘটাচ্ছে। তারা মনে করেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা যার মাধ্যমে জমি হাতিয়ে নিতে চক্রান্ত চলছে।

তারা আরো বলেন, “আমরা বাংলাদেশী। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমরা আশা করি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হবে এবং আমরা ন্যায়বিচার পাবো।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন

This will close in 6 seconds

ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগিয়ে নিতে রোহিঙ্গা বানিয়ে আ’লীগ নেতার মিথ্যা অপপ্রচার

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা পশ্চিমপাড়ার একই পরিবারের দুই সন্তানের ভোটার হওয়া নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয় পত্রিকা দেশবিদেশসহ কয়েকটি অনলাইন নিউজে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদ পুরোপুরি মিথ্যা ও মানহানিকর বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

সংবাদে ​​আমান উল্লাহকে রোহিঙ্গা দাবি করে তার সন্তান—ছমিরা আকতার ও মো: রিদুয়ানের ভোটার কার্ড বাতিলের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন রিদুয়ান ও ছমিরা। তাদের দাবি, তারা ভোটার হওয়ার সময় আইনসম্মতভাবে সকল কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং পূর্বপুরুষসহ সবাই বাংলাদেশী নাগরিক।

ছমিরা আকতার তাঁর পূর্ব পুরুষের পরিচিতি তুলে ধরে বলেন, আমার পরদাদা মৃত আজিজুর রহমান
আজিজুর রহমানের চার সন্তান
১. মৃত সোনালী
২. মৃত হাজী আব্দুল্লাহ
৩. মৃত আলী আহমদ সাওদাগর
৪. মৃত হাজী আব্দুল গফ্ফার
ঠিকানা : শাহ পরীর দ্বীপ, বাজার পাড়া, ৮ নং ওয়ার্ড, সাবরাং ইউনিয়ন, টেকনাফ, কক্সবাজার
আমার দাদা : মৃত সোনালী
সোনালীর তিন সন্তান
১. মৃত খতিজা
২. আমান উল্লাহ
৩. মৃত শফি উল্লাহ
আমার বাবা আমান উল্লাহ, আমার চাচা শফি উল্লাহ ১৯৯৪ সালে লেদা হাজী মকতুল হোসাইন এর কাছ থেকে ৩৯ শতক জায়গা ক্রয় করে আমার বাবাকে সেই ভিটায় থাকতে দেয়।  এবং আমার চাচা তখন থেকে সৌদি আরব চলে যান। আর আমাদের যাবতীয় ডকুমেন্টস সেই ভিটার অবস্থানে।
১৯৯৪ থেকে লেদা বরইগাছতলা আমাদের বসতভিটা, আমাদের জন্ম সেই বসতভিটায় আর পড়াশুনা শুরু হয় বাড়ির পাশের ইবনে আব্বাস মাদ্রাসা থেকে। ২০০৭ সাল থেকে আমার বাবার সাথে একজনের জায়গার বিরোধ হয় এবং মৃত্যুর হুমকি দেয়। সেই থেকেমদীর্ঘ ১৭ বছর বাবা মানসিক রোগী

​ছমিরা আকতার বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রক্রিয়ায় পরিবার-স্বজনদের যাবতীয় দলিলাদি জমা দেওয়া হয়েছে। ভুমিদস্যু স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলম গং অসৎ উদ্দেশ্যে পিতার নামে ভুয়া আইডি কার্ড জমা দেওয়ার মিথ্যা তথ্য রটিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলেন, মোহাম্মদ আলম ওয়ারিশ সম্পত্তি ভাগিয়ে নিতে  দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত শত্রুতা ও ঈর্ষা থেকে তাদের হয়রানি করে আসছেন। তথ্যগুলো একপেশে ও সম্পূর্ণ বানোয়াট। বিশেষ করে, পিতার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা একটি ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়, যা পরিবারের মানহানি ঘটাচ্ছে। তারা মনে করেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা যার মাধ্যমে জমি হাতিয়ে নিতে চক্রান্ত চলছে।

তারা আরো বলেন, “আমরা বাংলাদেশী। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমরা আশা করি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হবে এবং আমরা ন্যায়বিচার পাবো।”