ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে দাতা সদস্য নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক হাফিজ গর্জনিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র ওয়াসিম নাপিতেরচর স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচিত ‘আমাকে মিস করছেন?’ বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পুরোনো ছকে ফিরছে ব্রাজিল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোট নয়, এককভাবে অংশ নেবে এনসিপি এক রেলপথে যুক্ত হচ্ছে সৌদি, কুয়েত ও কাতারসহ ৬ দেশ কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি? মাতামুহুরীতে জামায়াতের জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি

যুদ্ধের পর প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো শিবির!

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 311

মুক্তিযুদ্ধের পর এই প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের নেতারা। সূত্রমতে, এবারই প্রথম শিবিরের কোনো নেতাকর্মী একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো।

এর আগে ডাকসুর নেতারা শ্রদ্ধা জানান -২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবরে। এসময় নেতারা জানান, ৭১ এবং ২৪ -এর শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে এগিয়ে যেতে চান তারা।

এসময় সদ্য নির্বাচিত ডাকসু ভিপি সাদিক কায়ম জানান, যেভাবে জুলাইয়ে কাজ করেছেন সেভাবেই ঢাবি থেকে গণতান্ত্রিক বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দিতে চান তারা।

তিনি বলেন, শহীদরা আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তাদের আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্যে চেষ্টা করে যাবে নতুন কমিটি।

ডাকসু জিএস এহসান ফরহাদ এসময় বলেন, বিজয়টা ছাত্র শিবিরের বিজয় না, শিক্ষার্থীদের বিজয়। শিক্ষার্থীদের জন্যে কাজ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

হিজাব নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া গুজব ছড়াচ্ছে বলেও জানান ডাকসু নেতারা।

প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের পর রায়েরবাজারের প্রথম পরিচিতি ছিলো বধ্যভূমি হিসেবে। যেখানে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ আবিষ্কৃত হয়েছিলো। এই স্থানে পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়, যা ১৯৯৬-১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৪ ডিসেম্বর রায়েরবাজারের একটি নিচু এলাকায় হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই স্থানটি বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের গণহত্যার একটি ভয়াবহ প্রতীক।

এই ঐতিহাসিক বধ্যভূমির স্মৃতি রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে তা সম্পন্ন হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী

যুদ্ধের পর প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো শিবির!

আপডেট সময় : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধের পর এই প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের নেতারা। সূত্রমতে, এবারই প্রথম শিবিরের কোনো নেতাকর্মী একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো।

এর আগে ডাকসুর নেতারা শ্রদ্ধা জানান -২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবরে। এসময় নেতারা জানান, ৭১ এবং ২৪ -এর শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে এগিয়ে যেতে চান তারা।

এসময় সদ্য নির্বাচিত ডাকসু ভিপি সাদিক কায়ম জানান, যেভাবে জুলাইয়ে কাজ করেছেন সেভাবেই ঢাবি থেকে গণতান্ত্রিক বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দিতে চান তারা।

তিনি বলেন, শহীদরা আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তাদের আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্যে চেষ্টা করে যাবে নতুন কমিটি।

ডাকসু জিএস এহসান ফরহাদ এসময় বলেন, বিজয়টা ছাত্র শিবিরের বিজয় না, শিক্ষার্থীদের বিজয়। শিক্ষার্থীদের জন্যে কাজ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

হিজাব নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া গুজব ছড়াচ্ছে বলেও জানান ডাকসু নেতারা।

প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের পর রায়েরবাজারের প্রথম পরিচিতি ছিলো বধ্যভূমি হিসেবে। যেখানে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ আবিষ্কৃত হয়েছিলো। এই স্থানে পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়, যা ১৯৯৬-১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৪ ডিসেম্বর রায়েরবাজারের একটি নিচু এলাকায় হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই স্থানটি বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের গণহত্যার একটি ভয়াবহ প্রতীক।

এই ঐতিহাসিক বধ্যভূমির স্মৃতি রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে তা সম্পন্ন হয়।