ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পোকখালীতে চিংড়ি ঘেরের কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে মালিক নিহত : আটক-২ ক্যামজা-র ১৪তম বার্ষিক মিলনমেলা ও আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন। সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ার গুঞ্জন, যা জানা গেল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথগুলো চিরতরে বন্ধ হবে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ দুই নারী প্রধানমন্ত্রীর ৩৬ বছরে নারীর ক্ষমতায়ন কতটা? এক হাসিনায় আটকে থাকবে না ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: ফখরুল বিজিবি’র ৫ পৃথক অভিযান,ইয়াবাসহ আটক ৫ বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ নাফ নদীতে আটক ৭৩ বাংলাদেশী জেলের মুক্তি ও হস্তান্তর অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিলেন শাহজাহান চৌধুরী—জিরো টলারেন্স ঘোষণা। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ অবশেষে জুলাই সনদে সই করছে এনসিপি ছায়া সংসদ কী, কীভাবে কাজ করে

যুদ্ধের পর প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো শিবির!

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 291

মুক্তিযুদ্ধের পর এই প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের নেতারা। সূত্রমতে, এবারই প্রথম শিবিরের কোনো নেতাকর্মী একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো।

এর আগে ডাকসুর নেতারা শ্রদ্ধা জানান -২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবরে। এসময় নেতারা জানান, ৭১ এবং ২৪ -এর শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে এগিয়ে যেতে চান তারা।

এসময় সদ্য নির্বাচিত ডাকসু ভিপি সাদিক কায়ম জানান, যেভাবে জুলাইয়ে কাজ করেছেন সেভাবেই ঢাবি থেকে গণতান্ত্রিক বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দিতে চান তারা।

তিনি বলেন, শহীদরা আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তাদের আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্যে চেষ্টা করে যাবে নতুন কমিটি।

ডাকসু জিএস এহসান ফরহাদ এসময় বলেন, বিজয়টা ছাত্র শিবিরের বিজয় না, শিক্ষার্থীদের বিজয়। শিক্ষার্থীদের জন্যে কাজ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

হিজাব নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া গুজব ছড়াচ্ছে বলেও জানান ডাকসু নেতারা।

প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের পর রায়েরবাজারের প্রথম পরিচিতি ছিলো বধ্যভূমি হিসেবে। যেখানে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ আবিষ্কৃত হয়েছিলো। এই স্থানে পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়, যা ১৯৯৬-১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৪ ডিসেম্বর রায়েরবাজারের একটি নিচু এলাকায় হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই স্থানটি বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের গণহত্যার একটি ভয়াবহ প্রতীক।

এই ঐতিহাসিক বধ্যভূমির স্মৃতি রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে তা সম্পন্ন হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পোকখালীতে চিংড়ি ঘেরের কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে মালিক নিহত : আটক-২

This will close in 6 seconds

যুদ্ধের পর প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো শিবির!

আপডেট সময় : ১২:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধের পর এই প্রথম রায়েরবাজারে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের নেতারা। সূত্রমতে, এবারই প্রথম শিবিরের কোনো নেতাকর্মী একাত্তরের শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো।

এর আগে ডাকসুর নেতারা শ্রদ্ধা জানান -২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবরে। এসময় নেতারা জানান, ৭১ এবং ২৪ -এর শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে এগিয়ে যেতে চান তারা।

এসময় সদ্য নির্বাচিত ডাকসু ভিপি সাদিক কায়ম জানান, যেভাবে জুলাইয়ে কাজ করেছেন সেভাবেই ঢাবি থেকে গণতান্ত্রিক বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দিতে চান তারা।

তিনি বলেন, শহীদরা আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তাদের আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্যে চেষ্টা করে যাবে নতুন কমিটি।

ডাকসু জিএস এহসান ফরহাদ এসময় বলেন, বিজয়টা ছাত্র শিবিরের বিজয় না, শিক্ষার্থীদের বিজয়। শিক্ষার্থীদের জন্যে কাজ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

হিজাব নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া গুজব ছড়াচ্ছে বলেও জানান ডাকসু নেতারা।

প্রসঙ্গত, মুক্তিযুদ্ধের পর রায়েরবাজারের প্রথম পরিচিতি ছিলো বধ্যভূমি হিসেবে। যেখানে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মরদেহ আবিষ্কৃত হয়েছিলো। এই স্থানে পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়, যা ১৯৯৬-১৯৯৯ সালে তৈরি করা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৪ ডিসেম্বর রায়েরবাজারের একটি নিচু এলাকায় হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই স্থানটি বুদ্ধিজীবীদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের গণহত্যার একটি ভয়াবহ প্রতীক।

এই ঐতিহাসিক বধ্যভূমির স্মৃতি রক্ষার জন্য ১৯৯৬ সালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৯৯ সালে তা সম্পন্ন হয়।