ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মামলা দিয়ে অনুসন্ধানি সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না-মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা চকরিয়ার মালুম ঘাটে সেনাবাহিনীর অভিযান: সন্ত্রাসী আটক গর্জনিয়ায় যৌথবাহিনীর হাতে আটক আরএসও সদস্য গণতন্ত্রের আরেক নাম বিএনপি- পেকুয়ায় পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ সি-ট্রাক উদ্বোধনের ফলে কুতুবদিয়াবাসীর আকাঙ্খা পূরণ হবে- নৌ উপদেষ্টা কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে কোটি টাকার লেনদেনের নথি ও অস্ত্রসহ আটক ৪ চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার পরিবারের আত্মার ও আবেগের সম্পর্ক : তারেক রহমান চট্টগ্রামের ভাষায় তারেক রহমান বললেন, ‘অনেরা ক্যান আছন’ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দেশ গঠনে তরুণদের পরামর্শ চান তারেক রহমান রামুতে পাওয়া গেল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বড় বো মা!  আবু সাঈদ হত্যা মামলায় তৃতীয় দিনের যুক্তিতর্ক আজ ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আধিপত্যবাদীদের লাল কার্ড দেওয়া হবে: শফিকুর জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব- সিদ্ধান্ত বিসিবির

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মামলা দিয়ে অনুসন্ধানি সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না-মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা

This will close in 6 seconds

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।