ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৈকতে খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রামের উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী একটা ভোটের জন্য জামায়াত যা খুশি তাই বলছে- মহেশখালীতে সালাহউদ্দিন আহমদ আগামীর কক্সবাজারের জন্য উন্নয়ন ও সুশাসনের লক্ষ্যে নাগরিক সংলাপ পরবর্তী ১৩ দফা সুপারিশ ভোটাধিকার রক্ষায় আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে— মহেশখালীতে হামিদুর রহমান আযাদ নাইক্ষ্যংছড়িতে গণমিছিল / আমরা ভাতা নয়, কাজ দিব – সুজা সেনাবাহিনীর অভিযান; খুরুশকুলের মামুন ও কায়ছার দেশীয় অস্ত্রসহ আটক কারাবন্দী সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন মারা গেছেন আজ প্রিয়জনকে গোলাপ দেওয়ার দিন সীমান্তে গুলিবিদ্ধের ২৭ দিন পর হোয়াইক্যংয়ের হুজাইফার মৃত্যু ১২ ফেব্রুয়ারি : গণভোট, গোলাপী ব্যালেট ক্ষমতায় যাবে ১১ দলীয় জোট-মহেশখালীতে অলি আহমেদ ‘ আমিই মেজর জিয়াকে স্বাধীনতা ঘোষণা করতে বলেছিলাম ‘ – মহেশখালীতে কর্নেল অলি কক্সবাজারে ঝুঁকিপূর্ণ ৩২৯টি ভোটকেন্দ্র: ঝুঁকিতে দ্বীপ ও সীমান্ত এলাকা রামু বৌদ্ধ মন্দিরের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় বুড্ডিস্ট সোশ্যাল মুভমেন্ট বাংলাদেশ’র চিঠি

২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রায়োন্ডা’ উন্মোচন

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য নতুন অফিসিয়াল বল হিসেবে “ট্রায়োন্ডা” উন্মোচন করা হয়েছে। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য ও প্রতীককে ফুটিয়ে তুলতেই এর নকশা করা হয়েছে। উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান, কাফু, আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, জাভি হার্নান্দেজ ও জিনেদিন জিদানসহ পাঁচজন বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলটিকে গর্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, অ্যাডিডাস আবারও প্রযুক্তি ও নকশার দিক থেকে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

“ট্রায়োন্ডা” নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—‘ট্রাই’ (তিন) ও ‘ওন্ডা’ (ঢেউ)। এর নকশায় যুক্তরাষ্ট্রের তারকা, কানাডার ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর ঈগলকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। লাল, সবুজ ও নীল রঙে আঁকা ঢেউময় নকশা তিন আয়োজক দেশকে একসাথে ধারণ করছে, সঙ্গে রয়েছে সোনালি ছোঁয়া, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে।

বলটি চার-প্যানেল প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, যা খেলার সময় গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। বিশেষ খোদাইয়ের কারণে ভিজে থাকলেও বলের গ্রিপ অটুট থাকে। এ ছাড়া বলটির ভেতরে যুক্ত হয়েছে ৫০০ হের্জ সেন্সর, যা রিয়েলটাইম তথ্য দেবে। এর ফলে VAR ব্যবহারের সময় অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা ফাউল দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপের বল নিয়ে ইতিহাসে নানা আলোচনার জন্ম হয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথমবার অ্যাডিডাস বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল তৈরি করে, নাম ছিল “টেলস্টার”। সাদা-কালো নকশার সেই বল ফুটবলের প্রতীক হয়ে ওঠে। এরপর “ট্যাঙ্গো”, “ফিভারনোভা”, “টিমগাইস্ট”, “জাবুলানি”, “ব্রাজুকা” থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক “আল রিহলা”—প্রতিটি বলের নকশা সময়ের প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত “জাবুলানি” বিতর্কিত হলেও এটি ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। নতুন ট্রায়োন্ডা তাই শুধু খেলার সরঞ্জাম নয়, বরং ফুটবলের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ সংযোজন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৈকতে খালেদা জিয়ার জীবন ও সংগ্রামের উপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী

This will close in 6 seconds

২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রায়োন্ডা’ উন্মোচন

আপডেট সময় : ০৫:১২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য নতুন অফিসিয়াল বল হিসেবে “ট্রায়োন্ডা” উন্মোচন করা হয়েছে। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য ও প্রতীককে ফুটিয়ে তুলতেই এর নকশা করা হয়েছে। উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান, কাফু, আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, জাভি হার্নান্দেজ ও জিনেদিন জিদানসহ পাঁচজন বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলটিকে গর্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, অ্যাডিডাস আবারও প্রযুক্তি ও নকশার দিক থেকে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

“ট্রায়োন্ডা” নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—‘ট্রাই’ (তিন) ও ‘ওন্ডা’ (ঢেউ)। এর নকশায় যুক্তরাষ্ট্রের তারকা, কানাডার ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর ঈগলকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। লাল, সবুজ ও নীল রঙে আঁকা ঢেউময় নকশা তিন আয়োজক দেশকে একসাথে ধারণ করছে, সঙ্গে রয়েছে সোনালি ছোঁয়া, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে।

বলটি চার-প্যানেল প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, যা খেলার সময় গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। বিশেষ খোদাইয়ের কারণে ভিজে থাকলেও বলের গ্রিপ অটুট থাকে। এ ছাড়া বলটির ভেতরে যুক্ত হয়েছে ৫০০ হের্জ সেন্সর, যা রিয়েলটাইম তথ্য দেবে। এর ফলে VAR ব্যবহারের সময় অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা ফাউল দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপের বল নিয়ে ইতিহাসে নানা আলোচনার জন্ম হয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথমবার অ্যাডিডাস বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল তৈরি করে, নাম ছিল “টেলস্টার”। সাদা-কালো নকশার সেই বল ফুটবলের প্রতীক হয়ে ওঠে। এরপর “ট্যাঙ্গো”, “ফিভারনোভা”, “টিমগাইস্ট”, “জাবুলানি”, “ব্রাজুকা” থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক “আল রিহলা”—প্রতিটি বলের নকশা সময়ের প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত “জাবুলানি” বিতর্কিত হলেও এটি ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। নতুন ট্রায়োন্ডা তাই শুধু খেলার সরঞ্জাম নয়, বরং ফুটবলের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ সংযোজন।