ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু কুতুবদিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৫, ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হেরেও রেকর্ড করলো মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দল পরিবেশের দোহাই দিয়ে কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্তকারীদের হটাতে হবে- মানববন্ধনে বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেনারেটরে ওড়না পেঁচিয়ে আইওএমের নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু ২২ বছরেও সংস্কার হয়নি পেকুয়ার সিরাদিয়া সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ টেকনাফে র‍্যাবের পৃথক অভিযান: বিদেশি এসএমজি উদ্ধার, ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক দর্শকের ঢল সামলাতে ব্যর্থ জেলা স্টেডিয়াম: আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি! উখিয়ায় যুবদল নেতার নেতৃত্বে ইয়াবা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চকরিয়ায় বসতঘরে অভিযান, ইয়াবা-গাঁজা ও নগদ টাকাসহ নারী কারবারি গ্রেপ্তার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা ৬ অক্টোবর বাংলাদেশে খেলতে চায় ব্রাজিল বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার বঙ্গোপসাগর লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

খুনের মামলায় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদের রিমান্ড মঞ্জুর

খুনের মামলায় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী অঞ্চল) কাজী মো. তারেক আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের ২৯ আগস্ট অক্সিজেন–কুয়াইশ সড়কের অনন্যা আবাসিক এলাকায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি খুন বায়েজিদ বোস্তামী থানা সীমানা–সংলগ্ন হাটহাজারীতে পড়েছে। সেই খুনের মামলায় সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের ২৯ আগস্ট চট্টগ্রাম নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকা–সংলগ্ন অক্সিজেন–কুয়াইশ সড়কে দুই যুবককে গুলি করা হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলেন মাসুদ কায়সার ও মো. আনিস। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকায় নাহার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে দিয়ে দুজন হেঁটে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেলে আসা দুষ্কৃতকারীর ছোড়া গুলিতে আনিস ঘটনাস্থলে মারা যান। কায়সার দৌড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে তাঁকে ধাওয়া করে ধরে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় কায়সারকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাসুদ কায়সারকে যেখানে গুলি করে খুন করা হয়েছে, সেটি নগরের শেষ প্রান্ত পেরিয়ে হাটহাজারী উপজেলার কুয়াইশ এলাকায় পড়েছে। এ জন্য তাঁর ভাই মো. আরিফ বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলা করেন। মামলায় সাজ্জাদসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। এতে পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে খুনের কথা উল্লেখ করা হয়।

গত ১৫ মার্চ ঢাকার একটি শপিং মল থেকে সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে তাঁকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন নগর পুলিশ কমিশনার। সাজ্জাদ বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি আরিফুর রহমানকে ফেসবুক লাইভে এসে পেটানোর হুমকি দেওয়ার পর ৩০ জানুয়ারি ধরিয়ে দিতে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির ১৫টি মামলা রয়েছে। সাজ্জাদ কারাগারে থাকার সময় ২৯ মার্চ নগরের বাকলিয়ায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় করা মামলায়ও সাজ্জাদকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকাহীন মহেশখালী খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে মাঠ মাতালো রামু

খুনের মামলায় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

খুনের মামলায় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন নাহার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী অঞ্চল) কাজী মো. তারেক আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, গত বছরের ২৯ আগস্ট অক্সিজেন–কুয়াইশ সড়কের অনন্যা আবাসিক এলাকায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি খুন বায়েজিদ বোস্তামী থানা সীমানা–সংলগ্ন হাটহাজারীতে পড়েছে। সেই খুনের মামলায় সাজ্জাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের ২৯ আগস্ট চট্টগ্রাম নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকা–সংলগ্ন অক্সিজেন–কুয়াইশ সড়কে দুই যুবককে গুলি করা হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলেন মাসুদ কায়সার ও মো. আনিস। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নগরের অনন্যা আবাসিক এলাকায় নাহার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে দিয়ে দুজন হেঁটে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেলে আসা দুষ্কৃতকারীর ছোড়া গুলিতে আনিস ঘটনাস্থলে মারা যান। কায়সার দৌড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর মোটরসাইকেল নিয়ে তাঁকে ধাওয়া করে ধরে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় কায়সারকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাসুদ কায়সারকে যেখানে গুলি করে খুন করা হয়েছে, সেটি নগরের শেষ প্রান্ত পেরিয়ে হাটহাজারী উপজেলার কুয়াইশ এলাকায় পড়েছে। এ জন্য তাঁর ভাই মো. আরিফ বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলা করেন। মামলায় সাজ্জাদসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। এতে পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে খুনের কথা উল্লেখ করা হয়।

গত ১৫ মার্চ ঢাকার একটি শপিং মল থেকে সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে তাঁকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন নগর পুলিশ কমিশনার। সাজ্জাদ বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি আরিফুর রহমানকে ফেসবুক লাইভে এসে পেটানোর হুমকি দেওয়ার পর ৩০ জানুয়ারি ধরিয়ে দিতে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির ১৫টি মামলা রয়েছে। সাজ্জাদ কারাগারে থাকার সময় ২৯ মার্চ নগরের বাকলিয়ায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় করা মামলায়ও সাজ্জাদকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো