ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাশিয়ার ফাঁদে ট্রাম্প! মধ্যপ্রাচ্যের নতুন ‘বাদশা’ ইরান? কলাতলীর সংঘর্ষের কারণ কি? সেন্ট মার্টিনের কাছে ধরা পড়ল পাঁচ মণ ওজনের বোল মাছ, বিক্রি ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকায় রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান নিজের পুরস্কার উৎসর্গ করলেন দর্শকদের উখিয়া–টেকনাফ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন স্থগিত ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় মা-মেয়েকে মারধর, পরে ১ মাসের জেল রামুতে সংবাদ সংগ্রহকালে ডাকাত মালেকের হামলায় ৪ সাংবাদিক আহত উখিয়ার থাইংখালীতে পাহাড় কেটে সাবাড়, ড্রাম ট্রাক আটক মাদকের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা- ইয়াবা ও দুই সঙ্গীসহ পুলিশের জালে যুবদল নেতা সাংবাদিক আনিস আলমগীরের হাইকোর্টে জামিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার কক্সবাজারে আসছেন সালাহউদ্দিন আহমদ খালেদা জিয়াসহ যারা পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রবাসীর স্ত্রীর মামলা, উখিয়ার জামায়াত নেতা কারাগারে

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ির সকল দোকান সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে কার্ডধারী কিংবা কার্ডবিহীন বসানো দোকানকে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নেবে ওই সব দোকান উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের আলোকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পর্যটন সেলের সহকারি কমিশনার নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেন।

নোটিশে জানানো হয় গত ১১ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা ও ট্যুরিস্ট পুলিশ, র‌্যাব, সেনা বাহিনী, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, গোয়েন্দা সংস্থা, সৈকতের ব্যবসায়ীদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এতে  বালিয়াড়িতে বসানো দোকানগুলোকে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তেমন না হলে প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।

মূলত ১৯৯৯ সালে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার দূরত্বের এই সমুদ্র সৈকতকে ইসি এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। সেই  আইন অনুযায়ী, সৈকতের জোয়ার-ভাটার অঞ্চল থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়ন নিষিদ্ধ। এছাড়া এ আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালত ২০১১ সালে সৈকতের বালিয়াড়িতে সকল স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশের আলোকে ২০২২ সালে  প্রায়ই ৫ শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রশাসন। তবে থেকে যায় আরো তিন শতাধিক স্থাপনা। সেই সব স্থাপনাও পরে উচ্ছেদের কথা ছিল। কিন্তু সে কথা রাখেনি জেলা প্রশাসন। পরে উচ্ছেদ হওয়া স্থাপনা আবারও নতুন করে তৈরি হয়ে যায়। আর এর মধ্যে এবার নতুন চুক্তি করে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল।

ট্যাগ :

কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ির সকল দোকান সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে কার্ডধারী কিংবা কার্ডবিহীন বসানো দোকানকে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে স্বেচ্ছায় সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নেবে ওই সব দোকান উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের আলোকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পর্যটন সেলের সহকারি কমিশনার নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেন।

নোটিশে জানানো হয় গত ১১ অক্টোবর কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা ও ট্যুরিস্ট পুলিশ, র‌্যাব, সেনা বাহিনী, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, গোয়েন্দা সংস্থা, সৈকতের ব্যবসায়ীদের সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এতে  বালিয়াড়িতে বসানো দোকানগুলোকে আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তেমন না হলে প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।

মূলত ১৯৯৯ সালে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার দূরত্বের এই সমুদ্র সৈকতকে ইসি এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। সেই  আইন অনুযায়ী, সৈকতের জোয়ার-ভাটার অঞ্চল থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়ন নিষিদ্ধ। এছাড়া এ আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালত ২০১১ সালে সৈকতের বালিয়াড়িতে সকল স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশের আলোকে ২০২২ সালে  প্রায়ই ৫ শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রশাসন। তবে থেকে যায় আরো তিন শতাধিক স্থাপনা। সেই সব স্থাপনাও পরে উচ্ছেদের কথা ছিল। কিন্তু সে কথা রাখেনি জেলা প্রশাসন। পরে উচ্ছেদ হওয়া স্থাপনা আবারও নতুন করে তৈরি হয়ে যায়। আর এর মধ্যে এবার নতুন চুক্তি করে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল।