ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাম মোকাবিলায় সরকার বদ্ধপরিকর : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নদীতে ফুল দিয়ে শুরু হলো পাহাড়ের প্রাণের উৎসব ‘বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু’ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হামের ঝুঁকি: অবশেষে চালু হচ্ছে আইসোলেশন ওয়ার্ড মানবপাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি নাইক্ষ্যংছড়িতে দুটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার, রোহিঙ্গা যুবকসহ আটক ২ অবৈধ পন্থায় উত্তোলন হচ্ছিলো বালি, অভিযানে মালামালসহ জব্দ ঝিলংজায় মাথা ও হাতের কবজিবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার প্রতিবাদ এক সাথে বিনা খরচে ঘর বাঁধলো চার দম্পতি ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমিতির জেলা কমিটি গঠন টেকনাফে প্রায় ২৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার বিজিবির ‘নব্য ফ্যাসিজম রুখতে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের আহ্বান’ শেষ হলো ‘রামু গ্রন্থমেলা-২০২৬’ টেকনাফে র‍্যাবের অভিযান: ৪ ভিক্টিম উদ্ধার, ২ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার রামুতে বিজিবির অভিযান: ৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার

সৌদিতে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে ১ মার্চ দেশটিতে রোজা শুরু

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 305

সৌদি আরবে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শুক্রবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটি ঘোষণা করেছে, আজ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। রমজান মাসের প্রথম দিন হবে শনিবার।

সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানানোর পরে এই ঘোষণা এলো।

পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কমিটিগুলো জড়ো হয়। ইতোমধ্যে আরও দুটি দেশ রমজানের তারিখ ঘোষণা করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ থেকে রোজা শুরু হবে।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল ঘোষণা করেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ভিত্তিতে দেশটির মুসলমানরা ১ মার্চ থেকে পবিত্র মাস শুরু করবে।

ওমানের প্রধান কমিটির সালতানাতও ঘোষণা করেছে, রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন হবে।

রমজান ইসলামী ক্যালেন্ডারের নবম এবং মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র মাস। বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ মুসলমানদের জন্য এই মাসটি সংযম, ধর্মীয় প্রতিফলন, বর্ধিত প্রার্থনা, দান এবং সম্প্রদায়ের জন্য একটি বিশেষ সময়। মাসজুড়ে তারা ভোর থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ে সমস্ত ধরণের খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকেন।

রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি এবং ধর্মের একটি মূল অংশজুড়ে এর বিস্তার রয়েছে। অন্য স্তম্ভগুলো হলো ঈমানের ঘোষণা, নামাজ, দান-খয়রাত বা যাকাত এবং হজে যাওয়া।

মুসলমানরা বিশ্বাস করে, রোজার মাধ্যমে তারা সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়। নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত ও দান-খয়রাত করার মতো ইবাদত-বন্দেগিতে অংশ নিয়ে সময় ব্যয় করা হয় মাসজুড়ে।

দিনের আলোতে খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকার ফলে মুসলমানরা সংযম অনুশীলন এবং তাদের বিশ্বাসের উপর কাজ করার জন্য শক্তি কেন্দ্রীভূত করতে পারে। রোজা মুসলমানদের তুলনামূলক কম ‘ভাগ্যবানদের’ প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতে এবং অভাবীদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হতে শিক্ষা দেয়।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে ১ মার্চ দেশটিতে রোজা শুরু

আপডেট সময় : ০৩:২৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সৌদি আরবে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শুক্রবার(২৮ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটি ঘোষণা করেছে, আজ পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। রমজান মাসের প্রথম দিন হবে শনিবার।

সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানানোর পরে এই ঘোষণা এলো।

পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কমিটিগুলো জড়ো হয়। ইতোমধ্যে আরও দুটি দেশ রমজানের তারিখ ঘোষণা করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ থেকে রোজা শুরু হবে।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ফতোয়া কাউন্সিল ঘোষণা করেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ভিত্তিতে দেশটির মুসলমানরা ১ মার্চ থেকে পবিত্র মাস শুরু করবে।

ওমানের প্রধান কমিটির সালতানাতও ঘোষণা করেছে, রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। ১ মার্চ পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন হবে।

রমজান ইসলামী ক্যালেন্ডারের নবম এবং মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র মাস। বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ মুসলমানদের জন্য এই মাসটি সংযম, ধর্মীয় প্রতিফলন, বর্ধিত প্রার্থনা, দান এবং সম্প্রদায়ের জন্য একটি বিশেষ সময়। মাসজুড়ে তারা ভোর থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ে সমস্ত ধরণের খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকেন।

রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি এবং ধর্মের একটি মূল অংশজুড়ে এর বিস্তার রয়েছে। অন্য স্তম্ভগুলো হলো ঈমানের ঘোষণা, নামাজ, দান-খয়রাত বা যাকাত এবং হজে যাওয়া।

মুসলমানরা বিশ্বাস করে, রোজার মাধ্যমে তারা সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়। নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত ও দান-খয়রাত করার মতো ইবাদত-বন্দেগিতে অংশ নিয়ে সময় ব্যয় করা হয় মাসজুড়ে।

দিনের আলোতে খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থাকার ফলে মুসলমানরা সংযম অনুশীলন এবং তাদের বিশ্বাসের উপর কাজ করার জন্য শক্তি কেন্দ্রীভূত করতে পারে। রোজা মুসলমানদের তুলনামূলক কম ‘ভাগ্যবানদের’ প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতে এবং অভাবীদের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হতে শিক্ষা দেয়।