ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিপির আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আবু তাহেরের পরিবারকে ১ লক্ষ টাকার সহায়তা দিলেন এমপি কাজল অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিরুকে হয়রানির প্রচেষ্টা ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তার: ক্র্যাকের নিন্দা কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা ​ঢাবিতে ‘ডুসাট’-এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাহরির সময় প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা ‘ডিজিটাল ডিভাইসে’ নকল প্রতিরোধে আইন হবে: শিক্ষামন্ত্রী ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের মুগ্ধতার লড়াই টেকনাফে অর্ধ লক্ষ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার অভিনন্দন সংবলিত বিলবোর্ড-ব্যানার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টিটিএনে প্রচারিত ভিডিও প্রসঙ্গে আজম সরকারের বিবৃতি বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আজ: কখন, কীভাবে দেখবেন? ইরানের সরাসরি হামলায় কুয়েতে ৬ মার্কিন সেনা নিহত

সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক!

পেকুয়ায় এক সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

বুধবার পেকুয়া সদরের পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি কয়েকমাস আগে পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকার সুবাদে সহকারি শিক্ষিকা শিপু রানী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত মাস তিনেক আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। তখন থেকে তিনি নানা কারণে শিপু রানীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পাসওয়ার্ড নিয়ে তর্কে জড়ান দুজন৷ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক মিজান দু’হাত দিয়ে শিপু রানীর গলা টিপে ধরেন৷ পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক মিজান।

ভুক্তভোগী শিপু রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়নি আমার সাথে। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে ওনি কিভাবে আমার গলা টিপে ধরলেন এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ। বিদ্যালয়ের
প্রত্যেকটা শিক্ষক ঘটনাটা দেখেছেন৷

ঘটনাটি মিথ্যে দাবী করে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি মাস তিনেক আগেই এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ওনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু আমি যোগদান করার পরেও আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ায় একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গলা টিপে ধরার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক দুজনের মধ্যে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনার পর দুজনকে ডেকেছি। তবে গলা টিপে ধরার বিষয়টা আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনসিপির আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব

সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক!

আপডেট সময় : ০৪:১৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় এক সহকারী শিক্ষিকার গলা টিপে ধরলেন একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

বুধবার পেকুয়া সদরের পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান। তিনি কয়েকমাস আগে পূর্ব গোঁয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন।

ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকার সুবাদে সহকারি শিক্ষিকা শিপু রানী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। গত মাস তিনেক আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। তখন থেকে তিনি নানা কারণে শিপু রানীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান ৷ এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পাসওয়ার্ড নিয়ে তর্কে জড়ান দুজন৷ তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক মিজান দু’হাত দিয়ে শিপু রানীর গলা টিপে ধরেন৷ পরে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকগণ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। কৌশলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন প্রধান শিক্ষক মিজান।

ভুক্তভোগী শিপু রানী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে এই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিও হয়নি আমার সাথে। একজন প্রধান শিক্ষক হয়ে ওনি কিভাবে আমার গলা টিপে ধরলেন এটা খুবই জঘন্য একটা কাজ। বিদ্যালয়ের
প্রত্যেকটা শিক্ষক ঘটনাটা দেখেছেন৷

ঘটনাটি মিথ্যে দাবী করে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, আমি মাস তিনেক আগেই এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ওনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। কিন্তু আমি যোগদান করার পরেও আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ায় একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। গলা টিপে ধরার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

পেকুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ বোস বলেন, প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষক দুজনের মধ্যে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমি বিষয়টি শুনার পর দুজনকে ডেকেছি। তবে গলা টিপে ধরার বিষয়টা আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।