ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১৭ গ্রেপ্তার ওভারটেকের সময় ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো সিএনজি, প্রাণ গেল দুই যাত্রীর পেকুয়ায় গরুর কা/টা মাথার সূত্র ধরেই মিলল চোরের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৩ শাহপরীর দ্বীপে সাড়ে চার কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল কক্সবাজারে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা আজ পৃথিবীর মন খারাপ: ‘বিদায়’ বললেন, ফুটবলের কবি হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ সাগরে লঘুচাপ, টানা বৃষ্টির আভাস দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী বিশ্ববাজারে ১০১ ডলারে পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।

ট্যাগ :

কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১৭ গ্রেপ্তার

মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে সরকার গঠনের ন্যূনতম নীতিগত শর্ত দু’টি বিষয়ে আপসহীনতা দাবি করে; ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান এবং নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

যে কোনো রাজনৈতিক শক্তি যদি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অস্বীকার করে, বিকৃত করে বা তার নৈতিক ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তবে সে শক্তি গণতান্ত্রিক বৈধতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। একইভাবে, যে রাজনীতি নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক সমঅধিকারকে সীমিত করে, তা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশের সংবিধান, রাষ্ট্রচিন্তা এবং গণরায়; তিনটিই এই বিষয়ে স্পষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার কোনো দলীয় ইস্যু নয়; এগুলো রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তি। এই ভিত্তিকে অস্বীকার করে সাময়িক রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব হলেও টেকসই সরকার গঠন সম্ভব নয়।

গণতন্ত্রের বাস্তবতা এখন পরিষ্কার; ক্ষমতা অর্জনের প্রশ্নে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের মৌলিক মূল্যবোধে কোনো আপস নেই।