কলাতলীর আগুনে দগ্ধ আবু তাহের মারা গেছেন।
রবিবার দুপুর ২ টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃতুবরন করেন। তার বয়স হয়েছিলো ৪৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র, ২ কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
আবু তাহেরের বড় ছেলে মো: সোহেল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোহেল জানান, আবু তাহেরের মরদেহ নিয়ে তারা কক্সবাজারের পথে রওয়ানা হয়েছেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) রাত ১০ টার কিছু পর কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে এন.আলমের মালিকানাধীন এলপিজি স্টেশন থেকে লিকেজ হওয়া গ্যাস থেকে ধরে যাওয়া আগুনে দগ্ধ হয় আবু তাহেরসহ ১০ জন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে আবু তাহেরসহ ৬ জন কে বুধবার রাতেই চমেকে প্রেরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার সেই ৬ জন থেকে আবু তাহেরসগ তিন জনকে চমেকের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তারপরও অবস্থায় উন্নতি না হওয়ায় শুক্রবার চমেক থেকে আবু তাহেরকে ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
আবু তাহেরের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৯০ ভাগ পুড়ে গেছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
নিহত আবু তাহের পেশায় একজন সিএনজি চালক।আগুনে দগ্ধ হওয়ার মাত্র দুইদিন আগে টেকনাফের কাটাবনিয়ার নিজ বাড়ি থেকে কলাতলীর বড়ছড়া ঝরঝরি কুয়া এলাকার শ্বশুরবাড়িতে স্বপরিবারে এসে বসবাস শুরু করেন।
আবু তাহেরের ভাগ্নে আবু বক্কর বাবু জানান, তিনি গ্যাস লিকেজ হওয়ার খবর পেয়ে দেখতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ জ্বলে ওঠা আগুনে তিনি দগ্ধ হন। আর ৪ দিনের মাথায় তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
রাহুল মহাজন: 













