ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবপাচারের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দেলোয়ার ও আক্তারের সীমিত জনবলেও তৎপর উখিয়া রেঞ্জ, বনউজাড় করতে গিয়ে ধরা পড়ল ২৬ রোহিঙ্গা বর্ষার আগেই শহরকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে মাঠ পর্যায়ে কঠোর অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ এমপি কাজলের টেকনাফ এখন ‘মৃত্যুপুরী’: সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে যৌথ অভিযানের দাবিতে ছাত্র-জনতার মানববন্ধন টেকনাফে ৭.৬২ ক্যালিবার অস্ত্রসহ তিন ডাকাত আটক ৭ ইউনিয়ন নিয়ে নতুন ‘মাতামুহুরী’ উপজেলা গঠনের প্রস্তাব: প্রাক নিকার সভায় অন্তর্ভুক্ত প্রতারণার ফাঁদ ভাঙুন, মানব পাচার রুখুন সিএনজি তল্লাশিতে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩ লবণ মাঠে দূর্বৃত্তের তাণ্ডব,২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি জামিনে মুক্ত হলেন বাউল শিল্পী আবুল সরকার বিয়ে করাটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল: অপু বিশ্বাস চৈত্র সংক্রান্তি: ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাঙালির সংস্কৃতির এক প্রাচীন ধারাবাহিকতা ইন্টারনেট সস্তা না হলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয় : বিটিআরসি চেয়ারম্যান ভোরে ফুল তুলতে যাওয়া বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা, অভিযুক্তের আত্মসমর্পণ বাংলা বছরের শেষদিন— চৈত্র সংক্রান্তি আজ

‘ডিজিটাল ডিভাইসে’ নকল প্রতিরোধে আইন হবে: শিক্ষামন্ত্রী

‘ডিজিটাল ডিভাইসের’ মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলো ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি পরীক্ষায় যে কোনো ধরনের অনিয়ম ও নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

সে সময় তিনি বলেন, “ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভায় মন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো ফের তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন।

পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে তল্লাশি নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদার করতে নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষা চলাকালে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্নসংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মন্ত্রী বলেন, “মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের জন্য পরীক্ষার সিস্টেম পরিবর্তন করতে হবে। অটোপাশের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।”

তিনি ব্যবহারিক পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা থেকে বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, “এমনকি পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে।”

নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় মোটিভেশনাল মিটিং আয়োজন করা হবে বলেও তিনি জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, যেসব জেলায় জিলা স্কুল নেই সেখানে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, “এই জিলা স্কুলগুলো প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে হবে যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবপাচারের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ দেলোয়ার ও আক্তারের

‘ডিজিটাল ডিভাইসে’ নকল প্রতিরোধে আইন হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

‘ডিজিটাল ডিভাইসের’ মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলো ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি পরীক্ষায় যে কোনো ধরনের অনিয়ম ও নকল প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

সে সময় তিনি বলেন, “ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভায় মন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো ফের তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন।

পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে তল্লাশি নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদার করতে নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষা চলাকালে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্নসংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মন্ত্রী বলেন, “মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের জন্য পরীক্ষার সিস্টেম পরিবর্তন করতে হবে। অটোপাশের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।”

তিনি ব্যবহারিক পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত প্রথা থেকে বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, “এমনকি পরীক্ষা কেন্দ্রের টয়লেটেও নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে।”

নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় মোটিভেশনাল মিটিং আয়োজন করা হবে বলেও তিনি জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, যেসব জেলায় জিলা স্কুল নেই সেখানে জিলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, “এই জিলা স্কুলগুলো প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে হবে যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ