ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার -০৩: সদর-রামু-ঈদগাঁওর ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার-০২: মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি কক্সবাজার ০১- : চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলায় ভোটার কতো, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কক্সবাজারে ক্র্যাকের ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন? কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত গুলশানে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে নারীদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে সম্মুখ সারির ৬জুলাই যোদ্ধার ছাত্রদলে যোগদান ​কক্সবাজার-৩ আসনে জগদীশ বড়ুয়ার সমর্থন প্রত্যাহার করলো লেবার পার্টি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মী কেন্দ্রে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে নির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট পেপার ৪ টি আসনে কেন্দ্র ৫৯৮,কক্ষ ৩,৬৮৯, পোলিং প্রিসাইডিং ১২,২৫১,আইনশৃঙ্খলা সদস্য ১৩,৪৯৯

বিজ্ঞাপনী সংস্থা কক্স এ্যাড ও ফাহিম এ্যাড এর মালিক আবছার,হারুন ও জাহেদ এর বিরুদ্ব্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ

অদ্য ৪টা ফেব্রুয়ারী ২০২৫ইং বিভিন্ন দৈনিক ও টিভি নিউজে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে কক্স এ্যাড ও ফাহিম এ্যাড এর মালিক আবছার,হারুন ও জাহেদ এর বিরুদ্ব্যে ভাংচুর ও চাঁদাবাজির যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, উদ্ব্যেশ্য প্রণোদিত, মানহানিকর ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক।

আমরা উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ নি¤েœ প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ্য পূর্বক উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত ঘটনা: কক্স এ্যাড ও ফাহিম এ্যাড কক্সবাজার তথা সমগ্র বাংলাদেশের একটি সুনামধন্য বিজ্ঞাপনি সংস্থা। দীর্ঘ ২৫ বছর যাবৎ উক্ত প্রতিষ্ঠানদ্বয় সুনামের সাথে সরকারী বিধিবিধান মান্যকরিয়া বিজ্ঞাপন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী নওফেল এর আত্মীয় পরিচয় দিয়ে কর্পোরেট এর মালিক আনোয়ার হোসেন সাবেক পৌর মেয়র ও কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান,সাবেক কাউন্সিলর সালাউদ্দিন সেতু,মুজিব চেয়ারম্যান এর পিএস খ্যাত শ্রমীক লীগনেতা রানাসহ একটি বিশাল সিন্ডিকেট তৈরি করে আমাদের বৈধ বিজ্ঞাপনী ব্যবসা থেকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে সাবেক পৌর মেয়র শপথ গ্রহনের এক মাসের মধ্যে কক্সবাজার পৌর এলাকায় ভাস্কর্য,ফুয়ারা,মৌরাল,যাত্রীছাউনি ও বিভিন্ন কার্যক্রম করার জন্য একটি চুক্তি সম্পাদন করে। আনোয়ার সংবাদ পত্রে উল্ল্যেখ করেছে বীচ ম্যানেজম্যান্ট কমিটি থেকে অনুমতি গ্রহন করেছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর হতে ঐ সিন্ডিকেট অবিরত ভাবে আমাদেরকে উৎখাত করার জন্য হুমকি প্রদান করতে থাকে। এক পর্যায়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের নামে অনুমোদিত কক্সবাজার বাসটার্মিনাল ব্রান্ডিং এবং কলাতলী,সুগন্ধা.সীগাল ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রোডে আমাদের স্থাপিত বিবিধ বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ড রাতারাতি দখল করে নেয়। আমরা আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শের হওয়ায় বিভিন্ন প্রকার জোর জুলুম হয়রানির শিকার হই। যার কারন বশত বিগত সরকারের আমলে এই ’কর্পোরেট” এর মালিক দুষ্কৃতকারী আনোয়ারের মাধ্যমে আমরা প্রায় কয়েক কোটি টাকার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হই।
উল্লেখ্য যে,পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কর্পোরেট নামক প্রতিষ্ঠানটি অবৈধভাবে অনুমতি প্রাপ্ত হলেও অদ্যবদি কোন ওয়ার্ডে কোন প্রকার সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করেনি।শুধু ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে অথর্ লোভী আনোয়ার আমাদের প্রতিষ্ঠানের নামে বৈধ অনুমোদিত স্থাপনার উপর ফ্যাসিবাদী সরকারের অবৈধ ক্ষমতার দাপনে তার বিজ্ঞাপন ও আওয়ামী সরকারের বিবিধ প্রচারনায় লিপ্ত থাকে। এই আনোয়ার বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বিরোধি মতাদর্শের রাজনৈতিক কর্মসূচী ভুন্ডুল করার জন্য সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী নওফেল ও সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমানের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে সুপরিচিত ছিল এবং এই বিচক্ষণ কৌশলী দুষ্কৃতিকারী সুবিধাভোগী আনোয়ার মুজিব চেয়াম্যানের বাসায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন এবং সাবেক মেয়রকে মামা হিসাবে পরিচয় দিতেন ও প্রায় সময় তাহাকে মেয়রের গাড়িতে একসাথে দেখা যেত। সে ছিল বিগত আওয়ামী আমলের ঠান্ডা মাথার একজন দুষ্কৃতকারী সুবিধাভোগী। তার বিরুদ্ব্যে মানহানী ও সম্পদ নষ্ঠ করা সহ যথাযত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রক্রিয়া চলছে।
সংবাদের প্রতিবাদ প্রেরক
আবছার উদ্দিন হারুন অর রশিদ জাহেদুল আনোয়ার

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি?

This will close in 6 seconds

বিজ্ঞাপনী সংস্থা কক্স এ্যাড ও ফাহিম এ্যাড এর মালিক আবছার,হারুন ও জাহেদ এর বিরুদ্ব্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০২:৩৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

অদ্য ৪টা ফেব্রুয়ারী ২০২৫ইং বিভিন্ন দৈনিক ও টিভি নিউজে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে কক্স এ্যাড ও ফাহিম এ্যাড এর মালিক আবছার,হারুন ও জাহেদ এর বিরুদ্ব্যে ভাংচুর ও চাঁদাবাজির যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, উদ্ব্যেশ্য প্রণোদিত, মানহানিকর ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক।

আমরা উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ নি¤েœ প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ্য পূর্বক উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত ঘটনা: কক্স এ্যাড ও ফাহিম এ্যাড কক্সবাজার তথা সমগ্র বাংলাদেশের একটি সুনামধন্য বিজ্ঞাপনি সংস্থা। দীর্ঘ ২৫ বছর যাবৎ উক্ত প্রতিষ্ঠানদ্বয় সুনামের সাথে সরকারী বিধিবিধান মান্যকরিয়া বিজ্ঞাপন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী নওফেল এর আত্মীয় পরিচয় দিয়ে কর্পোরেট এর মালিক আনোয়ার হোসেন সাবেক পৌর মেয়র ও কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান,সাবেক কাউন্সিলর সালাউদ্দিন সেতু,মুজিব চেয়ারম্যান এর পিএস খ্যাত শ্রমীক লীগনেতা রানাসহ একটি বিশাল সিন্ডিকেট তৈরি করে আমাদের বৈধ বিজ্ঞাপনী ব্যবসা থেকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে সাবেক পৌর মেয়র শপথ গ্রহনের এক মাসের মধ্যে কক্সবাজার পৌর এলাকায় ভাস্কর্য,ফুয়ারা,মৌরাল,যাত্রীছাউনি ও বিভিন্ন কার্যক্রম করার জন্য একটি চুক্তি সম্পাদন করে। আনোয়ার সংবাদ পত্রে উল্ল্যেখ করেছে বীচ ম্যানেজম্যান্ট কমিটি থেকে অনুমতি গ্রহন করেছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর হতে ঐ সিন্ডিকেট অবিরত ভাবে আমাদেরকে উৎখাত করার জন্য হুমকি প্রদান করতে থাকে। এক পর্যায়ে আমাদের প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের নামে অনুমোদিত কক্সবাজার বাসটার্মিনাল ব্রান্ডিং এবং কলাতলী,সুগন্ধা.সীগাল ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রোডে আমাদের স্থাপিত বিবিধ বিজ্ঞাপনী বিলবোর্ড রাতারাতি দখল করে নেয়। আমরা আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শের হওয়ায় বিভিন্ন প্রকার জোর জুলুম হয়রানির শিকার হই। যার কারন বশত বিগত সরকারের আমলে এই ’কর্পোরেট” এর মালিক দুষ্কৃতকারী আনোয়ারের মাধ্যমে আমরা প্রায় কয়েক কোটি টাকার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হই।
উল্লেখ্য যে,পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কর্পোরেট নামক প্রতিষ্ঠানটি অবৈধভাবে অনুমতি প্রাপ্ত হলেও অদ্যবদি কোন ওয়ার্ডে কোন প্রকার সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করেনি।শুধু ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে অথর্ লোভী আনোয়ার আমাদের প্রতিষ্ঠানের নামে বৈধ অনুমোদিত স্থাপনার উপর ফ্যাসিবাদী সরকারের অবৈধ ক্ষমতার দাপনে তার বিজ্ঞাপন ও আওয়ামী সরকারের বিবিধ প্রচারনায় লিপ্ত থাকে। এই আনোয়ার বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বিরোধি মতাদর্শের রাজনৈতিক কর্মসূচী ভুন্ডুল করার জন্য সাবেক শিক্ষা মন্ত্রী নওফেল ও সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমানের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে সুপরিচিত ছিল এবং এই বিচক্ষণ কৌশলী দুষ্কৃতিকারী সুবিধাভোগী আনোয়ার মুজিব চেয়াম্যানের বাসায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন এবং সাবেক মেয়রকে মামা হিসাবে পরিচয় দিতেন ও প্রায় সময় তাহাকে মেয়রের গাড়িতে একসাথে দেখা যেত। সে ছিল বিগত আওয়ামী আমলের ঠান্ডা মাথার একজন দুষ্কৃতকারী সুবিধাভোগী। তার বিরুদ্ব্যে মানহানী ও সম্পদ নষ্ঠ করা সহ যথাযত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রক্রিয়া চলছে।
সংবাদের প্রতিবাদ প্রেরক
আবছার উদ্দিন হারুন অর রশিদ জাহেদুল আনোয়ার