ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোজার ধর্মীয় গুরুত্ব রামুতে পুলিশের অভিযান: ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক নারী সীমান্তে মাদককারবারির সাথে বিজিবির গুলি বিনিময়: পৌনে ১০ লাখ ইয়াবা উদ্ধার শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে ‘মব কালচার শেষ’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফুটবলার মেসুত ওজিল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পুত্র বিলাল কক্সবাজার আসছেন বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের আকাশে দেখা গেলো রমজানের চাঁদ : রোজা শুরু বৃহস্পতিবার উখিয়ায় ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হলো কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের অফিস সাগরে পথে সিমেন্ট পাচারকালে আটক ১১ ভাই সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক ছাত্রদল নেতা এনামের খোলা চিঠি অটোরিকশা থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেড় কিলোমিটার ধাওয়া করে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

  • টিটিএন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 109

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজসিক অভ্যর্থনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

বুধবার দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টারমাকে স্পর্শ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২। ওই বিমানে করেই দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

এর আগে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রায় দেড় যুগের বিচ্ছেদের অবসান ঘটিয়ে দৃপ্ত পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। আবেগ সংবরণ করে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন তিনি। একপর্যায়ে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘোষণা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসেন তারেক রহমান। এ সময় হাত নেড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। চারপাশ জুড়ে ওঠে স্লোগান আর ফুলেল ভালোবাসার জোয়ার।

পরবর্তীতে তিনি ৩০০ ফিট এলাকায় স্থাপিত সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান। লাখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চে উঠে দৃপ্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার দেশের মানুষের ভালোর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে”

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ ও ২০২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করে আমরা একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দিনের সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করছেন, তার দেশে ফেরা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোজার ধর্মীয় গুরুত্ব

This will close in 6 seconds

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান: প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজসিক অভ্যর্থনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ।

বুধবার দুপুর ১১টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টারমাকে স্পর্শ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০২। ওই বিমানে করেই দেশে ফেরেন তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

এর আগে বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রায় দেড় যুগের বিচ্ছেদের অবসান ঘটিয়ে দৃপ্ত পায়ে মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান। আবেগ সংবরণ করে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও আলিঙ্গন করেন তিনি। একপর্যায়ে খালি পায়ে দেশের মাটি স্পর্শ করে নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘোষণা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসেন তারেক রহমান। এ সময় হাত নেড়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিবাদনের জবাব দেন তিনি। চারপাশ জুড়ে ওঠে স্লোগান আর ফুলেল ভালোবাসার জোয়ার।

পরবর্তীতে তিনি ৩০০ ফিট এলাকায় স্থাপিত সংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান। লাখো মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মঞ্চে উঠে দৃপ্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার দেশের মানুষের ভালোর জন্য আমার পরিকল্পনা আছে”

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, “১৯৭১ ও ২০২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করে আমরা একটি প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “যে কোনো মূল্যে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”

সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে, যেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনকে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দিনের সূচনা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। তারা মনে করছেন, তার দেশে ফেরা আগামী দিনের রাজনৈতিক গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।