ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফের সাবরাংয়ে জেটি হবে, পর্যটকেরা যেতে পারবেন সেন্ট মার্টিন হ্নীলা মডেল ফারিয়া’র সভাপতি নির্বাচিত হলেন মোকতার হোসাইন সোহেল নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৫টি আইইডিসহ বিপুল বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার নাকফুল হারালেন পরীমনি! সিটের নিচে ৩০ হাজার ইয়াবা, সিএনজি চালক আটক রামুর বিজিবি কোয়ার্টারে এক নারীর আত্মহত্যা চকরিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সহায়তা টেকনাফের নিখোঁজ কিশোরীকে চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার করলো র‍্যাব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী কক্সবাজার আসছেন শনিবার টেকনাফে মুরগির খামার থেকে ৫ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, মালিক পলাতক শহরে কিস্তির টাকার বিরোধে প্রতিবেশীকে খুন, যুবক আটক রোহিঙ্গা যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মাছ ধরতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে উড়ে গেল রোহিঙ্গা যুবকের পা সংকটে কাজে আসছেনা: মহেশখালীতে তেল খালাস ও পরিবহনে নির্মিত এসপিএম প্রকল্প পড়ে আছে প্রাইভেটকারের তেলের ট্যাংকে ৪২ হাজার ইয়াবা, আটক ৩

রঙ্গীখালীতে দুই স’ন্ত্রা’সী গ্রুপের মধ্যে ফের গো’লাগু’লি : আ’তং’কিত স্থানীয়রা

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর উলুচামরী ও কোনাপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়শ দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

নিরাপত্তা জনিত কারণে নাম না প্রকাশ করার শর্তে স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, আনোয়ার ওরফে লেডাইয়া গ্রুপ এবং জালাল প্রকাশ লাশ জালাল গ্রুপের মধ্যে আবারও এই সংঘর্ষ হয়। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর একই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি চলে। দুই গ্রুপের প্রধানদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, অপহরণ ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রটি জানায়, উলুচামরীর আনোয়ার প্রকাশ লেডাইয়া এবং কোনারপাড়ার জালাল প্রকাশ লাশ জালাল আধিপত্য বজায় রাখতে নিজেদের সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলে। দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক গুলির শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে উঠছে। ফলে উলুচামরী ও কোনাপাড়ার মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।

সূত্রটি আরো জানায়, অপহরণ ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা মিয়ানমার থেকে আনা আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। মঙ্গলবার রাতেও প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গুলিবিনিময় হয়েছে। পুরো এলাকা এখন দুই গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আনোয়ার ও জালাল বাহিনীর তৎপরতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে, অথচ তারা এলাকায় নির্বিঘ্নে চলাফেরা করছে। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করলে এলাকায় শান্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জায়েদ নূর বলেন, হ্নীলা উলুচামরী এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে হ্নীলা আলীখালী, উলুচামরী ও কোনাপাড়া এলাকায় স্থানীয় কিছু মাদককারবারি ক্যাম্প কেন্দ্রিক বড় বড় সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলেছে। মাদক পাচার, অপহরণ, ডাকাতি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এসব গ্রুপের মধ্যে প্রায়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, ফলে এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রঙ্গীখালীতে দুই স’ন্ত্রা’সী গ্রুপের মধ্যে ফের গো’লাগু’লি : আ’তং’কিত স্থানীয়রা

আপডেট সময় : ১২:৪৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালীর উলুচামরী ও কোনাপাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়শ দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। এতে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

নিরাপত্তা জনিত কারণে নাম না প্রকাশ করার শর্তে স্থানীয় একটি সূত্র বলছে, আনোয়ার ওরফে লেডাইয়া গ্রুপ এবং জালাল প্রকাশ লাশ জালাল গ্রুপের মধ্যে আবারও এই সংঘর্ষ হয়। এর আগে গত ১৬ অক্টোবর একই এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি চলে। দুই গ্রুপের প্রধানদের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, অপহরণ ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রটি জানায়, উলুচামরীর আনোয়ার প্রকাশ লেডাইয়া এবং কোনারপাড়ার জালাল প্রকাশ লাশ জালাল আধিপত্য বজায় রাখতে নিজেদের সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলে। দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক গুলির শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে উঠছে। ফলে উলুচামরী ও কোনাপাড়ার মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।

সূত্রটি আরো জানায়, অপহরণ ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের জন্য তারা মিয়ানমার থেকে আনা আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। মঙ্গলবার রাতেও প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গুলিবিনিময় হয়েছে। পুরো এলাকা এখন দুই গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আনোয়ার ও জালাল বাহিনীর তৎপরতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে, অথচ তারা এলাকায় নির্বিঘ্নে চলাফেরা করছে। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করলে এলাকায় শান্তি ফিরতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জায়েদ নূর বলেন, হ্নীলা উলুচামরী এলাকায় দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। যারা এ ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে হ্নীলা আলীখালী, উলুচামরী ও কোনাপাড়া এলাকায় স্থানীয় কিছু মাদককারবারি ক্যাম্প কেন্দ্রিক বড় বড় সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলেছে। মাদক পাচার, অপহরণ, ডাকাতি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এসব গ্রুপের মধ্যে প্রায়ই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, ফলে এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।