ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৫, ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হেরেও রেকর্ড করলো মহেশখালী উপজেলা ফুটবল দল পরিবেশের দোহাই দিয়ে কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্তকারীদের হটাতে হবে- মানববন্ধনে বক্তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেনারেটরে ওড়না পেঁচিয়ে আইওএমের নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু ২২ বছরেও সংস্কার হয়নি পেকুয়ার সিরাদিয়া সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ টেকনাফে র‍্যাবের পৃথক অভিযান: বিদেশি এসএমজি উদ্ধার, ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক দর্শকের ঢল সামলাতে ব্যর্থ জেলা স্টেডিয়াম: আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি! উখিয়ায় যুবদল নেতার নেতৃত্বে ইয়াবা ছিনতাইয়ের অভিযোগ চকরিয়ায় বসতঘরে অভিযান, ইয়াবা-গাঁজা ও নগদ টাকাসহ নারী কারবারি গ্রেপ্তার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা ৬ অক্টোবর বাংলাদেশে খেলতে চায় ব্রাজিল বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার বঙ্গোপসাগর লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত মহেশখালী দলে খেলছে না জাতীয় ও পরিচিত কোনো স্টার প্লেয়ার: অফিশিয়ালদের বিরুদ্ধে সমালোচনা

স্বামীকে দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় প্রাণ গেল স্ত্রীর

দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় ক্যান্সার আক্রান্ত স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছেন স্বামী। মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের রাথুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন স্বামী সেকেন্দার আলী।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এর আগে গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে ঘিওর উপজেলার রাথুরা এলাকার সেকেন্দার আলীর নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায় , গত ২০২২ সাল থেকে নিহত লায়লা আরজু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ ছিলেন। তার স্বামী সেকেন্দার আলী চর্মরোগে আক্রান্ত ছিলেন। ফলে স্বামী-স্ত্রী আদালা রুমে থাকতেন। তাদের মধ্যে শারীরিক সর্ম্পক না থাকায় সেকেন্দার আলী দ্বিতীয় বিয়ের জন্য সম্মতি চাইলে স্ত্রী লায়লা আরজু তাতে সম্মতি না দিয়ে বাধা দেন।

এ নিয়ে গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্রে করে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সেকেন্দার আলী তার স্ত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ঘরের মেঝেতে ফেলে দেন এবং রান্না ঘর থেকে ছুরি এনে স্ত্রীর গলায় আঘাত করেন। এরপর আঘাতে কারণে রক্ত বের হলে ওড়না দিয়ে তার স্ত্রীর গলা বেঁধে ঘরের মেঝেতে ফেলে রেখে বাজারে যান।

পরে বাজার থেকে ফিরে স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে আশপাশের লোকজন জড় করেন । এরপর স্থানীয় ডাক্তার ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) নিহতের ভাই মাইনুল ইসরাম মুকুল বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পরে অভিযুক্ত নিহতে স্বামী সেকেন্দার আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াসমিন খাতুন সংবাদ সম্মেলনে জানান, ঘটনার পর তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার ও সোর্সের মাধ্যমে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৫, ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার

স্বামীকে দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় প্রাণ গেল স্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় ক্যান্সার আক্রান্ত স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছেন স্বামী। মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের রাথুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন স্বামী সেকেন্দার আলী।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এর আগে গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে ঘিওর উপজেলার রাথুরা এলাকার সেকেন্দার আলীর নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায় , গত ২০২২ সাল থেকে নিহত লায়লা আরজু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ ছিলেন। তার স্বামী সেকেন্দার আলী চর্মরোগে আক্রান্ত ছিলেন। ফলে স্বামী-স্ত্রী আদালা রুমে থাকতেন। তাদের মধ্যে শারীরিক সর্ম্পক না থাকায় সেকেন্দার আলী দ্বিতীয় বিয়ের জন্য সম্মতি চাইলে স্ত্রী লায়লা আরজু তাতে সম্মতি না দিয়ে বাধা দেন।

এ নিয়ে গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্রে করে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সেকেন্দার আলী তার স্ত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ঘরের মেঝেতে ফেলে দেন এবং রান্না ঘর থেকে ছুরি এনে স্ত্রীর গলায় আঘাত করেন। এরপর আঘাতে কারণে রক্ত বের হলে ওড়না দিয়ে তার স্ত্রীর গলা বেঁধে ঘরের মেঝেতে ফেলে রেখে বাজারে যান।

পরে বাজার থেকে ফিরে স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে আশপাশের লোকজন জড় করেন । এরপর স্থানীয় ডাক্তার ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) নিহতের ভাই মাইনুল ইসরাম মুকুল বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পরে অভিযুক্ত নিহতে স্বামী সেকেন্দার আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াসমিন খাতুন সংবাদ সম্মেলনে জানান, ঘটনার পর তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার ও সোর্সের মাধ্যমে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন এবং আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।