কক্সবাজারে ৪ লক্ষ ৬০ হাজার পিস ইয়াবা সহ ৯ জন মাদক কারবারিকে আটক করার কথা জানিয়েছে র্যাব। টেকনাফ থেকে মাছ ধরার ট্রলারে করে কক্সবাজার শহরে মাদকের চালান প্রবেশ করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ কারবারিদের আটক করতে সক্ষম হয় বলে জানায় র্যাব-১৫।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাত ১১ টা ৫৪ মিনিটে র্যাব-১৫ এর মুখপাত্র সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী আটককৃতরা হলেন, কক্সবাজার শহরের পেশকারপাড়ার আব্বাস উদ্দিন (৪৮), চকরিয়া বড়ইতলির মোঃ আবু তাহের (৪২), ঈদগাঁও ইসলামাবাদ বোয়ালখালীর মোঃ ফিরোজ (৩৮), ঈদগাঁও দক্ষিণ মাইজপাড়ার মোস্তাক আহাম্মদ (৪০), কক্সবাজার সদরের লাহারপাড়া বাস টার্মিনাল এলাকার নবী হোসেন (৩৮) ও একই এলাকার জাফর আলম (৬৩), চকরিয়া ডুলাহাজারা ডুমখালীর মোঃ শাহাব উদ্দিন (৫৫), টেকনাফ হ্নীলা লেচুপ্রাং এর মোঃ সেলিম (৬৮) এবং চকরিয়া ঘুনাখলী লম্বাতলীর আবুল কালাম প্রঃ কালু (৭০)।
র্যাব-১৫ এর মুখপাত্র আ. ম. ফারুকের পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, র্যাবের ক্রমাগত মাদক বিরোধী অভিযান এবং চলমান গোয়েন্দা তৎপরতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থেকে কিছু মাদক কারবারি ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে মাছ ধরার ট্রলারে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা করেছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রাখে র্যাব।
“এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিকেলে অধিনায়ক র্যাব ১৫ এর দিকনির্দেশনায় কক্সবাজার শহরের ১নং ওয়ার্ড নাজিরারটেক বাঁকখালী নদীর মোহনায় র্যাব ১৫ এর একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ট্রলারটিকে আটক করতে সক্ষম হয়। উক্ত ট্রলার থেকে তেলের ড্রামের ভিতরে কৌশলে লুকায়িত অবস্থায় ৪ লক্ষ ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৯ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত ট্রলারটিকে ফিশারীঘাট এলাকায় নিয়ে আসা হয়।” উল্লেখ করা হয় ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃত আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জব্দকৃত ট্রলারটির মালিক ও ইয়াবা চালানের মূল হোতা মোঃ বোরহান উদ্দিন। যার বাড়ি মহেশখালী এবং সে পলাতক রয়েছে। আটককৃতরা দীর্ঘদিন যাবৎ অভিনব কায়দায় বিভিন্ন পথে তাদের মাদকদ্রব্য পাচার করে আসছে।
আটককৃত মাদকদ্রব্য ও আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলেও জানানো হয় র্যাবের ওই বিজ্ঞপ্তিতে।