ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজাপালংয়ের ‘রাজার চেয়ার’ দখলে যাবে কার? ঈদগাঁওয়ে সংরক্ষিত বনের গাছ কাটার সময় গ্রেপ্তার ২, কাঠ জব্দ রামুতে হাতকড়া পরে মায়ের জানাজায় আসা সেই দুই সহোদর হারালেন বাবাকেও ​চকরিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের ছবি তোলায় তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা সারাদেশে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ‘রামু পৌরসভা’ চাইলেন ব্যারিস্টার আবুল আলা সিদ্দিকী রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য টেকনাফে রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার: জরিমানা রমজানে উখিয়ায় প্রশাসনের বাজার তদারকি, ৩ জনকে জরিমানা বড় বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান: জরিমানা দ্রুতই আড়াই হাজারের বেশি কনস্টেবল নিয়োগ দেবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘আমি এখন সৌদি আরবেরই মানুষ’ প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর আমার দুঃসময়ে বিএনপির সহযোগিতা ছিল শতভাগ: রাষ্ট্রপতি সারাদেশে আ.লীগের কার্যালয় খোলার বিষয়ে সরকারের সায় নেই: মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতির দণ্ড মওকুফের তালিকা প্রকাশ প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

বিগত ৩৩ বছরে দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতিরা কত জনের দণ্ড মাফ করেছেন, তার তালিকা প্রকাশে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (২১ এপ্রিল) বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

এর আগে রাষ্ট্রপতিরা কত জনের দণ্ড মওকুফ করেছেন— তা জানতে চেয়ে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিবের কাছে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, ১৯৯১ সাল থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজন দণ্ড পাওয়া আসামির কারাদণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছেন, সেই তালিকা ১৫ দিনের মধ্যে দেওয়ার অনুরোধ করেন।

নোটিশে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রপতি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায়, কাদের সুপারিশ বা তদবিরে দাগী, ঘৃণীত, কুখ্যাত সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন, তা জানার অধিকার আছে। কয়েক বছর ধরে রাষ্ট্রপতি বহু অপরাধী, হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া অপরাধীরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার মাফিয়া ডন হিসেবে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

রাষ্ট্রপতি কোন প্রক্রিয়ায় সাজাপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফ করেন, দণ্ড মওকুফের মানদণ্ড কী, সেটা মানুষের জানা দরকার। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাজাপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

তবে সেই নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

 

 

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপালংয়ের ‘রাজার চেয়ার’ দখলে যাবে কার?

This will close in 6 seconds

রাষ্ট্রপতির দণ্ড মওকুফের তালিকা প্রকাশ প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় : ০৬:০০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

বিগত ৩৩ বছরে দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতিরা কত জনের দণ্ড মাফ করেছেন, তার তালিকা প্রকাশে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (২১ এপ্রিল) বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

এর আগে রাষ্ট্রপতিরা কত জনের দণ্ড মওকুফ করেছেন— তা জানতে চেয়ে আইনি নোটিশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিবের কাছে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়, ১৯৯১ সাল থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজন দণ্ড পাওয়া আসামির কারাদণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছেন, সেই তালিকা ১৫ দিনের মধ্যে দেওয়ার অনুরোধ করেন।

নোটিশে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রপতি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায়, কাদের সুপারিশ বা তদবিরে দাগী, ঘৃণীত, কুখ্যাত সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন, তা জানার অধিকার আছে। কয়েক বছর ধরে রাষ্ট্রপতি বহু অপরাধী, হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া অপরাধীরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার মাফিয়া ডন হিসেবে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

রাষ্ট্রপতি কোন প্রক্রিয়ায় সাজাপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফ করেন, দণ্ড মওকুফের মানদণ্ড কী, সেটা মানুষের জানা দরকার। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাজাপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

তবে সেই নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন