ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা বারের নির্বাচনে সভাপতিসহ বিএনপি ৪, সম্পাদকসহ জামায়াত ৬, আওয়ামীলীগ ৭ পদে জয়ী ছয় পেরিয়ে সাতে: কথা বলার দায় আরও বড় আমেরিকা–ইরান–ইসরাইল সংঘাতের ছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যের ‘সরকার’ বা রাজতন্ত্র ভেঙে পড়বে কি? যমুনা ছাড়লেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস সংযুক্ত আরব আমিরাত,কাতার বাহরাইনে বসবাসরত বাংলাদেশীদের সতর্কতা জারি দূতাবাসের জামায়াতের ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাজাপালংয়ের আ তং ক উজির ‘হামিদ’,বিচার শালিসের নামে হয়রানি! দখল-ভরাটের সংকুচিত হচ্ছে পেকুয়ার ফুটখালী খাল লামায় অবৈধ দুই ইটভাটায় অভিযান: জরিমানা ৫ লাখ টাকা সদর থানার বিশেষ অভিযানে ১৪ মামলার ৭ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ফের বেপরোয়া পালংখালীর ‘আইস’ সম্রাট ইরান মাঝি টেকনাফ সৈকতে ভেসে এলো অজ্ঞাত ট্রলার উখিয়া থানায় দালাল ছাড়া হয়না কিছুই, বিপাকে স্বয়ং ওসি! ভাষা সৈনিক আলহাজ্ব নুরুল হুদা চৌধুরীর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী রহমতের শেষ দিন আজ

হেডফোন ব্যবহারে মন ও মস্তিষ্কে যেসব মারাত্মক প্রভাব পড়ে

হেডফোন বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। গান শোনা, পড়াশোনা কিংবা জুম মিটিংয়ে অংশ নেওয়া- সবকিছুতেই হেডফোন ব্যবহৃত হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারে মন ও মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি করছেন না তো?

২০২২ সালে ইউনাইটেড স্টেটস স্ট্যাটিস্টা জরিপ অনুসারে, ১৯-২৯ বছর বয়সীরা প্রতি সপ্তাহে হেডফোন ব্যবহারে ৭.৮ ঘন্টা ব্যয় করে। এ ছাড়াও ৩০-৪০ বছর বয়সী লোকেরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫.৫ ঘণ্টা ব্যয় করে এবং ৫০-৭৯ বছর বয়সীরা সপ্তাহে ৫.২ ঘণ্টা হেডফোন ব্যবহার করে। সমস্যা হচ্ছে এটি একটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস যা আপনার শরীরের পাশাপাশি আপনার মনের জন্যও ক্ষতিকর।

হেডফোন ব্যবহারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ইয়ারফোনে যে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয় তা আমাদের কানে পৌঁছায়, যার ফলে কানের পর্দা কম্পিত হয়। এই কম্পন ছোট হাড়ের মধ্য দিয়ে কক্লিয়ার (সেল আকৃতি হাড়) দিকে যায়। হেডফোন ব্যবহারের সময় কানের ভেতরে থাকা ছোট ছোট লোম শব্দ ও কম্পনের ফলে কাঁপতে শুরু করে। ধীরে ধীরে কানের কোষগুলো সংবেদনশীলতা হারাতে শুরু করে।

শ্রবণ ক্লান্তি বা শ্রবণশক্তি হ্রাস: দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্ক উত্তপ্ত হয় এবং স্নায়ু ক্লান্তিবোধ করে। ফলে শ্রবণশক্তিতে বিরূপ প্রভাব পড়ে। কক্লিয়ার অঞ্চলের রক্তনালী সঙ্কুচিত ও শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। ফলে শ্রবণশক্তি মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

কানে ব্যথা: হেডফোন ব্যবহারের ফলে কানে ব্যথা অনুভব করার পাশাপাশি ভার্টিগো বা মাথা ঘোরার সমস্যা বাড়তে পারে। দীর্ঘক্ষণ শব্দের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার কারণে, কানে রক্ত সঞ্চালন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মনোযোগের অভাব: হেডফোন যে শব্দ উৎপন্ন করে, তা কানের পর্দায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। স্নায়ুতন্ত্র কান থেকে মস্তিষ্কে শব্দ প্রেরণ করার ফলে প্রভাবিত হয়। যার ফলে মনোযোগের অভাব হয়। হেডফোনের অত্যধিক ব্যবহার মনোযোগ কমিয়ে দিতে পারে।

মস্তিষ্কে সমস্যা: দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের ফলে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ মস্তিষ্কেরও ক্ষতি করতে পারে। মস্তিষ্ক স্নায়ু তন্তুগুলোর মাধ্যমে কান থেকে সংকেত গ্রহণ করে। যা মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সমস্যা মোকাবিলায় হেডফোন ব্যবহারের সময় কমিয়ে আনুন। একান্তই যদি হেডফোন ব্যবহারের প্রয়োজন হয় তাহলে ৩০ মিনিট পরে অবশ্যই পাঁচ মিনিটের বিরতি নিন। ৬০ মিনিটে দশ মিনিটের বিরতি নিতে হবে। ক্ষতির মাত্রা কমাতে হেডফোন ব্যবহারের পরিবর্তে একটি স্পিকারফোন ব্যবহার করতে পারেন।

সূত্র: ইমিট

ট্যাগ :

জেলা বারের নির্বাচনে সভাপতিসহ বিএনপি ৪, সম্পাদকসহ জামায়াত ৬, আওয়ামীলীগ ৭ পদে জয়ী

This will close in 6 seconds

হেডফোন ব্যবহারে মন ও মস্তিষ্কে যেসব মারাত্মক প্রভাব পড়ে

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪

হেডফোন বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। গান শোনা, পড়াশোনা কিংবা জুম মিটিংয়ে অংশ নেওয়া- সবকিছুতেই হেডফোন ব্যবহৃত হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারে মন ও মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি করছেন না তো?

২০২২ সালে ইউনাইটেড স্টেটস স্ট্যাটিস্টা জরিপ অনুসারে, ১৯-২৯ বছর বয়সীরা প্রতি সপ্তাহে হেডফোন ব্যবহারে ৭.৮ ঘন্টা ব্যয় করে। এ ছাড়াও ৩০-৪০ বছর বয়সী লোকেরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫.৫ ঘণ্টা ব্যয় করে এবং ৫০-৭৯ বছর বয়সীরা সপ্তাহে ৫.২ ঘণ্টা হেডফোন ব্যবহার করে। সমস্যা হচ্ছে এটি একটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস যা আপনার শরীরের পাশাপাশি আপনার মনের জন্যও ক্ষতিকর।

হেডফোন ব্যবহারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ইয়ারফোনে যে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয় তা আমাদের কানে পৌঁছায়, যার ফলে কানের পর্দা কম্পিত হয়। এই কম্পন ছোট হাড়ের মধ্য দিয়ে কক্লিয়ার (সেল আকৃতি হাড়) দিকে যায়। হেডফোন ব্যবহারের সময় কানের ভেতরে থাকা ছোট ছোট লোম শব্দ ও কম্পনের ফলে কাঁপতে শুরু করে। ধীরে ধীরে কানের কোষগুলো সংবেদনশীলতা হারাতে শুরু করে।

শ্রবণ ক্লান্তি বা শ্রবণশক্তি হ্রাস: দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্ক উত্তপ্ত হয় এবং স্নায়ু ক্লান্তিবোধ করে। ফলে শ্রবণশক্তিতে বিরূপ প্রভাব পড়ে। কক্লিয়ার অঞ্চলের রক্তনালী সঙ্কুচিত ও শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। ফলে শ্রবণশক্তি মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

কানে ব্যথা: হেডফোন ব্যবহারের ফলে কানে ব্যথা অনুভব করার পাশাপাশি ভার্টিগো বা মাথা ঘোরার সমস্যা বাড়তে পারে। দীর্ঘক্ষণ শব্দের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার কারণে, কানে রক্ত সঞ্চালন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মনোযোগের অভাব: হেডফোন যে শব্দ উৎপন্ন করে, তা কানের পর্দায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। স্নায়ুতন্ত্র কান থেকে মস্তিষ্কে শব্দ প্রেরণ করার ফলে প্রভাবিত হয়। যার ফলে মনোযোগের অভাব হয়। হেডফোনের অত্যধিক ব্যবহার মনোযোগ কমিয়ে দিতে পারে।

মস্তিষ্কে সমস্যা: দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের ফলে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ মস্তিষ্কেরও ক্ষতি করতে পারে। মস্তিষ্ক স্নায়ু তন্তুগুলোর মাধ্যমে কান থেকে সংকেত গ্রহণ করে। যা মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সমস্যা মোকাবিলায় হেডফোন ব্যবহারের সময় কমিয়ে আনুন। একান্তই যদি হেডফোন ব্যবহারের প্রয়োজন হয় তাহলে ৩০ মিনিট পরে অবশ্যই পাঁচ মিনিটের বিরতি নিন। ৬০ মিনিটে দশ মিনিটের বিরতি নিতে হবে। ক্ষতির মাত্রা কমাতে হেডফোন ব্যবহারের পরিবর্তে একটি স্পিকারফোন ব্যবহার করতে পারেন।

সূত্র: ইমিট