ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন শাহজাহান-আনোয়ারীর লড়াই জমালো যে ‘ভোটব্যাংক’ তারেক রহমানের সাথে আলমগীর ফরিদের শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধে এনসিপির আহবান কক্সবাজারের চারটি আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত চকরিয়ার ফুলের রাজ্যে ২ কোটি টাকার ফুল বিক্রি ঢাকায় সালাহউদ্দিনের সাথে আলমগীর ফরিদ, ‘জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি’ মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা মহেশখালীর সাতদিনব্যাপী আদিনাথ মেলা শুরু আগামীকাল থেকে কক্সবাজার ৪ সহ ৩০টি আসনে জয়ীদের শপথ স্থগিতে আইনী পদক্ষেপ নেবে জামায়াত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান চাঁদাবাজদের পুলিশে দিন,সাহসিকতার জন্যে দেয়া হবে পুরস্কার- লুৎফুর রহমান কাজল তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি: ডব্লিউআইওএন কক্সবাজারে বিএনপির দাপট: সালাহউদ্দিন ৪, ফরিদ ৩, কাজল ২ ও শাহজাহান ৫ বার এমপি জনরায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে নতুন সরকার: ড. আলী রিয়াজ

তিনটি ট্রলারসহ ১৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিনের পূর্বে সাগর থেকে তিনটি মাছ ধরার ট্রলারসহ বাংলাদেশি ১৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা। সাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিকটবর্তী সীতা এলাকা থেকে রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতের দিকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, মো. আলমগীর, আবদুর রহিম, মো. আলম, মো. সব্বির, মো. তৈয়ুব, আবু তাহের, মনি উল্লাহ, রহমত উল্লাহ, আবু বক্কর ছিদ্দিক, সৈয়দ উল্লাহ, মো. রফিক, আবছার মাঝি, মো. তাহের, আবদুল মতলব, হাফেজ আহমেদ, আমিনুরুল হোসেন ও সালা উদ্দিন। তারা সবাই দ্বীপের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, ‘সাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের সীতা এলাকা তিনটি ট্রলারসহ ১৮ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। এ নিয়ে জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।’

স্থানীয় এক জেলে বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের পূর্বে সাগরে মাছ ধরার সময় মিয়ানমার জলসীমা থেকে হঠাৎ করে অস্ত্রের মুখে একটি স্পিডবোট এসে জেলেদের ধাওয়া করে। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশ জলসীমায় ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা তিনটি নৌযানকে ধাওয়া করে ধরে নিয়ে যায়। এসব নৌযানে ১৮ জন জেলে ছিল।’

ট্রলার মালিকরা বলেন, ‘মাছ শিকারের সময় আমার ট্রলারসহ তিনটি ট্রলার ধরে নিয়ে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ চাই।’

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের তিনটি ট্রলারসহ মাঝিমাল্লাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। এটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

ট্রলার মালিক সমিতি ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত আট মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদসংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ৩১৮ জেলেকে অপহরণ করে আরাকান আর্মি। তাদের মধ্যে বিজিবির সহায়তায় ২০০ জনকে কয়েক দফায় ফেরত আনা হয়। বাকি ১১৮ জন জেলে এখনও তাদের হেফাজতে রয়েছেন। এর মধ্যে গত কয়েকদিনে ৬৪ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিএনসিসি এর দায়িত্ব পালন

This will close in 6 seconds

তিনটি ট্রলারসহ ১৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি

আপডেট সময় : ০২:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফ সেন্টমার্টিনের পূর্বে সাগর থেকে তিনটি মাছ ধরার ট্রলারসহ বাংলাদেশি ১৮ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা। সাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিকটবর্তী সীতা এলাকা থেকে রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতের দিকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, মো. আলমগীর, আবদুর রহিম, মো. আলম, মো. সব্বির, মো. তৈয়ুব, আবু তাহের, মনি উল্লাহ, রহমত উল্লাহ, আবু বক্কর ছিদ্দিক, সৈয়দ উল্লাহ, মো. রফিক, আবছার মাঝি, মো. তাহের, আবদুল মতলব, হাফেজ আহমেদ, আমিনুরুল হোসেন ও সালা উদ্দিন। তারা সবাই দ্বীপের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, ‘সাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের সীতা এলাকা তিনটি ট্রলারসহ ১৮ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। এ নিয়ে জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে।’

স্থানীয় এক জেলে বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের পূর্বে সাগরে মাছ ধরার সময় মিয়ানমার জলসীমা থেকে হঠাৎ করে অস্ত্রের মুখে একটি স্পিডবোট এসে জেলেদের ধাওয়া করে। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশ জলসীমায় ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা তিনটি নৌযানকে ধাওয়া করে ধরে নিয়ে যায়। এসব নৌযানে ১৮ জন জেলে ছিল।’

ট্রলার মালিকরা বলেন, ‘মাছ শিকারের সময় আমার ট্রলারসহ তিনটি ট্রলার ধরে নিয়ে যায়। তাদের ফিরিয়ে আনতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ চাই।’

এ প্রসঙ্গে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের তিনটি ট্রলারসহ মাঝিমাল্লাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। এটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’

ট্রলার মালিক সমিতি ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত আট মাসে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদসংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ৩১৮ জেলেকে অপহরণ করে আরাকান আর্মি। তাদের মধ্যে বিজিবির সহায়তায় ২০০ জনকে কয়েক দফায় ফেরত আনা হয়। বাকি ১১৮ জন জেলে এখনও তাদের হেফাজতে রয়েছেন। এর মধ্যে গত কয়েকদিনে ৬৪ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি।

সুত্র: বাংলা ট্রিবিউন