তারেক রহমানের নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল নতুন বাংলাদেশের। নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে গঠিত এ মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন মোট ৪৯ জন সদস্য, এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। রাজনৈতিক মহলে এই সমন্বিত কাঠামোকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে, যেখানে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মেলবন্ধনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদের মতে, এবারের মন্ত্রিসভা গঠনে দলীয় অবদান, ত্যাগ ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক পরিশ্রমকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “দলের জন্য যারা দীর্ঘ সময় ধরে কষ্ট করেছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করেই মন্ত্রীপরিষদ গঠন করা হয়েছে। এতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা যাবে।
নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়ে গঠিত বর্তমান মন্ত্রিসভার পূর্ণ মন্ত্রীরা রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ এবং প্রশাসনিক দিক থেকেও দক্ষ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, অভিজ্ঞ নেতৃত্বের উপস্থিতি সরকার পরিচালনায় স্থিতিশীলতা, নীতি-নির্ধারণে ধারাবাহিকতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরিপক্বতা নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে তরুণ প্রতিমন্ত্রীদের অন্তর্ভুক্তি নতুন ধারণা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে নিয়ে আসবে, যা পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সব মিলিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে ইতিবাচক প্রত্যাশাই বেশি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় ত্যাগীদের মূল্যায়ন, অভিজ্ঞ নেতৃত্বের উপস্থিতি এবং নবীনদের সম্পৃক্ততা সরকারের প্রতি জনআস্থা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকা: 




















