ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গর্জনিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র ওয়াসিম নাপিতেরচর স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচিত ‘আমাকে মিস করছেন?’ বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পুরোনো ছকে ফিরছে ব্রাজিল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোট নয়, এককভাবে অংশ নেবে এনসিপি এক রেলপথে যুক্ত হচ্ছে সৌদি, কুয়েত ও কাতারসহ ৬ দেশ কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি? মাতামুহুরীতে জামায়াতের জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতিকে উৎসাহিত করে: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ

কলেরার প্রকোপ কমাতে টিকা কার্যক্রম শুরু, দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ১৩ লাখ টিকা

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির এবং আশপাশের এলাকায় কলেরা রোগের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় শুরু হয়েছে টিকা কার্যক্রম।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘ওরাল ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন’ উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ.টি.এম সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ সাম্প্রতিক সময়ে কলেরার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক দাতা গোষ্ঠী সহ অংশীজনদের সহযোগিতায় বৃহৎ এই ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘

কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির, উখিয়া উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন, টেকনাফের হোয়াইক্যং ও হ্নীলা, রামুর খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ৪ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের ১ থেকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ১৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫১৪ জন রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে খাওয়ানো হবে ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন। যাদের মধ্যে রোহিঙ্গা ৯ লাখ ৪৮ হাজার ৫১৭ জন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী ৪ লাখ ৭ হাজার ৯৯৭ জন।

২১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইনে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ১ হাজার ৬০৫টি দলে বিভক্ত হয়ে ৩ হাজার ২১০ জন স্বেচ্ছাসেবী বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভ্যাকসিন খাওয়াবেন। পাশাপাশি স্থানীয় বাংলাদেশিদের জন্য ২৭২টি দলের ৭৪৪ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রতিদিন ৩০০ জনকে টিকা দেবেন।

কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. টিটু চন্দ্র শীল জানান, ‘জেলায় এখন পর্যন্ত কলেরা শনাক্ত হওয়া রোগীদের কেউ মারা যায়নি, সবাই সুস্থ আছে।’

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ইউভিকল এবং ইউভিকল প্লাস নামের মুখে খাওয়ার এই টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এক বছরের বেশি বয়সী সবাইকে এই টিকা দেওয়া সম্ভব। তবে গর্ভবতী নারী ও গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের টিকা দেওয়া হবে না।

কারও কারও এই টিকা খাওয়ার পর অল্প অল্প বমিভাব, পেটব্যাথা, ডায়রিয়াসহ অন্য সমস্যা হতে পারে, তবে তা দ্রুত সেরে যাবে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গর্জনিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র ওয়াসিম নাপিতেরচর স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচিত

কলেরার প্রকোপ কমাতে টিকা কার্যক্রম শুরু, দেওয়া হচ্ছে সাড়ে ১৩ লাখ টিকা

আপডেট সময় : ০২:২৭:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির এবং আশপাশের এলাকায় কলেরা রোগের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় শুরু হয়েছে টিকা কার্যক্রম।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘ওরাল ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন’ উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ.টি.এম সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ সাম্প্রতিক সময়ে কলেরার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক দাতা গোষ্ঠী সহ অংশীজনদের সহযোগিতায় বৃহৎ এই ক্যাম্পেইনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘

কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির, উখিয়া উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন, টেকনাফের হোয়াইক্যং ও হ্নীলা, রামুর খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ৪ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের ১ থেকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ১৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫১৪ জন রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে খাওয়ানো হবে ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন। যাদের মধ্যে রোহিঙ্গা ৯ লাখ ৪৮ হাজার ৫১৭ জন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী ৪ লাখ ৭ হাজার ৯৯৭ জন।

২১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইনে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ১ হাজার ৬০৫টি দলে বিভক্ত হয়ে ৩ হাজার ২১০ জন স্বেচ্ছাসেবী বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভ্যাকসিন খাওয়াবেন। পাশাপাশি স্থানীয় বাংলাদেশিদের জন্য ২৭২টি দলের ৭৪৪ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রতিদিন ৩০০ জনকে টিকা দেবেন।

কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. টিটু চন্দ্র শীল জানান, ‘জেলায় এখন পর্যন্ত কলেরা শনাক্ত হওয়া রোগীদের কেউ মারা যায়নি, সবাই সুস্থ আছে।’

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ইউভিকল এবং ইউভিকল প্লাস নামের মুখে খাওয়ার এই টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এক বছরের বেশি বয়সী সবাইকে এই টিকা দেওয়া সম্ভব। তবে গর্ভবতী নারী ও গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিদের টিকা দেওয়া হবে না।

কারও কারও এই টিকা খাওয়ার পর অল্প অল্প বমিভাব, পেটব্যাথা, ডায়রিয়াসহ অন্য সমস্যা হতে পারে, তবে তা দ্রুত সেরে যাবে বলে জানান তিনি।