ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল ও মিষ্টি বিতরণ মাদক উদ্ধারে সদরের ওসি ছমিউদ্দিন পুরস্কৃত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার ১০ উপদেষ্টা নিয়োগ সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মেলবন্ধনে সরকার গঠন, নেতৃত্বে নতুন গতি মাহে রমজানের পবিত্রতা বজায় রাখতে জামায়াত আমিরের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে? তিন বছরে তিন সরকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পাননি বিএনপির যে জ্যেষ্ঠ নেতারা বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর, উপনেতা তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ স্বাধীনতার পর প্রথম পূর্ণ মন্ত্রী পেল কক্সবাজার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শপথ সম্পন্ন মন্ত্রিসভায় থাকছেন ৩ নারী
বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমেদ

সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনর্বহাল করা হবে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনর্বহাল করা হবে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত খতমে নবুয়ত মহাসম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা যে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করেছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে আজকে এখানে সবার বক্তব্য শুনছেন সেটা দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছি। এই শৃঙ্খলা, এই শান্তিপূর্ণভাবে বক্তব্য শোনার মানসিকতা; আপনাদের দিলে কি চলছে আমি জানি। আপনাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ জন্যই এখানে এসেছি।

আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন কর্মী। আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথমবারের মতো ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেছিলেন। সেটা এখনো বহাল আছে। অনেকেই এটা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কিন্তু পারেনি। কিন্তু যেটা বহাল নাই; রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেটা সংযোজন করেছিলেন— মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস সংবিধানের প্রস্তাবনায় ছিল এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ছিল, অনুচ্ছেদ ৮ এর মধ্যে। সেটা তুলে দেওয়া হয়েছে আপনারা জানেন। আপনারা কি চান আমরা সেটা পুনর্বহাল করি? ইনশাল্লাহ আমরা সেটা পুনর্বহাল করব।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এখানে বিদেশি মেহমানরা যারা কথা বলেছেন, তারা আল্লামা ইকবালের (মুসলিম চিন্তাবিদ) শের বলে গিয়েছেন। আপনারা শুনেছেন কোরআনের বাণী। রাসুল (সা.) কে আল্লাহ তায়ালা সারা বিশ্বের রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছেন। আমরা মুসলমান। আমরা ‘লা ইলাহা আল্লাহু মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ’তে বিশ্বাস করি। রাসুল (সা.) বলে গিয়েছেন, ‘আমিই সর্বশেষ নবী। আমার পরে কোনো নবী আসবে না।’ যদি এরপরও কেউ নিজেকে নবী ঘোষণা করে বা দাবি করে তাহলে তিনি রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই ঘোষণার মধ্যে নাই। আল্লামা ইকবাল বলেছিলেন— ‘কি মুহাম্মদ সে ওয়াফা তুনে তো হাম তেরে হ্যায়…’।

সালাহউদ্দিন বলেন, আমরা নবী সাল্লালাহু সাল্লামকে আখেরি নবী হিসেবে বিশ্বাস করি, কলেমা পড়ে আমরা মুসলমান হয়েছি। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা বাংলাদেশের পরিচয় বিশ্বাস করি। কিন্তু সারা বিশ্বে সমস্ত মুসলমান মিল্লাতে ইসলামিয়া। মুসলিম হিসেবে আমাদের এই বিভক্তির কারণে আজ প্যালেস্টাইন আমাদের ভাইদের উপর হত্যাযজ্ঞ চলছে। সারা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় আমাদের রোহিঙ্গা ভাইদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হতে হচ্ছে। শুধু আমাদের দুর্বলতার কারণে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব আমাদের দেয়; এদেশের জনগণ যদি মহব্বত করে আমাদের দায়িত্ব দেয়- যদি আপনারা সবাই সহযোগিতা করেন তাহলে আপনাদের আজকের এই যে দাবি-দাওয়া এসব দাবিদাওয়ার পক্ষে আমরা। এসব দাবি নিয়ে সংসদে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে কানুনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। এজন্য সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সারা বাংলাদেশের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করবো। যারা রসুলুল্লাহর পক্ষে নয় তারা মুসলমান হতে পারে না।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমেদ

সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনর্বহাল করা হবে

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস’ পুনর্বহাল করা হবে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত খতমে নবুয়ত মহাসম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা যে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করেছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে আজকে এখানে সবার বক্তব্য শুনছেন সেটা দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছি। এই শৃঙ্খলা, এই শান্তিপূর্ণভাবে বক্তব্য শোনার মানসিকতা; আপনাদের দিলে কি চলছে আমি জানি। আপনাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ জন্যই এখানে এসেছি।

আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন কর্মী। আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথমবারের মতো ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেছিলেন। সেটা এখনো বহাল আছে। অনেকেই এটা সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কিন্তু পারেনি। কিন্তু যেটা বহাল নাই; রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেটা সংযোজন করেছিলেন— মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস সংবিধানের প্রস্তাবনায় ছিল এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ছিল, অনুচ্ছেদ ৮ এর মধ্যে। সেটা তুলে দেওয়া হয়েছে আপনারা জানেন। আপনারা কি চান আমরা সেটা পুনর্বহাল করি? ইনশাল্লাহ আমরা সেটা পুনর্বহাল করব।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এখানে বিদেশি মেহমানরা যারা কথা বলেছেন, তারা আল্লামা ইকবালের (মুসলিম চিন্তাবিদ) শের বলে গিয়েছেন। আপনারা শুনেছেন কোরআনের বাণী। রাসুল (সা.) কে আল্লাহ তায়ালা সারা বিশ্বের রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছেন। আমরা মুসলমান। আমরা ‘লা ইলাহা আল্লাহু মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ’তে বিশ্বাস করি। রাসুল (সা.) বলে গিয়েছেন, ‘আমিই সর্বশেষ নবী। আমার পরে কোনো নবী আসবে না।’ যদি এরপরও কেউ নিজেকে নবী ঘোষণা করে বা দাবি করে তাহলে তিনি রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই ঘোষণার মধ্যে নাই। আল্লামা ইকবাল বলেছিলেন— ‘কি মুহাম্মদ সে ওয়াফা তুনে তো হাম তেরে হ্যায়…’।

সালাহউদ্দিন বলেন, আমরা নবী সাল্লালাহু সাল্লামকে আখেরি নবী হিসেবে বিশ্বাস করি, কলেমা পড়ে আমরা মুসলমান হয়েছি। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমরা বাংলাদেশের পরিচয় বিশ্বাস করি। কিন্তু সারা বিশ্বে সমস্ত মুসলমান মিল্লাতে ইসলামিয়া। মুসলিম হিসেবে আমাদের এই বিভক্তির কারণে আজ প্যালেস্টাইন আমাদের ভাইদের উপর হত্যাযজ্ঞ চলছে। সারা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় আমাদের রোহিঙ্গা ভাইদের হত্যাযজ্ঞের শিকার হতে হচ্ছে। শুধু আমাদের দুর্বলতার কারণে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যদি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব আমাদের দেয়; এদেশের জনগণ যদি মহব্বত করে আমাদের দায়িত্ব দেয়- যদি আপনারা সবাই সহযোগিতা করেন তাহলে আপনাদের আজকের এই যে দাবি-দাওয়া এসব দাবিদাওয়ার পক্ষে আমরা। এসব দাবি নিয়ে সংসদে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে কানুনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। এজন্য সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সারা বাংলাদেশের মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করবো। যারা রসুলুল্লাহর পক্ষে নয় তারা মুসলমান হতে পারে না।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট