ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই কক্সবাজারের ডিককুলে যৌথবাহিনীর অভিযান: অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক ১ বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার দুই প্রার্থীর পক্ষ নেওয়া চার ‘আলোচিত’ নামে তোলপাড় ভোটের সমীকরণ! ​নির্বাচনী নিরাপত্তায় ঈদগাঁওতে যৌথ টহল নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর শক্ত অবস্থান-নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহবান নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে ‘জেলা সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টার’ পোস্টাল ভোট সম্পন্ন: কক্সবাজার–৩ এ সবচেয়ে বেশি ভোটগ্রহণ ঝিলংজায় অগ্নিকাণ্ডে তিন বসতঘর ভস্মীভূত নির্বাচনে যেকোনও অস্ত্রই থ্রেট: আইজিপি ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও দুই ঘণ্টা পরপর ভোটের হার জানাবে ইসি ভোট দেবেন যেভাবে, যেসব তথ্য জানতে হবে সরকারের সবুজ সংকেত, ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান শেষ রাতে ওস্তাদের মার, নাকি ‘পাল্লা’ ভারী হচ্ছে এবার?

সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক!

পেকুয়ায় এক সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

বুধবার পেকুয়া সদরের পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি কয়েকমাস আগে পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকার সুবাদে সহকারি শিক্ষিকা শিপু রানী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত মাস তিনেক আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। তখন থেকে তিনি নানা কারণে শিপু রানীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পাসওয়ার্ড নিয়ে তর্কে জড়ান দুজন৷ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক মিজান দু’হাত দিয়ে শিপু রানীর গলা টিপে ধরেন৷ পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক মিজান।

ভুক্তভোগী শিপু রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়নি আমার সাথে। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে ওনি কিভাবে আমার গলা টিপে ধরলেন এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ। বিদ্যালয়ের
প্রত্যেকটা শিক্ষক ঘটনাটা দেখেছেন৷

ঘটনাটি মিথ্যে দাবী করে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি মাস তিনেক আগেই এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ওনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু আমি যোগদান করার পরেও আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ায় একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গলা টিপে ধরার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক দুজনের মধ্যে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনার পর দুজনকে ডেকেছি। তবে গলা টিপে ধরার বিষয়টা আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই

This will close in 6 seconds

সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক!

আপডেট সময় : ০৪:১৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় এক সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

বুধবার পেকুয়া সদরের পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি কয়েকমাস আগে পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকার সুবাদে সহকারি শিক্ষিকা শিপু রানী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত মাস তিনেক আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। তখন থেকে তিনি নানা কারণে শিপু রানীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পাসওয়ার্ড নিয়ে তর্কে জড়ান দুজন৷ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক মিজান দু’হাত দিয়ে শিপু রানীর গলা টিপে ধরেন৷ পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক মিজান।

ভুক্তভোগী শিপু রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়নি আমার সাথে। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে ওনি কিভাবে আমার গলা টিপে ধরলেন এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ। বিদ্যালয়ের
প্রত্যেকটা শিক্ষক ঘটনাটা দেখেছেন৷

ঘটনাটি মিথ্যে দাবী করে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি মাস তিনেক আগেই এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ওনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু আমি যোগদান করার পরেও আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ায় একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গলা টিপে ধরার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক দুজনের মধ্যে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনার পর দুজনকে ডেকেছি। তবে গলা টিপে ধরার বিষয়টা আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।