ঢাকা ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বছরের প্রথম সূর্যোদয়: প্রত্যাশার প্রাপ্তি হোক ২০২৬ সাল সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মুলহোতা বাবু আটক: বাকীদের খুঁজছে পুলিশ চুপ প্রশাসন, নিষেধাজ্ঞা না মেনে আতশবাজি ফুটল সৈকতে বার্মিজ মার্কেট এলাকার বাসিন্দা বকুল আর নেই: জানাজা বৃহস্পতিবার ভালো কিছু শুরুর আশা পঁচিশের শেষ সূর্যাস্ত দেখতে আসা পর্যটকদের স্বামীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত খালেদা জিয়া জনজোয়ারে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার মানিক মিয়া এভিনিউয়ে জনতার ঢল সংসদ ভবনের পথে খালেদা জিয়ার মরদেহ কক্সবাজারে খালেদা জিয়ার শেষ সফর ছিলো ২০১৭ সালে থার্টি ফার্স্টে লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম হবে: মানতে হবে পুলিশী নির্দেশনা, বার বন্ধ থাকবে শোক পালন: সাগরতীরের তারকা হোটেলগুলোতে থার্টি-ফার্স্টের আয়োজন বাতিল চকরিয়ায় যুবদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচলেন সেই চাকমা যুবক

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের হাতে অপহৃত এক চাকমা যুবক আজ সকালে অপহরণকারীদের কবল থেকে পালিয়ে এসেছেন।

আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ১০ টায় তিনি কৌশলে অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছান বলে জানিয়েছে পুলিশ ।

আজ রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস।

পালিয়ে আসা সংকুচিং চাকমা (৩৫) বলেন, আমি পাহাড়ে কৃষিকাজ করার সময় একদল অস্ত্রধারী অপহরণকারীরা আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন উপায়ে আমার থেকে মুক্তিপণ দাবি করে যাচ্ছিল। আমি বলছি আমি গরীব কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করি।আজ ভোরে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি কৌশলে পালিয়ে আসি।

গতকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের চৌকিদার পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ে কৃষিকাজের সময় ২০–৩০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল ওই যুবককে অপহরণ করে। অপহৃত যুবকের নাম সংকুচিং (৩৫)।

এ সময় অপহরণের শিকার হওয়া অপর এক ব্যক্তি, বৃদ্ধ এবাদুল্লাহ (৬০), আগেই পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। তিনি জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা চালায় এবং সংকুচিংকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকেও অপহরণের চেষ্টা করা হলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তার দিকে গুলি ছোড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যেই এ অপহরণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপহৃত যুবক পালিয়ে আসায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পাহাড়ি এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ২৭৫ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

ট্যাগ :

This will close in 6 seconds

অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচলেন সেই চাকমা যুবক

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের হাতে অপহৃত এক চাকমা যুবক আজ সকালে অপহরণকারীদের কবল থেকে পালিয়ে এসেছেন।

আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ১০ টায় তিনি কৌশলে অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছান বলে জানিয়েছে পুলিশ ।

আজ রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস।

পালিয়ে আসা সংকুচিং চাকমা (৩৫) বলেন, আমি পাহাড়ে কৃষিকাজ করার সময় একদল অস্ত্রধারী অপহরণকারীরা আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন উপায়ে আমার থেকে মুক্তিপণ দাবি করে যাচ্ছিল। আমি বলছি আমি গরীব কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করি।আজ ভোরে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি কৌশলে পালিয়ে আসি।

গতকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের চৌকিদার পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ে কৃষিকাজের সময় ২০–৩০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল ওই যুবককে অপহরণ করে। অপহৃত যুবকের নাম সংকুচিং (৩৫)।

এ সময় অপহরণের শিকার হওয়া অপর এক ব্যক্তি, বৃদ্ধ এবাদুল্লাহ (৬০), আগেই পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। তিনি জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা চালায় এবং সংকুচিংকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকেও অপহরণের চেষ্টা করা হলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তার দিকে গুলি ছোড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যেই এ অপহরণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপহৃত যুবক পালিয়ে আসায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পাহাড়ি এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ২৭৫ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।