ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৩২ : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন টেকনাফের সাবরাংয়ে জেটি হবে, পর্যটকেরা যেতে পারবেন সেন্ট মার্টিন হ্নীলা মডেল ফারিয়া’র সভাপতি নির্বাচিত হলেন মোকতার হোসাইন সোহেল নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৫টি আইইডিসহ বিপুল বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার নাকফুল হারালেন পরীমনি! সিটের নিচে ৩০ হাজার ইয়াবা, সিএনজি চালক আটক রামুর বিজিবি কোয়ার্টারে এক নারীর আত্মহত্যা চকরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সহায়তা টেকনাফের নিখোঁজ কিশোরীকে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার করলো র‍্যাব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী কক্সবাজার আসছেন শনিবার টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, মালিক পলাতক শহরে কিস্তির টাকার বিরোধে প্রতিবেশীকে খুন, যুবক আটক রোহিঙ্গা যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মাছ ধরতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে উড়ে গেল রোহিঙ্গা যুবকের পা সংকটে কাজে আসছেনা: মহেশখালীতে তেল খালাস ও পরিবহনে নির্মিত এসপিএম প্রকল্প পড়ে আছে

টেকনাফে ১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারিকে আটক করলো বিজিবি

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বাংলাদেশে মাদক পাচারের একটি বড় প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদককারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১০ এর আনুমানিক ৩০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভোর ৩টার দিকে মায়ানমার দিক থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হলে বিজিবির নৌ টহল দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। সীমান্ত অতিক্রমের সময় জাদিমুড়া এলাকার বিপরীতে নদীর জলসীমায় পাচারকারীদের ঘিরে ফেলে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে একজন মাদককারবারীকে এক লক্ষ ১ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগে তার সহযোগীরা নদী সাঁতরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন মোঃ সালাম (৩৫), পিতা- ওলা মিয়া। তিনি ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি/১ এর বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অপর দুই মাদককারবারীর হলো হ্নীলা ইউনিয়নের নেচারপার্ক এলাকার সালাম (৪০), ২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দার আয়াজ (৩০)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বলেন, সীমান্ত এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আটক আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে ১ লাখ ইয়াবাসহ পাচারকারিকে আটক করলো বিজিবি

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

টেকনাফের নাফ নদী সীমান্তে বাংলাদেশে মাদক পাচারের একটি বড় প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে এক লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদককারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়কের নির্দেশনায় দমদমিয়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ বিআরএম-১০ এর আনুমানিক ৩০০ গজ উত্তর-পূর্ব দিকে নাফ নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভোর ৩টার দিকে মায়ানমার দিক থেকে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হলে বিজিবির নৌ টহল দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। সীমান্ত অতিক্রমের সময় জাদিমুড়া এলাকার বিপরীতে নদীর জলসীমায় পাচারকারীদের ঘিরে ফেলে বিজিবি।

এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে একজন মাদককারবারীকে এক লক্ষ ১ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। তবে রাতের অন্ধকারের সুযোগে তার সহযোগীরা নদী সাঁতরে মায়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটক ব্যক্তি হলেন মোঃ সালাম (৩৫), পিতা- ওলা মিয়া। তিনি ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক-সি/১ এর বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, এ ঘটনায় পলাতক অপর দুই মাদককারবারীর হলো হ্নীলা ইউনিয়নের নেচারপার্ক এলাকার সালাম (৪০), ২৭ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দার আয়াজ (৩০)।

টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, বলেন, সীমান্ত এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবির এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আটক আসামী ও উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।