ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল ও মিষ্টি বিতরণ মাদক উদ্ধারে সদরের ওসি ছমিউদ্দিন পুরস্কৃত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার ১০ উপদেষ্টা নিয়োগ সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মেলবন্ধনে সরকার গঠন, নেতৃত্বে নতুন গতি মাহে রমজানের পবিত্রতা বজায় রাখতে জামায়াত আমিরের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে? তিন বছরে তিন সরকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পাননি বিএনপির যে জ্যেষ্ঠ নেতারা বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর, উপনেতা তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ স্বাধীনতার পর প্রথম পূর্ণ মন্ত্রী পেল কক্সবাজার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শপথ সম্পন্ন মন্ত্রিসভায় থাকছেন ৩ নারী

দেড় লাখ ইয়াবার মালিক শীর্ষ মাদক কারবারি আব্দুর রহিমকে খুঁজছে বিজিবি

কক্সবাজারের উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবসহ মাদক কারবারীকে আটক করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।

উদ্ধার করা ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবার আনুমানিক চার কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, গত ১৩ নভেম্বর রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বালুখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিপি-২৯ এর কাছে নারিকেল বাগান এলাকায় অবস্থান নেয়।

রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে মিয়ানমার দিক থেকে তিনজনকে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকতে দেখে টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এসময় দুইজন পালিয়ে গেলেও একজনকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম মো. সাদেক হোসেন (২০), পিতা— মো. আলম, ঠিকানা— ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প

পালিয়ে যাওয়া দুইজনের একজন স্থানীয় মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য আব্দুর রহিম (৩২) বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবির তালিকায় মোস্ট ওয়ান্টেড রহিম আগে থেকেই দুটি মাদক মামলায় পলাতক।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদেক জানায়, ৯ হাজার টাকা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আব্দুর রহিমের নির্দেশে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা বহনের কাজ করছিল।

এক বিজ্ঞপ্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিএসসি বলেন, “মাদক সরবরাহকারী এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা এবং গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উখিয়া থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারা নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখা, মাদক ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড দমনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।

তাদের নিয়মিত অভিযানে টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে জনগণের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

দেড় লাখ ইয়াবার মালিক শীর্ষ মাদক কারবারি আব্দুর রহিমকে খুঁজছে বিজিবি

আপডেট সময় : ০১:১৬:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবসহ মাদক কারবারীকে আটক করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।

উদ্ধার করা ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবার আনুমানিক চার কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, গত ১৩ নভেম্বর রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বালুখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিপি-২৯ এর কাছে নারিকেল বাগান এলাকায় অবস্থান নেয়।

রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে মিয়ানমার দিক থেকে তিনজনকে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকতে দেখে টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এসময় দুইজন পালিয়ে গেলেও একজনকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম মো. সাদেক হোসেন (২০), পিতা— মো. আলম, ঠিকানা— ১৪ নম্বর হাকিমপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প

পালিয়ে যাওয়া দুইজনের একজন স্থানীয় মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য আব্দুর রহিম (৩২) বলে জানিয়েছে বিজিবি। বিজিবির তালিকায় মোস্ট ওয়ান্টেড রহিম আগে থেকেই দুটি মাদক মামলায় পলাতক।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদেক জানায়, ৯ হাজার টাকা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে আব্দুর রহিমের নির্দেশে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা বহনের কাজ করছিল।

এক বিজ্ঞপ্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিএসসি বলেন, “মাদক সরবরাহকারী এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা এবং গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উখিয়া থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারা নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উল্লেখ্য বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখা, মাদক ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড দমনে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।

তাদের নিয়মিত অভিযানে টেকনাফ-উখিয়ার সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে জনগণের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।