ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হ্নীলা মডেল ফারিয়া’র সভাপতি নির্বাচিত হলেন মোকতার হোসাইন সোহেল নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৫টি আইইডিসহ বিপুল বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার নাকফুল হারালেন পরীমনি! সিটের নিচে ৩০ হাজার ইয়াবা, সিএনজি চালক আটক রামুর বিজিবি কোয়ার্টারে এক নারীর আত্মহত্যা চকরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সহায়তা টেকনাফের নিখোঁজ কিশোরীকে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার করলো র‍্যাব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী কক্সবাজার আসছেন শনিবার টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, মালিক পলাতক শহরে কিস্তির টাকার বিরোধে প্রতিবেশীকে খুন, যুবক আটক রোহিঙ্গা যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মাছ ধরতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে উড়ে গেল রোহিঙ্গা যুবকের পা সংকটে কাজে আসছেনা: মহেশখালীতে তেল খালাস ও পরিবহনে নির্মিত এসপিএম প্রকল্প পড়ে আছে প্রাইভেটকারের তেলের ট্যাংকে ৪২ হাজার ইয়াবা, আটক ৩ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ সরকারের, দু’দেশের যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর

বঙ্গোপসাগর থেকে ৭ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যাওয়া কক্সবাজারের টেকনাফের একটি ট্রলারসহ সাত জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী বোট মালিক সমিতির সভাপতি সাজেদ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টেকনাফ পৌরসভার বাসিন্দা শাওনের মালিকানাধীন একটি ট্রলার সাগরে মাছ শিকারে যায়। এ সময় সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে ধাওয়া করে ট্রলারসহ সাত জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মির। এ ঘটনায় মাছ ধরার ট্রলার মালিক ও জেলেরা আতঙ্কের মধ্য রয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল আরাকান নেটওয়ার্ক জানায়, গত ২৮ অক্টোবর আরাকান আর্মির উপকূলীয় নিরাপত্তা ইউনিট সমুদ্রপথে টহল জোরদার করে। টহলের সময় আরাকান রাজ্যের জলসীমা অতিক্রম করে মাছ ধরতে থাকা কয়েকটি বাংলাদেশি ট্রলার শনাক্ত করা হয়। সেখানে তারা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১৮৮ জন বাংলাদেশি জেলে ও ৩০টি নৌকা আটক করে পরে মুক্তি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিব হাসান চৌধুরী বলেন, একটি ট্রলারসহ সাত জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাচ্ছি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের বিষয়ে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে।

বিজিবি বলছে, গত আট মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদসহ সংলগ্ন এলাকা থেকে কমপক্ষে ৩০০ জেলেকে অপহরণ করে আরাকান আর্মি। এর মধ্যে চলতি বছরের মার্চ থেকে ২৩ আগস্ট মাস পর্যন্ত অপহৃত হন ২০০ জন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহায়তায় এদের মধ্যে প্রায় ২০০ জনকে কয়েক দফায় ফেরত আনা হয়। এখনও ১০০ জেলে আরাকান আর্মির হাতে আটক রয়েছে। যার ফলে অনেক জেলে সাগরে মাছ শিকারে যেতে ভয় পাচ্ছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগর থেকে ৭ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি

আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যাওয়া কক্সবাজারের টেকনাফের একটি ট্রলারসহ সাত জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সদস্যরা।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী বোট মালিক সমিতির সভাপতি সাজেদ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, টেকনাফ পৌরসভার বাসিন্দা শাওনের মালিকানাধীন একটি ট্রলার সাগরে মাছ শিকারে যায়। এ সময় সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে ধাওয়া করে ট্রলারসহ সাত জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মির। এ ঘটনায় মাছ ধরার ট্রলার মালিক ও জেলেরা আতঙ্কের মধ্য রয়েছে।

এদিকে, মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল আরাকান নেটওয়ার্ক জানায়, গত ২৮ অক্টোবর আরাকান আর্মির উপকূলীয় নিরাপত্তা ইউনিট সমুদ্রপথে টহল জোরদার করে। টহলের সময় আরাকান রাজ্যের জলসীমা অতিক্রম করে মাছ ধরতে থাকা কয়েকটি বাংলাদেশি ট্রলার শনাক্ত করা হয়। সেখানে তারা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ১৮৮ জন বাংলাদেশি জেলে ও ৩০টি নৌকা আটক করে পরে মুক্তি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিব হাসান চৌধুরী বলেন, একটি ট্রলারসহ সাত জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাচ্ছি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের বিষয়ে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে।

বিজিবি বলছে, গত আট মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদসহ সংলগ্ন এলাকা থেকে কমপক্ষে ৩০০ জেলেকে অপহরণ করে আরাকান আর্মি। এর মধ্যে চলতি বছরের মার্চ থেকে ২৩ আগস্ট মাস পর্যন্ত অপহৃত হন ২০০ জন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহায়তায় এদের মধ্যে প্রায় ২০০ জনকে কয়েক দফায় ফেরত আনা হয়। এখনও ১০০ জেলে আরাকান আর্মির হাতে আটক রয়েছে। যার ফলে অনেক জেলে সাগরে মাছ শিকারে যেতে ভয় পাচ্ছে।