ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রয়াত স্ত্রী ইকরাকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি আলভীর ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ৮ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের ৬ রুটের ফ্লাইট বাতিল করলো বিমান ইরানকে বিভক্ত করার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হরমুজ প্রণালী খোলা, তবে সবার জন্য নয় : ইরান গর্জনিয়ায় মোটরসাইকেল চালক সমিতির ইফতার মাহফিল চকরিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণ : উড়ে গেল কাঠুরিয়ার পা ভিন্ন আবহে আরেকটি ৭ মার্চ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজারের আহবায়ক কমিটি গঠিত – আহবায়ক: মোজাম্মেল হক, সদস্য সচিব: আরোজ ফারুক ‘আমার মত অনেক মেয়ে আপেল মাহমুদের কাছে নির্যাতিত’ -লাইলা পরী পেকুয়ায় মা–মেয়ের এক মাসের কারাদণ্ডের অন্তরালে “নব্য জাহেলিয়াত থেকে মুক্তির জন্য ইসলামী অনুশাসনের বিকল্প নেই – আনোয়ারী সিবিআইইউতে বিবিএ ডিপার্টমেন্টের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা বেঁধে দিল বিপিসি

সেন্টমার্টিনে ১৮৫০ কেজি বর্জ্য অপসারণ

সেন্টমার্টিনে দুই দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ।

অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দা,স্কুল মাদরাসার শিক্ষার্থী,পর্যটকসহ পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেয়।

ইউনিলিভার বাংলাদেশ এ উদ্যোগে সহযোগিতা করে। দুই দিনে প্রায় ১৮৫০ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য দ্বীপ থেকে সংগ্রহ করে টেকনাফে নিয়ে আসা হয়।

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মুনতাসির মামুন জানান, অলিগলি ও সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্লাস্টিক বোতল, প্যাকেটসহ বিভিন্ন অপচনশীল বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সারা বছর সেন্ট মার্টিনে পর্যটক প্রবেশের সুযোগ রাখা হলেও তা সীমিত রাখলে পরিবেশের ওপর চাপ কমবে। এছাড়া দ্বীপে জমা প্লাস্টিক মূল ভূখণ্ডে না নিলে এর নেতিবাচক প্রভাব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছৈয়দ আলম জানান, গত ১৫ বছর ধরে কেওক্রাডং বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে দ্বীপ পরিষ্কারে কাজ করছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ।

তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের বর্জ্যে সৈকত নোংরা হয়ে গেলেও এই ধারাবাহিক পরিষ্কার কার্যক্রমের ফলে দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমনৃবয়কারি মুনতাসির মামুনের ভাষায়, আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ছিল সামর্থ্য অনুযায়ী পরিবেশগত ক্ষতি কমানো।

প্রতিবছর কেওক্রাডং বাংলাদেশের উদ্যোগে সেন্টমার্টিনে পরিচালিত হয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান। এটি ছিলো দ্বীপে পরিচালিত ১৫তম পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

ট্যাগ :
আপলোডকারীর তথ্য

Mohammad Noman

মোহাম্মেদ নোমান কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার একজন তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিক। তিনি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিটিএন কক্সবাজার এর মাধ্যমে সাংবাদিকতায় যুক্ত হয়ে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন করে পরিচিতি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি অনলাইন এর টেকনাফ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিকতার মাধ্যমে সীমান্তাঞ্চল টেকনাফের জনজীবন, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মানবিক বিষয়গুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। সততা, দায়িত্ববোধ ও মাঠভিত্তিক অনুসন্ধানী কাজের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকতায় একটি সম্ভাবনাময় নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে এগিয়ে চলেছেন।

প্রয়াত স্ত্রী ইকরাকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি আলভীর

সেন্টমার্টিনে ১৮৫০ কেজি বর্জ্য অপসারণ

আপডেট সময় : ০৯:১৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫

সেন্টমার্টিনে দুই দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ।

অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দা,স্কুল মাদরাসার শিক্ষার্থী,পর্যটকসহ পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেয়।

ইউনিলিভার বাংলাদেশ এ উদ্যোগে সহযোগিতা করে। দুই দিনে প্রায় ১৮৫০ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য দ্বীপ থেকে সংগ্রহ করে টেকনাফে নিয়ে আসা হয়।

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মুনতাসির মামুন জানান, অলিগলি ও সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্লাস্টিক বোতল, প্যাকেটসহ বিভিন্ন অপচনশীল বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সারা বছর সেন্ট মার্টিনে পর্যটক প্রবেশের সুযোগ রাখা হলেও তা সীমিত রাখলে পরিবেশের ওপর চাপ কমবে। এছাড়া দ্বীপে জমা প্লাস্টিক মূল ভূখণ্ডে না নিলে এর নেতিবাচক প্রভাব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছৈয়দ আলম জানান, গত ১৫ বছর ধরে কেওক্রাডং বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে দ্বীপ পরিষ্কারে কাজ করছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ।

তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের বর্জ্যে সৈকত নোংরা হয়ে গেলেও এই ধারাবাহিক পরিষ্কার কার্যক্রমের ফলে দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমনৃবয়কারি মুনতাসির মামুনের ভাষায়, আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ছিল সামর্থ্য অনুযায়ী পরিবেশগত ক্ষতি কমানো।

প্রতিবছর কেওক্রাডং বাংলাদেশের উদ্যোগে সেন্টমার্টিনে পরিচালিত হয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান। এটি ছিলো দ্বীপে পরিচালিত ১৫তম পরিচ্ছন্নতা অভিযান।