ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোজার ধর্মীয় গুরুত্ব রামুতে পুলিশের অভিযান: ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক নারী সীমান্তে মাদককারবারির সাথে বিজিবির গুলি বিনিময়: পৌনে ১০ লাখ ইয়াবা উদ্ধার শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে ‘মব কালচার শেষ’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফুটবলার মেসুত ওজিল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পুত্র বিলাল কক্সবাজার আসছেন বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের আকাশে দেখা গেলো রমজানের চাঁদ : রোজা শুরু বৃহস্পতিবার উখিয়ায় ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হলো কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের অফিস সাগরে পথে সিমেন্ট পাচারকালে আটক ১১ ভাই সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক ছাত্রদল নেতা এনামের খোলা চিঠি অটোরিকশা থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেড় কিলোমিটার ধাওয়া করে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি

মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন ২১১১ জন

মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে ২ হাজার ১১১ জন বাদ যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স মন্ত্রণালয় থেকে ১২ বছর ৬ মাস নির্ধারণ করা আছে। এর চেয়ে কম বয়সী আছেন ২ হাজার ১১১ জন। এরা তালিকা থেকে বাদ যাবেন।

তিনি বলেন, বহু অভিযোগ আছে। অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও তালিকাভুক্ত হয়েছেন এবং সব সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা। আদালত নির্ণয়ের পর এদের সাজার ব্যবস্থা করা হবে। এদের শাস্তি পাওয়া উচিত। নানা রকমের তালিকা এখানে আছে। একটু সময় তো লাগবেই। আমাদের চেষ্টা থাকবে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা যেন ক্ষুণ্ণ না হয়। তবে তাদের একটি সুযোগ দিতে ইমডেমনিটি দেওয়া হতে পারে। তারা যদি স্বেচ্ছায় চলে যান তাহলে সাধারণ ক্ষমতা পেতে পারেন। না হলে তাদের অভিযুক্ত করা হবে।

উপদেষ্টা জানান, মন্ত্রণালয় থেকে ভাতাপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪৫৪ জন। এর মধ্যে বীরাঙ্গনা ৪৬৪ জন। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ৫ হাজার ৮৯৫ জন, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ৫ হাজার ৩৩৩ জন এবং খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৩৬৮ জন। সব মিলিয়ে মোট ভাতাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার ৫০ জন।

তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের সর্বমোট সংখ্যা ৮৯ হাজার ২৩৫ জন। আর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা ৫৬০ জন।

এক প্রশ্নের জবাবে ফারুক ই আজম বলেন, রাজাকারের তালিকা আমার কাছে নেই। কোনো ফাইল পাইনি। মন্ত্রণালয়েও এ বিষয়ে নথি নাই। তালিকা করতে চাইলেও করা যাবে না। যেভাবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা এখন করা সম্ভব না। এটা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। ৫০ বছর আগের ঘটনা এখন কে কোথায় আছেন, এটা বের করা অনেক দুরূহ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোজার ধর্মীয় গুরুত্ব

This will close in 6 seconds

মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন ২১১১ জন

আপডেট সময় : ০২:০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে ২ হাজার ১১১ জন বাদ যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স মন্ত্রণালয় থেকে ১২ বছর ৬ মাস নির্ধারণ করা আছে। এর চেয়ে কম বয়সী আছেন ২ হাজার ১১১ জন। এরা তালিকা থেকে বাদ যাবেন।

তিনি বলেন, বহু অভিযোগ আছে। অনেকেই মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও তালিকাভুক্ত হয়েছেন এবং সব সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা। আদালত নির্ণয়ের পর এদের সাজার ব্যবস্থা করা হবে। এদের শাস্তি পাওয়া উচিত। নানা রকমের তালিকা এখানে আছে। একটু সময় তো লাগবেই। আমাদের চেষ্টা থাকবে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা যেন ক্ষুণ্ণ না হয়। তবে তাদের একটি সুযোগ দিতে ইমডেমনিটি দেওয়া হতে পারে। তারা যদি স্বেচ্ছায় চলে যান তাহলে সাধারণ ক্ষমতা পেতে পারেন। না হলে তাদের অভিযুক্ত করা হবে।

উপদেষ্টা জানান, মন্ত্রণালয় থেকে ভাতাপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪৫৪ জন। এর মধ্যে বীরাঙ্গনা ৪৬৪ জন। যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ৫ হাজার ৮৯৫ জন, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ৫ হাজার ৩৩৩ জন এবং খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৩৬৮ জন। সব মিলিয়ে মোট ভাতাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার ৫০ জন।

তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের সর্বমোট সংখ্যা ৮৯ হাজার ২৩৫ জন। আর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা ৫৬০ জন।

এক প্রশ্নের জবাবে ফারুক ই আজম বলেন, রাজাকারের তালিকা আমার কাছে নেই। কোনো ফাইল পাইনি। মন্ত্রণালয়েও এ বিষয়ে নথি নাই। তালিকা করতে চাইলেও করা যাবে না। যেভাবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা এখন করা সম্ভব না। এটা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। ৫০ বছর আগের ঘটনা এখন কে কোথায় আছেন, এটা বের করা অনেক দুরূহ।