ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গর্জনিয়ায় মোটরসাইকেল চালক সমিতির ইফতার মাহফিল চকরিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণ : উড়ে গেল কাঠুরিয়ার পা ভিন্ন আবহে আরেকটি ৭ মার্চ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজারের আহবায়ক কমিটি গঠিত – আহবায়ক: মোজাম্মেল হক, সদস্য সচিব: আরোজ ফারুক ‘আমার মত অনেক মেয়ে আপেল মাহমুদের কাছে নির্যাতিত’ -লাইলা পরী পেকুয়ায় মা–মেয়ের এক মাসের কারাদণ্ডের অন্তরালে “নব্য জাহেলিয়াত থেকে মুক্তির জন্য ইসলামী অনুশাসনের বিকল্প নেই – আনোয়ারী সিবিআইইউতে বিবিএ ডিপার্টমেন্টের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা বেঁধে দিল বিপিসি রামুতে সরঞ্জাম ও জাল টাকাসহ যুবক আটক সাগরপাড়ে প্রশান্তির ইফতার রত্নগর্ভা রিজিয়া আহমেদ স্মরণে ফেইম ফাউন্ডেশনের ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ ইফতারে দই-চিড়া কেন খাবেন? আরকান আর্মির হাতে আটক তিন বাংলাদেশিকে ফেরত আনল বিজিবি

রামুতে ট্রেন দুর্ঘটনা: বেঁচে আছে ‘আতাউল্লাহ’, পথিমধ্যে মা নামিয়ে দেন মাদরাসায়

কক্সবাজারের রামুতে ট্রেন-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নয় নিহত হয়েছে চারজন।

‘আতা উল্লাহ’ নামে এক শিশুর মৃত্যু’র খবর সংবাদে প্রকাশ পেলেও রাতে শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে তার বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তৈয়বুর রহমান জানিয়েছেন , ‘ নিহত যাত্রীদের পরিবার জানতো চালক ছাড়াও তাদের ৪ সদস্য সিএনজিতে ছিলো, খন্ড-বিখন্ড মরদেহগুলো দেখে সবাই মারা গেছে ভাবা হয়েছিলো।’

কিন্তু ৯ বছর বয়সী আতাউল্লাহ’কে তার মা আসমা আরা পথিমধ্যে ঘোনারপাড়ার এলাকার একটি মাদরাসায় নামিয়ে দেয় এবং বিকেলে সে বাড়ি ফিরে আসে বলে পরিবারের বরাত দিয়ে জানান তৈয়বুর রহমান।

শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে রামুর রশিদনগরে ঘটা এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান, আতাউল্লাহ’র মা আসমা আরা (৩৫), তার ভাই আশেক উল্লাহ (৬), খালা রেণু আরা (৪০) ও সিএনজি চালক হাবিব উল্লাহ (৪৫)।

দুর্ঘটনায় কবলিত সিএনজিটি কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী থেকে রামু যাচ্ছিল।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি গন্তব্যে চলে গেলেও রামুর পানিরছড়া এলাকায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস প্রায় তিন ঘন্টা আটকে রাখে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।

এসময় রামুর স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবী তোলে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে র‍্যাব পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে দেন স্থানীয়রা।

দুর্ঘটনার পর ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ে দপ্তর।

ট্যাগ :
আপলোডকারীর তথ্য

Mohammad Noman

মোহাম্মেদ নোমান কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার একজন তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিক। তিনি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিটিএন কক্সবাজার এর মাধ্যমে সাংবাদিকতায় যুক্ত হয়ে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন করে পরিচিতি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি অনলাইন এর টেকনাফ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিকতার মাধ্যমে সীমান্তাঞ্চল টেকনাফের জনজীবন, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মানবিক বিষয়গুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। সততা, দায়িত্ববোধ ও মাঠভিত্তিক অনুসন্ধানী কাজের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকতায় একটি সম্ভাবনাময় নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে এগিয়ে চলেছেন।

গর্জনিয়ায় মোটরসাইকেল চালক সমিতির ইফতার মাহফিল

রামুতে ট্রেন দুর্ঘটনা: বেঁচে আছে ‘আতাউল্লাহ’, পথিমধ্যে মা নামিয়ে দেন মাদরাসায়

আপডেট সময় : ১০:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

কক্সবাজারের রামুতে ট্রেন-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নয় নিহত হয়েছে চারজন।

‘আতা উল্লাহ’ নামে এক শিশুর মৃত্যু’র খবর সংবাদে প্রকাশ পেলেও রাতে শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে তার বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তৈয়বুর রহমান জানিয়েছেন , ‘ নিহত যাত্রীদের পরিবার জানতো চালক ছাড়াও তাদের ৪ সদস্য সিএনজিতে ছিলো, খন্ড-বিখন্ড মরদেহগুলো দেখে সবাই মারা গেছে ভাবা হয়েছিলো।’

কিন্তু ৯ বছর বয়সী আতাউল্লাহ’কে তার মা আসমা আরা পথিমধ্যে ঘোনারপাড়ার এলাকার একটি মাদরাসায় নামিয়ে দেয় এবং বিকেলে সে বাড়ি ফিরে আসে বলে পরিবারের বরাত দিয়ে জানান তৈয়বুর রহমান।

শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে রামুর রশিদনগরে ঘটা এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান, আতাউল্লাহ’র মা আসমা আরা (৩৫), তার ভাই আশেক উল্লাহ (৬), খালা রেণু আরা (৪০) ও সিএনজি চালক হাবিব উল্লাহ (৪৫)।

দুর্ঘটনায় কবলিত সিএনজিটি কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী থেকে রামু যাচ্ছিল।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি গন্তব্যে চলে গেলেও রামুর পানিরছড়া এলাকায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস প্রায় তিন ঘন্টা আটকে রাখে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।

এসময় রামুর স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবী তোলে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে র‍্যাব পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে দেন স্থানীয়রা।

দুর্ঘটনার পর ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ে দপ্তর।