ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে? তিন বছরে তিন সরকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পাননি বিএনপির যে জ্যেষ্ঠ নেতারা বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর, উপনেতা তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ স্বাধীনতার পর প্রথম পূর্ণ মন্ত্রী পেল কক্সবাজার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শপথ সম্পন্ন মন্ত্রিসভায় থাকছেন ৩ নারী ‘বাটোয়ারার নির্বাচন মেনে নিয়ে বিরোধিতার নাটক বন্ধ করুন’: মাহফুজ আলম মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জন করছে এনসিপি গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট নতুন সরকারে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাহউদ্দিন আহমদ হচ্ছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ঢাকায় এসেছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ও পররাষ্ট্র সচিব ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেলেন যাঁরা

রেললাইন ঘিরে মৃত্যুর মিছিল: দায় কার?

সকালের আলো তখন ঠিক পুরোপুরি নামেনি। কক্সবাজারের উপকূল ঘেঁষা গ্রামে কেউ গরু নিয়ে ছুটছে, কেউ আবার শিশুকে কোলে নিয়ে কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে আছে চকচকে নতুন রেল লাইনের দিকে। সবাই জানে না, মৃত্যু তাদের খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে। ট্রেনের গর্জন যখন হঠাৎ বুকে আঘাত করে, কেউ দৌড়াতে পারে না, কেউ বোঝে না কতটা কাছে এসেছে বিপদ।

এই রেললাইনটা শুধু লোহা আর পাথরের নয়, এটা সেই মাটির উপর গড়ে উঠেছে, যেখানে কারও বাপদাদার ভিটে ছিল, কারও জীবনের স্মৃতি। সরকার ক্ষতিপূরণ দিয়েছে, কিন্তু ভালোবাসা আর শেকড়ের অনুভূতি কখনো টাকার বিনিময়ে ফেরত পাওয়া যায় না। যাদের জন্ম রেল লাইনের শব্দ ছাড়াই হয়েছে, তারা ট্রেনের আগমন অনুভব করতে জানে না। তারা জানে, হঠাৎ আলোয় ভরা এক দানব আসে, কিন্তু কীভাবে বাঁচতে হয়, সেটা কেউ শেখায়নি।

দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চাভিলাষী অবকাঠামো প্রকল্প। বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে নির্মিত এই রেললাইন দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পর্যটন, অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলে দিয়েছে। কিন্তু উদ্বোধনের কিছুদিনের মধ্যেই প্রাণহানির খবর একের পর এক আসছে। স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক, শ্রমিক, এমনকি শিশুরাও রেললাইনে কাটা পড়ছে। চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত রেলপথেও ট্রেন চলে, কিন্তু সেখানে এমন দুর্ঘটনা আজ আর দেখা যায় না। কারণ, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় মানুষ শিখেছে কীভাবে ট্রেনের সঙ্গে সহাবস্থান করতে হয়। কিন্তু নতুন এই অঞ্চলের মানুষ এখনো জানে না, রেলের রাস্তা মানেই জীবনের ঝুঁকি।

সাংবাদিক তৌফিকুল ইসলাম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের কক্সবাজার প্রতিনিধি, বলেন, “দোহাজারী থেকে রামু পর্যন্ত দুর্ঘটনাগুলোর বড় কারণ হচ্ছে সচেতনতার অভাব। মানুষ জানে না ট্রেন কবে আসবে, কোথা দিয়ে যাবে, কোন জায়গায় পারাপার নিরাপদ। সরকার যদি আগে থেকেই প্রচারণা চালাতো, এই প্রাণহানি কমানো যেত।”

ইসলামপুর লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি সামশুল আলম আজাদ বলেন, “রেললাইন আমাদের জীবনের খুব কাছে চলে এসেছে। কিন্তু কেউ এসে বলেনি, বাচ্চাদের কীভাবে সাবধান করতে হবে বা কোথায় রেলক্রসিং। সবাই এখন ভয়ে থাকে, কিন্তু বুঝতে পারে না ট্রেন কবে আসে।”

চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী শেখ মোস্তফা রহমান বলেন, “রাষ্ট্রের মূল দায় জনগণের জীবন রক্ষা করা। রেলওয়ে যদি জানে, নতুন অঞ্চলে মানুষ রেলের ঝুঁকি সম্পর্কে অজ্ঞ, তাহলে সচেতনতা প্রচার না করা অবহেলা হিসেবে গণ্য হতে পারে। এটি কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।”

বাংলাদেশ রেলওয়ে চুনতি অভয়ারণ্য এলাকায় বন্যপ্রাণী রক্ষায় ‘ইকো ব্রিজ’ ও ‘অ্যানিমেল করিডর’ তৈরি করেছে, যাতে হাতি-হরিণ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, মানুষ রক্ষায় একই রকম উদ্যোগ দেখা যায়নি। ঢাকা পোস্টের কক্সবাজার প্রতিনিধি আলিফ মোহাম্মেদ ইমতিয়াজ নূর নিশান, বলেন, “রেলওয়ে যখন হাতির জন্য করিডর বানাতে পারে, তখন মানুষের জন্য অন্তত ফেন্সিং, সিগন্যাল বা কমিউনিটি সচেতনতা কর্মসূচি কেন নিতে পারে না? এটা উন্নয়নের মনোভাব নয়, উন্নয়নের অন্ধতা।”

আন্তর্জাতিক রেলওয়ে ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ অনুযায়ী, প্রতিটি রাষ্ট্রকে জনগণের জীবন সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সেইফগার্ড পলিসি স্টেটম্যান্ট ২০০৯ অনুযায়ী, যেকোনো অবকাঠামো প্রকল্পে ‘কমিউনিটি সেইফটি এওয়্যারনেস অপরিহার্য। অর্থাৎ, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও অর্থায়ন সংস্থা উভয়েরই এই প্রাণহানির দায় এড়ানো কঠিন। প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে যদি ” হিউম্যান সেইফটি ইমপ্যাক্ট এসেসম্যান্ট করা হতো, আজ এই দুর্ঘটনাগুলো কম হতো বা রোধ করা যেত।

ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের (ওনিরিলডিজ বনাম তুর্কি ২০০৪ ) মামলায় রাষ্ট্রকে জনগণের জীবনরক্ষায় অবহেলার জন্য দায়ী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। আদালত স্পষ্টভাবে বলে, “রাষ্ট্র যদি জানে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে মানবিক ঝুঁকি আছে, এবং তা প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেয়, তবে সেটি মানবাধিকার লঙ্ঘন।” বাংলাদেশও এখন একই বাস্তবতার মুখে দাঁড়িয়ে, যেখানে উন্নয়নের নামেই মৃত্যু প্রতিদিনের সংবাদ হয়ে উঠছে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন হতে পারত এক নতুন ভোরের প্রতীক। কিন্তু এখন তা অনেক পরিবারের কাছে শুধু এক শোকের প্রতীক। উন্নয়ন মানে কেবল অবকাঠামো নয়, মানুষের জীবন, ভালোবাসা, ও নিরাপত্তা রক্ষা। এখনো সময় আছে, স্কুলে সচেতনতা কর্মসূচি, গ্রামে প্রচারভ্যান, রেললাইনের পাশে ফেন্সিং, স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল, এবং ‘হিউম্যান সেফটি করিডর’ স্থাপনের মাধ্যমে এই মৃত্যুর মিছিল থামানো সম্ভব। কারণ, যে রেললাইন জীবনের পথ দেখাতে এসেছিল, সেটি যেন আর মৃত্যুর রেখা না হয়ে ওঠে।

শেখ জাহাঙ্গীর হাসান মানিক, লেখক ও চিন্তক

রেফারেন্স:
1. Asian Development Bank (2009). Safeguard Policy Statement.
2. Universal Declaration of Human Rights (1948), Article 3.
3. UIC Railway Safety Guidelines (2018).
4. Öneryıldız v. Turkey, European Court of Human Rights (2004).

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

রেললাইন ঘিরে মৃত্যুর মিছিল: দায় কার?

আপডেট সময় : ১২:০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

সকালের আলো তখন ঠিক পুরোপুরি নামেনি। কক্সবাজারের উপকূল ঘেঁষা গ্রামে কেউ গরু নিয়ে ছুটছে, কেউ আবার শিশুকে কোলে নিয়ে কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে আছে চকচকে নতুন রেল লাইনের দিকে। সবাই জানে না, মৃত্যু তাদের খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে। ট্রেনের গর্জন যখন হঠাৎ বুকে আঘাত করে, কেউ দৌড়াতে পারে না, কেউ বোঝে না কতটা কাছে এসেছে বিপদ।

এই রেললাইনটা শুধু লোহা আর পাথরের নয়, এটা সেই মাটির উপর গড়ে উঠেছে, যেখানে কারও বাপদাদার ভিটে ছিল, কারও জীবনের স্মৃতি। সরকার ক্ষতিপূরণ দিয়েছে, কিন্তু ভালোবাসা আর শেকড়ের অনুভূতি কখনো টাকার বিনিময়ে ফেরত পাওয়া যায় না। যাদের জন্ম রেল লাইনের শব্দ ছাড়াই হয়েছে, তারা ট্রেনের আগমন অনুভব করতে জানে না। তারা জানে, হঠাৎ আলোয় ভরা এক দানব আসে, কিন্তু কীভাবে বাঁচতে হয়, সেটা কেউ শেখায়নি।

দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চাভিলাষী অবকাঠামো প্রকল্প। বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে নির্মিত এই রেললাইন দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পর্যটন, অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলে দিয়েছে। কিন্তু উদ্বোধনের কিছুদিনের মধ্যেই প্রাণহানির খবর একের পর এক আসছে। স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক, শ্রমিক, এমনকি শিশুরাও রেললাইনে কাটা পড়ছে। চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত রেলপথেও ট্রেন চলে, কিন্তু সেখানে এমন দুর্ঘটনা আজ আর দেখা যায় না। কারণ, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় মানুষ শিখেছে কীভাবে ট্রেনের সঙ্গে সহাবস্থান করতে হয়। কিন্তু নতুন এই অঞ্চলের মানুষ এখনো জানে না, রেলের রাস্তা মানেই জীবনের ঝুঁকি।

সাংবাদিক তৌফিকুল ইসলাম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের কক্সবাজার প্রতিনিধি, বলেন, “দোহাজারী থেকে রামু পর্যন্ত দুর্ঘটনাগুলোর বড় কারণ হচ্ছে সচেতনতার অভাব। মানুষ জানে না ট্রেন কবে আসবে, কোথা দিয়ে যাবে, কোন জায়গায় পারাপার নিরাপদ। সরকার যদি আগে থেকেই প্রচারণা চালাতো, এই প্রাণহানি কমানো যেত।”

ইসলামপুর লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি সামশুল আলম আজাদ বলেন, “রেললাইন আমাদের জীবনের খুব কাছে চলে এসেছে। কিন্তু কেউ এসে বলেনি, বাচ্চাদের কীভাবে সাবধান করতে হবে বা কোথায় রেলক্রসিং। সবাই এখন ভয়ে থাকে, কিন্তু বুঝতে পারে না ট্রেন কবে আসে।”

চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী শেখ মোস্তফা রহমান বলেন, “রাষ্ট্রের মূল দায় জনগণের জীবন রক্ষা করা। রেলওয়ে যদি জানে, নতুন অঞ্চলে মানুষ রেলের ঝুঁকি সম্পর্কে অজ্ঞ, তাহলে সচেতনতা প্রচার না করা অবহেলা হিসেবে গণ্য হতে পারে। এটি কেবল প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।”

বাংলাদেশ রেলওয়ে চুনতি অভয়ারণ্য এলাকায় বন্যপ্রাণী রক্ষায় ‘ইকো ব্রিজ’ ও ‘অ্যানিমেল করিডর’ তৈরি করেছে, যাতে হাতি-হরিণ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, মানুষ রক্ষায় একই রকম উদ্যোগ দেখা যায়নি। ঢাকা পোস্টের কক্সবাজার প্রতিনিধি আলিফ মোহাম্মেদ ইমতিয়াজ নূর নিশান, বলেন, “রেলওয়ে যখন হাতির জন্য করিডর বানাতে পারে, তখন মানুষের জন্য অন্তত ফেন্সিং, সিগন্যাল বা কমিউনিটি সচেতনতা কর্মসূচি কেন নিতে পারে না? এটা উন্নয়নের মনোভাব নয়, উন্নয়নের অন্ধতা।”

আন্তর্জাতিক রেলওয়ে ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদ অনুযায়ী, প্রতিটি রাষ্ট্রকে জনগণের জীবন সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সেইফগার্ড পলিসি স্টেটম্যান্ট ২০০৯ অনুযায়ী, যেকোনো অবকাঠামো প্রকল্পে ‘কমিউনিটি সেইফটি এওয়্যারনেস অপরিহার্য। অর্থাৎ, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও অর্থায়ন সংস্থা উভয়েরই এই প্রাণহানির দায় এড়ানো কঠিন। প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে যদি ” হিউম্যান সেইফটি ইমপ্যাক্ট এসেসম্যান্ট করা হতো, আজ এই দুর্ঘটনাগুলো কম হতো বা রোধ করা যেত।

ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের (ওনিরিলডিজ বনাম তুর্কি ২০০৪ ) মামলায় রাষ্ট্রকে জনগণের জীবনরক্ষায় অবহেলার জন্য দায়ী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। আদালত স্পষ্টভাবে বলে, “রাষ্ট্র যদি জানে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে মানবিক ঝুঁকি আছে, এবং তা প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেয়, তবে সেটি মানবাধিকার লঙ্ঘন।” বাংলাদেশও এখন একই বাস্তবতার মুখে দাঁড়িয়ে, যেখানে উন্নয়নের নামেই মৃত্যু প্রতিদিনের সংবাদ হয়ে উঠছে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন হতে পারত এক নতুন ভোরের প্রতীক। কিন্তু এখন তা অনেক পরিবারের কাছে শুধু এক শোকের প্রতীক। উন্নয়ন মানে কেবল অবকাঠামো নয়, মানুষের জীবন, ভালোবাসা, ও নিরাপত্তা রক্ষা। এখনো সময় আছে, স্কুলে সচেতনতা কর্মসূচি, গ্রামে প্রচারভ্যান, রেললাইনের পাশে ফেন্সিং, স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল, এবং ‘হিউম্যান সেফটি করিডর’ স্থাপনের মাধ্যমে এই মৃত্যুর মিছিল থামানো সম্ভব। কারণ, যে রেললাইন জীবনের পথ দেখাতে এসেছিল, সেটি যেন আর মৃত্যুর রেখা না হয়ে ওঠে।

শেখ জাহাঙ্গীর হাসান মানিক, লেখক ও চিন্তক

রেফারেন্স:
1. Asian Development Bank (2009). Safeguard Policy Statement.
2. Universal Declaration of Human Rights (1948), Article 3.
3. UIC Railway Safety Guidelines (2018).
4. Öneryıldız v. Turkey, European Court of Human Rights (2004).