ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ পার হওয়ার অনুমতি মেলেনি, শারজায় ফিরে যাচ্ছে ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সংরক্ষিত নারী আসনে কারা প্রাধান্য পাবেন, জানালেন রিজভী মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৩২ : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন টেকনাফের সাবরাংয়ে জেটি হবে, পর্যটকেরা যেতে পারবেন সেন্ট মার্টিন হ্নীলা মডেল ফারিয়া’র সভাপতি নির্বাচিত হলেন মোকতার হোসাইন সোহেল নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৫টি আইইডিসহ বিপুল বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার নাকফুল হারালেন পরীমনি! সিটের নিচে ৩০ হাজার ইয়াবা, সিএনজি চালক আটক রামুর বিজিবি কোয়ার্টারে এক নারীর আত্মহত্যা চকরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সহায়তা টেকনাফের নিখোঁজ কিশোরীকে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার করলো র‍্যাব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী কক্সবাজার আসছেন শনিবার টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, মালিক পলাতক শহরে কিস্তির টাকার বিরোধে প্রতিবেশীকে খুন, যুবক আটক রোহিঙ্গা যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচলেন সেই চাকমা যুবক

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের হাতে অপহৃত এক চাকমা যুবক আজ সকালে অপহরণকারীদের কবল থেকে পালিয়ে এসেছেন।

আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ১০ টায় তিনি কৌশলে অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছান বলে জানিয়েছে পুলিশ ।

আজ রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস।

পালিয়ে আসা সংকুচিং চাকমা (৩৫) বলেন, আমি পাহাড়ে কৃষিকাজ করার সময় একদল অস্ত্রধারী অপহরণকারীরা আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন উপায়ে আমার থেকে মুক্তিপণ দাবি করে যাচ্ছিল। আমি বলছি আমি গরীব কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করি।আজ ভোরে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি কৌশলে পালিয়ে আসি।

গতকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের চৌকিদার পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ে কৃষিকাজের সময় ২০–৩০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল ওই যুবককে অপহরণ করে। অপহৃত যুবকের নাম সংকুচিং (৩৫)।

এ সময় অপহরণের শিকার হওয়া অপর এক ব্যক্তি, বৃদ্ধ এবাদুল্লাহ (৬০), আগেই পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। তিনি জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা চালায় এবং সংকুচিংকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকেও অপহরণের চেষ্টা করা হলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তার দিকে গুলি ছোড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যেই এ অপহরণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপহৃত যুবক পালিয়ে আসায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পাহাড়ি এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ২৭৫ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ পার হওয়ার অনুমতি মেলেনি, শারজায় ফিরে যাচ্ছে ‘বাংলার জয়যাত্রা’

অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচলেন সেই চাকমা যুবক

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের হাতে অপহৃত এক চাকমা যুবক আজ সকালে অপহরণকারীদের কবল থেকে পালিয়ে এসেছেন।

আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে ১০ টায় তিনি কৌশলে অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছান বলে জানিয়েছে পুলিশ ।

আজ রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস।

পালিয়ে আসা সংকুচিং চাকমা (৩৫) বলেন, আমি পাহাড়ে কৃষিকাজ করার সময় একদল অস্ত্রধারী অপহরণকারীরা আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন উপায়ে আমার থেকে মুক্তিপণ দাবি করে যাচ্ছিল। আমি বলছি আমি গরীব কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করি।আজ ভোরে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি কৌশলে পালিয়ে আসি।

গতকাল শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের চৌকিদার পাড়া সংলগ্ন পাহাড়ে কৃষিকাজের সময় ২০–৩০ জনের একটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দল ওই যুবককে অপহরণ করে। অপহৃত যুবকের নাম সংকুচিং (৩৫)।

এ সময় অপহরণের শিকার হওয়া অপর এক ব্যক্তি, বৃদ্ধ এবাদুল্লাহ (৬০), আগেই পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। তিনি জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা চালায় এবং সংকুচিংকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। তাকেও অপহরণের চেষ্টা করা হলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তার দিকে গুলি ছোড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যেই এ অপহরণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপহৃত যুবক পালিয়ে আসায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পাহাড়ি এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ২৭৫ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।