ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯ চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই কক্সবাজারের ডিককুলে যৌথবাহিনীর অভিযান: অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক ১ বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার দুই প্রার্থীর পক্ষ নেওয়া চার ‘আলোচিত’ নামে তোলপাড় ভোটের সমীকরণ! ​নির্বাচনী নিরাপত্তায় ঈদগাঁওতে যৌথ টহল নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর শক্ত অবস্থান-নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহবান নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে ‘জেলা সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টার’ পোস্টাল ভোট সম্পন্ন: কক্সবাজার–৩ এ সবচেয়ে বেশি ভোটগ্রহণ

রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে কানাডা

কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন উত্তর আমেরিকার প্রসিদ্ধ দেশ কানাডা’র সংসদের একটি প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান নিজের কার্যালয়ে সংসদীয় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলে চারজন কানাডিয়ান সংসদ সদস্য এবং হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই)-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রতিনিধিদলের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, মানবিক সমন্বয় এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সংসদ সদস্যরা  বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজারের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় কানাডার অব্যাহত অংশগ্রহণ এবং সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কানাডার সমর্থন আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করছে।”

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের হোস্টিং এবং সহায়তা প্রদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার প্রশংসার পাশাপাশি  ভবিষ্যতে এই
আরও সমন্বিত সহযোগিতা বাড়ানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সফরের অংশ হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক সংস্থা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয় , “বাংলাদেশের ভীষণ চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দায়িত্বশীল ও সুসংগঠিত মানবিক প্রতিক্রিয়ার এক অনন্য উদাহরণ এখানে আমরা দেখেছি। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে চাই।”

কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।

আরআরআরসি এই প্রক্রিয়ায় সরকারের সমন্বয়, নীতি নির্ধারণ ও তহবিল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ

This will close in 6 seconds

রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে কানাডা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন উত্তর আমেরিকার প্রসিদ্ধ দেশ কানাডা’র সংসদের একটি প্রতিনিধি দল।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান নিজের কার্যালয়ে সংসদীয় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানান।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিনিধিদলে চারজন কানাডিয়ান সংসদ সদস্য এবং হিউম্যান কনসার্ন ইন্টারন্যাশনাল (এইচসিআই)-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রতিনিধিদলের সাথে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, মানবিক সমন্বয় এবং তহবিল সংগ্রহ ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা অব্যাহত রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, কানাডার সংসদ সদস্যরা  বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কক্সবাজারের মানবিক প্রতিক্রিয়ায় কানাডার অব্যাহত অংশগ্রহণ এবং সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কানাডার সমর্থন আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করছে।”

প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গাদের হোস্টিং এবং সহায়তা প্রদানের দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টার প্রশংসার পাশাপাশি  ভবিষ্যতে এই
আরও সমন্বিত সহযোগিতা বাড়ানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করেছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

সফরের অংশ হিসেবে তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও মানবিক সংস্থা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন।

প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয় , “বাংলাদেশের ভীষণ চাপের মধ্যে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য দায়িত্বশীল ও সুসংগঠিত মানবিক প্রতিক্রিয়ার এক অনন্য উদাহরণ এখানে আমরা দেখেছি। আমরা এই উদ্যোগকে সমর্থন করতে চাই।”

কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করছে।

আরআরআরসি এই প্রক্রিয়ায় সরকারের সমন্বয়, নীতি নির্ধারণ ও তহবিল ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।