ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯ চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই কক্সবাজারের ডিককুলে যৌথবাহিনীর অভিযান: অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী আটক ১ বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন মেনে নেওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার দুই প্রার্থীর পক্ষ নেওয়া চার ‘আলোচিত’ নামে তোলপাড় ভোটের সমীকরণ! ​নির্বাচনী নিরাপত্তায় ঈদগাঁওতে যৌথ টহল নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর শক্ত অবস্থান-নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহবান নির্বাচন ঘিরে কক্সবাজারে ‘জেলা সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টার’ পোস্টাল ভোট সম্পন্ন: কক্সবাজার–৩ এ সবচেয়ে বেশি ভোটগ্রহণ ঝিলংজায় অগ্নিকাণ্ডে তিন বসতঘর ভস্মীভূত নির্বাচনে যেকোনও অস্ত্রই থ্রেট: আইজিপি ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও দুই ঘণ্টা পরপর ভোটের হার জানাবে ইসি ভোট দেবেন যেভাবে, যেসব তথ্য জানতে হবে সরকারের সবুজ সংকেত, ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান

রোজার নিয়ত করতে ভুলে গেছেন? কতোক্ষণ পর্যন্ত করা যাবে

যেকোনো ইবাদতের জন্য নিয়ত করা জরুরি। নিয়ত ছাড়া কোনো ইবাদত কবুল করবেন না আল্লাহ তায়ালা। এক হাদিসে রাসূল সা. বলেছেন, প্রত্যেক আমল নিয়েতের ওপর নির্ভর করে। অন্য সব ইবাদতের মতো রমজান মাসে রোজা রাখার জন্য নিয়ত করতে হবে।

আমাদের দেশে রোজা রাখার জন্য আরবিতে একটি দোয়া পড়া হয়। অনেকে মনে করেন এই দোয়াটি না পড়লে রোজার নিয়ত হবে না। তবে আলেমদের মতে, বাংলায় মনে মনে নিয়ত করলেই হয়ে যাবে। আবার অনেকের মতে রোজা রাখার জন্য শেষ রাতে সাহরি খেতে উঠা এবং সাহরি খাওয়ার মাধ্যমেই রোজার নিয়ত হয়ে যায়।

কেউ যদি সেহরির সময় রোজার নিয়ত করতে ভুলে যায়, তাহলে তিনি কতক্ষণ পর্যন্ত রোজার নিয়ত করতে পারবেন?

এ বিষয়ে ইসলামী আইন ও ফেকাহশাস্ত্রবিদদের মতামত হলো—

সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখার সময়সীমা। ফরজ রোজার নিয়ত করার সময়সীমা হল, দিনের মধ্যভাগ পর্যন্ত। অর্থাৎ দিনের মধ্যভাগের আগ পর্যন্ত নিয়ত করলে তা শুদ্ধ হবে।

আলেমরা বলেন, আরবি দিনের সূচনা হয় সুবহে সাদিক থেকে। তাই সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যতটুকু সময় হয়, এর মাঝামাঝি সময়ের আগে রোজার নিয়ত করলেই রোযা রাখা শুদ্ধ হবে।

যেমন যদি সাহরির সময় তথা সুবহে সাদিক শুরু হয় ৫টায়। আর সূর্যাস্ত হয় সন্ধ্যা ৭টায়। তাহলে একদিন হবে ১৪ঘণ্টায়।

তাই সুবহে সাদিক থেকে ৭ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার আগে রোজার নিয়ত করতে হবে। কেউ সুবহে সাদিকের সময় রোজার নিয়ত করতে ভুলে গেলে এই সময়ের আগে নিয়ত করলে রোজা রাখা শুদ্ধ হয়ে যাবে।

অর্থাৎ, এই হিসাব মতে দুপুর ১২টার আগে রোজার নিয়ত করলে সেদিনের রোজা রাখা শুদ্ধ হবে। যদি এর পর নিয়ত করে তাহলে শুদ্ধ হবে না। (ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া, ১/১৯৫)

সুত্র: ঢাকা

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯

This will close in 6 seconds

রোজার নিয়ত করতে ভুলে গেছেন? কতোক্ষণ পর্যন্ত করা যাবে

আপডেট সময় : ১০:৫১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

যেকোনো ইবাদতের জন্য নিয়ত করা জরুরি। নিয়ত ছাড়া কোনো ইবাদত কবুল করবেন না আল্লাহ তায়ালা। এক হাদিসে রাসূল সা. বলেছেন, প্রত্যেক আমল নিয়েতের ওপর নির্ভর করে। অন্য সব ইবাদতের মতো রমজান মাসে রোজা রাখার জন্য নিয়ত করতে হবে।

আমাদের দেশে রোজা রাখার জন্য আরবিতে একটি দোয়া পড়া হয়। অনেকে মনে করেন এই দোয়াটি না পড়লে রোজার নিয়ত হবে না। তবে আলেমদের মতে, বাংলায় মনে মনে নিয়ত করলেই হয়ে যাবে। আবার অনেকের মতে রোজা রাখার জন্য শেষ রাতে সাহরি খেতে উঠা এবং সাহরি খাওয়ার মাধ্যমেই রোজার নিয়ত হয়ে যায়।

কেউ যদি সেহরির সময় রোজার নিয়ত করতে ভুলে যায়, তাহলে তিনি কতক্ষণ পর্যন্ত রোজার নিয়ত করতে পারবেন?

এ বিষয়ে ইসলামী আইন ও ফেকাহশাস্ত্রবিদদের মতামত হলো—

সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখার সময়সীমা। ফরজ রোজার নিয়ত করার সময়সীমা হল, দিনের মধ্যভাগ পর্যন্ত। অর্থাৎ দিনের মধ্যভাগের আগ পর্যন্ত নিয়ত করলে তা শুদ্ধ হবে।

আলেমরা বলেন, আরবি দিনের সূচনা হয় সুবহে সাদিক থেকে। তাই সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত যতটুকু সময় হয়, এর মাঝামাঝি সময়ের আগে রোজার নিয়ত করলেই রোযা রাখা শুদ্ধ হবে।

যেমন যদি সাহরির সময় তথা সুবহে সাদিক শুরু হয় ৫টায়। আর সূর্যাস্ত হয় সন্ধ্যা ৭টায়। তাহলে একদিন হবে ১৪ঘণ্টায়।

তাই সুবহে সাদিক থেকে ৭ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার আগে রোজার নিয়ত করতে হবে। কেউ সুবহে সাদিকের সময় রোজার নিয়ত করতে ভুলে গেলে এই সময়ের আগে নিয়ত করলে রোজা রাখা শুদ্ধ হয়ে যাবে।

অর্থাৎ, এই হিসাব মতে দুপুর ১২টার আগে রোজার নিয়ত করলে সেদিনের রোজা রাখা শুদ্ধ হবে। যদি এর পর নিয়ত করে তাহলে শুদ্ধ হবে না। (ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া, ১/১৯৫)

সুত্র: ঢাকা