ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সীমান্তে মাদককারবারির সাথে বিজিবির গুলি বিনিময়: পৌনে ১০ লাখ ইয়াবা উদ্ধার শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে ‘মব কালচার শেষ’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফুটবলার মেসুত ওজিল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পুত্র বিলাল কক্সবাজার আসছেন বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের আকাশে দেখা গেলো রমজানের চাঁদ : রোজা শুরু বৃহস্পতিবার উখিয়ায় ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হলো কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের অফিস সাগরে পথে সিমেন্ট পাচারকালে আটক ১১ ভাই সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক ছাত্রদল নেতা এনামের খোলা চিঠি অটোরিকশা থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেড় কিলোমিটার ধাওয়া করে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে গুম হওয়া সালাহউদ্দিন আহমদ এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী!

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে মাদককারবারির সাথে বিজিবির গুলি বিনিময়: পৌনে ১০ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

This will close in 6 seconds

স্বামীকে হত্যা করে কৌশলে বাদি সাজে স্ত্রী, অতঃপর পুলিশের জালে আটক

আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় আলোচিত জসিম উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ।

শনিবার ভোরে পেকুয়া থানার এসআই সুনয়ন বড়ুয়ার নেতৃত্বে কক্সবাজার শহরের পিটি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া সেগুন বাগিচা এলাকায় গত বছরের ১০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ ঘরে খুন হন জসিম উদ্দিন।
তদন্তে বেরিয়ে আসে তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারের সঙ্গে একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে স্বামী জসিম উদ্দিন তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেললে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

হত্যার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে সেলিনা আক্তার পরদিন নিজেই বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি প্রতিবেশী চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মনছুর আলম ও জহির আলম-কে আটকও করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুনয়ন বড়ুয়া দীর্ঘ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেন। তদন্তে জসিম উদ্দিন হত্যায় স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও তার পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।

ঘটনার এক মাস সাত দিন পর, নিহতের বাবা মো. নুর আহমদ বাদি হয়ে নতুন করে মামলা দায়ের করেন। এতে সেলিনা আক্তারকে প্রধান আসামি এবং আব্দুর রাজ্জাকসহ আরও দুইজনকে আসামি করা হয়।

মামলার পর থেকেই সেলিনা আক্তার পলাতক ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, শিলখালী এলাকার স্বামী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সেলিনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।