ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়া উপজেলা: সংকট ও আগামীর সম্ভাবনা হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন ছাত্রনেতা শাইনুর হোছাইন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম আটক টেকনাফে শুরু হচ্ছে এফ এফ জি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৬, খেলোয়াড়দের রেজিস্ট্রেশনের আহ্বান টেকনাফে পাচারকারীদের আস্তানা থেকে ৪ অপহৃত উদ্ধার ভুয়া প্রেস রিলিজ নিয়ে সতর্কবার্তা: কক্সবাজার জেলা ছাত্রদল কমিটি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিবৃতি ডাকাত দলের অভয়ারণ্য ঈদগাঁও-ঈদগড় পাহাড়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান টেকনাফে জেলের জালে ধরা পড়ল ১৬ কেজির কোরাল উখিয়া সীমান্তের শূণ্যরেখায় মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা কিশোরের পা বিচ্ছিন্ন প্রিপেইড মিটারে মাসিক চার্জ থাকছে না: বিদ্যুৎমন্ত্রী সাবেক দুই লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে পুলিশ সুপারের আকষ্মিক পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন কক্সবাজারে ২৪ ঘণ্টার চিরুনি অভিযান: ১৫ ছিনতাইকারী-ডাকাত গ্রেফতার বাণিজ্যের আড়ালে ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার ৬৮ বিলিয়ন ডলার সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রায়োন্ডা’ উন্মোচন

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য নতুন অফিসিয়াল বল হিসেবে “ট্রায়োন্ডা” উন্মোচন করা হয়েছে। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য ও প্রতীককে ফুটিয়ে তুলতেই এর নকশা করা হয়েছে। উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান, কাফু, আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, জাভি হার্নান্দেজ ও জিনেদিন জিদানসহ পাঁচজন বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলটিকে গর্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, অ্যাডিডাস আবারও প্রযুক্তি ও নকশার দিক থেকে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

“ট্রায়োন্ডা” নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—‘ট্রাই’ (তিন) ও ‘ওন্ডা’ (ঢেউ)। এর নকশায় যুক্তরাষ্ট্রের তারকা, কানাডার ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর ঈগলকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। লাল, সবুজ ও নীল রঙে আঁকা ঢেউময় নকশা তিন আয়োজক দেশকে একসাথে ধারণ করছে, সঙ্গে রয়েছে সোনালি ছোঁয়া, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে।

বলটি চার-প্যানেল প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, যা খেলার সময় গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। বিশেষ খোদাইয়ের কারণে ভিজে থাকলেও বলের গ্রিপ অটুট থাকে। এ ছাড়া বলটির ভেতরে যুক্ত হয়েছে ৫০০ হের্জ সেন্সর, যা রিয়েলটাইম তথ্য দেবে। এর ফলে VAR ব্যবহারের সময় অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা ফাউল দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপের বল নিয়ে ইতিহাসে নানা আলোচনার জন্ম হয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথমবার অ্যাডিডাস বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল তৈরি করে, নাম ছিল “টেলস্টার”। সাদা-কালো নকশার সেই বল ফুটবলের প্রতীক হয়ে ওঠে। এরপর “ট্যাঙ্গো”, “ফিভারনোভা”, “টিমগাইস্ট”, “জাবুলানি”, “ব্রাজুকা” থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক “আল রিহলা”—প্রতিটি বলের নকশা সময়ের প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত “জাবুলানি” বিতর্কিত হলেও এটি ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। নতুন ট্রায়োন্ডা তাই শুধু খেলার সরঞ্জাম নয়, বরং ফুটবলের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ সংযোজন।

ট্যাগ :

উখিয়া উপজেলা: সংকট ও আগামীর সম্ভাবনা

২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল ‘ট্রায়োন্ডা’ উন্মোচন

আপডেট সময় : ০৫:১২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য নতুন অফিসিয়াল বল হিসেবে “ট্রায়োন্ডা” উন্মোচন করা হয়েছে। আয়োজক তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্য ও প্রতীককে ফুটিয়ে তুলতেই এর নকশা করা হয়েছে। উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান, কাফু, আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, জাভি হার্নান্দেজ ও জিনেদিন জিদানসহ পাঁচজন বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলটিকে গর্বের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, অ্যাডিডাস আবারও প্রযুক্তি ও নকশার দিক থেকে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

“ট্রায়োন্ডা” নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—‘ট্রাই’ (তিন) ও ‘ওন্ডা’ (ঢেউ)। এর নকশায় যুক্তরাষ্ট্রের তারকা, কানাডার ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর ঈগলকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। লাল, সবুজ ও নীল রঙে আঁকা ঢেউময় নকশা তিন আয়োজক দেশকে একসাথে ধারণ করছে, সঙ্গে রয়েছে সোনালি ছোঁয়া, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে।

বলটি চার-প্যানেল প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, যা খেলার সময় গতি ও স্থিতিশীলতা বাড়ায়। বিশেষ খোদাইয়ের কারণে ভিজে থাকলেও বলের গ্রিপ অটুট থাকে। এ ছাড়া বলটির ভেতরে যুক্ত হয়েছে ৫০০ হের্জ সেন্সর, যা রিয়েলটাইম তথ্য দেবে। এর ফলে VAR ব্যবহারের সময় অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা ফাউল দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

বিশ্বকাপের বল নিয়ে ইতিহাসে নানা আলোচনার জন্ম হয়েছে। ১৯৭০ সালে প্রথমবার অ্যাডিডাস বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল তৈরি করে, নাম ছিল “টেলস্টার”। সাদা-কালো নকশার সেই বল ফুটবলের প্রতীক হয়ে ওঠে। এরপর “ট্যাঙ্গো”, “ফিভারনোভা”, “টিমগাইস্ট”, “জাবুলানি”, “ব্রাজুকা” থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক “আল রিহলা”—প্রতিটি বলের নকশা সময়ের প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ব্যবহৃত “জাবুলানি” বিতর্কিত হলেও এটি ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে। নতুন ট্রায়োন্ডা তাই শুধু খেলার সরঞ্জাম নয়, বরং ফুটবলের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ সংযোজন।