টেকনাফের আলোচিত ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামী রেজাউল করিমকে (৩৬) আটক করেছে র্যাব।
গত ৩ ডিসেম্বর রাতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার ইউনিয়ন হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় ৫ নম্বর আসামী রেজাউল করিমকে হাসপাতালের ৭ম তলায় পুরুষ ওয়ার্ডের ৫নং বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটক করা হয়।
র্যাব-১৫ এর সহকারি পুলিশ সুপার ও সহকারি পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম) আ.ম. ফারুক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃত রেজাউল করিম টেকনাফের হ্নীলার দরগাপাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
গত ৫ নভেম্বর সকালে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় একটি ব্রিজের নিওচ থেকে ভাসমান অবস্থায় ইউনুস মেম্বারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ইউনুস সিকদার উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দলীপাড়ার প্রয়াত মোহাম্মদ কাশেমের ছেলে। তিনি সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। ইউনুস সিকদার বিএনপির না র ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। বাড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে তাঁর লাশ পাওয়া গেছে।
পরের দিন ৬ নভেম্বর নিহত ইউনুস সিকদারের স্ত্রী কহিনুর আক্তার বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে টেকনাফ মডেল থানায় হত্যা মামলার এজাহার দায়ের করেন। পর দিন ৭ নভেম্বর থানার ওসি মামলাটি নথিভূক্ত করেন। মামলায় নামীয় প্রধান আসামি করা হয়েছে হ্নীলা রঙ্গিখালীর ছৈয়দুর রহমান ওরফে ছৈয়দ মেম্বারের পুত্র ও উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম ওরফে শাফুইয়াকে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭–৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 






















