সময় তখন বিকেল ৫টা বেজে ২০ মিনিট। শীতের তীব্রতা মনে করিয়ে দিচ্ছে পৌষের মাঝামাঝি সময় চলছে। নীল সমুদ্রের ঢেউ আর কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশের মাঝে সূর্য ধীরে ধীরে রক্তিম আভা ছড়াচ্ছে।দিগন্তজুড়ে লালচে আলো ছড়িয়ে সূর্য শেষবারের মতো বিদায় নিলো। সৈকতে হাজারো পর্যটক নিষেধ সত্বেও আকাশ আতশের আলোয় আলোকিত করে ১২ টা ০১ মিনিটে রাতের গভীর বৃন্ত থেকে ছিড়ে আনলো আরেকটি বছর। ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে মুছে গেলো ২০২৫।
বছরের প্রথম সূর্যোদয়
১ জানুয়ারী ২০২৬। সকাল ৬ টা ৩২। পূবের আকাশে কুয়াশার চাদর থেকে বেরিয়ে এক তপ্ত দিবাকর। নতুন দিন, নতুন বছরের নতুন সূর্যোদয়। শিশির ভেজা স্নিগ্ধ সকালের সমুদ্র সৈকত, ঝিনুক ফোঁটা সাগর বেলা। অগনিত ঢেউ, সফেদ ফেনীল উর্মিমালা যেনো কানে কানে বলে দিয়ে যায় স্বাগতম ২০২৬।
কলাতলী সৈকতের কুয়াশার আবছা আলো মাড়িয়ে বছরের প্রথম সূর্যের আলোকছটা সাগর বুকে জানান দেয়ার মুহুর্তটা অনেকেই ক্যামেরার ক্লিকে বন্দি করে রাখলো।
ঢাকার ধানমন্ডি থেকে আসা পর্যটক রোকসানা আমিন জানান,বছরের শেষ সূর্যাস্ত দেখলাম আর বছরের প্রথম সূর্যোদয়ের স্বাক্ষী হলাম। সৈকতে সূর্যোদয় দেখা যায় না, তবে যখন আলোর কিরণ টা এসে পড়লো তখন ভোরের সৈকতে এক অন্যরকম অনুভূতি।
সিলেট থেকে আসা পর্যটক নয়ন মুন্সি জানালেন,ফজরের নামাজ শেষে সৈকতে এসেছি, কি যে ভালো লাগছে। শীতের হাওয়া, সাগরের গর্জন আর সাথে প্রথম সূর্যোদয়ের আলো যখন এসে পড়লো সৈকতে, এক পবিত্র অনুভূতি। তিনি বলেন,এই ভোরের মতোই নতুন বছর সুন্দরের প্রতিচ্ছবি হবে। আগামীর দিনগুলি সুখের হোক। দেশের মানুষ স্বস্তি আর শান্তির পরশে জড়িয়ে থাকুক। প্রত্যাশার প্রাপ্তি আর সমৃদ্ধির একটি বছর হোক ২০২৬।
আফজারা রিয়া 









