কক্সবাজারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলম (২৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মো. তারেক (২৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ফুলছড়ি এলাকা থেকে তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত তারেক রামু উপজেলার খোন্দকার পাড়া এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
পুলিশ জানায়, গত ২৪ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার সৈকত লাগোয়া কবিতা চত্বর এলাকায় খোরশেদ আলম তার সঙ্গী তারিন সুলতানা’কে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে খোরশেদকে লক্ষ্য করে ছুরিকাঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, তার পেটে ও পায়ে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল।
পুলিশ সুপার জানান,হত্যাকাণ্ডটি ছিনতাই, পূর্ব শত্রুতা কিংবা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা—এই তিনটি সম্ভাব্য কারণ ঘিরে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এ ঘটনায় আরও অন্তত দুইজন জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিহত খোরশেদের সঙ্গী তারিনকে ঘিরে ধোঁয়াশা কাটাল পুলিশ। তারিন সুলতানা এই ঘটনায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেন এবং বলেন তারিনকে পরিবারের নিরাপদ জিম্মায় দেওয়া হবে।
রাহুল মহাজন: 





















