টানা ৩ দিনের ছুটিতে পর্যটকে মুখর সৈকতের শহর কক্সবাজার।
শহরের ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেলের বেশীর ভাগ রুম ভাড়া হয়ে গেছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত তারকামানের হোটেলে থেকে প্রায় সব হোটেলের রুম আগাম বুকিং হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
ঈদের ছুটি শেষে রবিবার অফিস পাড়া খুলেছে। তবে সপ্তাহের শেষে বৃহস্পতিবার তথা ২৬ মার্চ ছিলো মহান স্বাধীনতা দিবস। সাথে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। তাই ৩ দিনের টানা ছুটিতে সব পথ মিশেছে সাগরের সৈকতে।
রাজধানী ঢাকার মিরপুর থেকে আসা পর্যটক রাশেদা আক্তার জানান, ঈদের সময় আত্মীয় স্বজনের সাথে দেখা, বাসায় মেহমান, রান্না বান্নার ব্যস্ততা থাকার করার কারণে বেড়ানোর সুযোগ হয়নি। এই তিনদিনের ছুটির সুযোগ হাতছাড়া করলাম না, চলে এলাম কক্সবাজার।
কুমিল্লার লাকসাম থেকে আসা পর্যটক সাঈদ আনোয়ার অবশ্য অভিযোগের সুরে বলেছেন,পর্যটক বাড়লেই কক্সবাজারে হোটেল ভাড়া থেকে সবকিছুর দাম বাড়িয়ে রাখে, এটা যেনো করতে না পারে প্রশাসনের উচীত এ দিকে লক্ষ্য রাখা।
হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানিয়েছেন,কক্সবাজার শহরের কোথাও কোনো রুম খালি নেই। ৩০ মার্চ পর্যন্ত বেশির ভাগ হোটেলের অগ্রিম বুকিং রয়েছে।
তিনি বলেন,” আমরা সব হোটেলকে নির্দেশনা দিয়েছি যেন পর্যটকদের হয়রানি করা না হয় এবং ন্যায্যমূল্য রাখা হয়।’
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল হক জাতীয় একটি গণমাধ্যমকে জানান, “পর্যটন সংশ্লিষ্টরা ট্যুরিস্টদের হয়রানি না করে সেদিকটাই আমরা গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। পর্যটকদের যাতে অতিরিক্ত টাকা গুণতে না হয়, সেজন্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে”।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















