ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শাহজাহান-আনোয়ারীর লড়াই জমালো যে ‘ভোটব্যাংক’ তারেক রহমানের সাথে আলমগীর ফরিদের শুভেচ্ছা বিনিময় উখিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধে এনসিপির আহবান কক্সবাজারের চারটি আসনে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত চকরিয়ার ফুলের রাজ্যে ২ কোটি টাকার ফুল বিক্রি ঢাকায় সালাহউদ্দিনের সাথে আলমগীর ফরিদ, ‘জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি’ মুক্তিযুদ্ধ ও নারী অধিকার: রাষ্ট্রের প্রশ্নে আপসহীনতা মহেশখালীর সাতদিনব্যাপী আদিনাথ মেলা শুরু আগামীকাল থেকে কক্সবাজার ৪ সহ ৩০টি আসনে জয়ীদের শপথ স্থগিতে আইনী পদক্ষেপ নেবে জামায়াত প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব: তারেক রহমান চাঁদাবাজদের পুলিশে দিন,সাহসিকতার জন্যে দেয়া হবে পুরস্কার- লুৎফুর রহমান কাজল তারেকের শপথে মোদীকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি: ডব্লিউআইওএন কক্সবাজারে বিএনপির দাপট: সালাহউদ্দিন ৪, ফরিদ ৩, কাজল ২ ও শাহজাহান ৫ বার এমপি জনরায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে নতুন সরকার: ড. আলী রিয়াজ টেকনাফে উদ্ধার কিশোর,১ রোহিঙ্গাসহ চক্রের ৪ জন আটক

মামলার আসামী হলেও বদির ঘনিষ্ঠ দুই সহোদর বহাল তবিয়তে

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভারত পালায়নের মধ্য দিয়ে পতন ঘটে আওয়ামীলীগের। এরপর একে একে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে শীর্ষ নেতা, মন্ত্রীসহ অনেকেই। আবার অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্ধি। কিন্তু এক বছরেও বদলায়নি সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দৃশ্যপট।

যেখানে এখনও দাপটের সাথে আছেন সাবেক এমপি বর্তমানে কারাবন্ধি আবদুর রহমান বদির ঘনিষ্ট দুই সহোদর।

এরা হলেন, সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা মো. শামসুল আলম মেম্বার ও তার ভাই সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরু।

টেকনাফের স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই দুই সহোদর বিগত ১৫ বছর ধরে সীমান্তের ইয়াবা ও মানবপাচার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার আসামি করে ঘর ছাড়া করেছেন। আওয়ামীলীগের পতনের এক বছরে মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ রেখে সাধারণ মানুষকে হয়রানী করে যাচ্ছে এই দুই সহোচর।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা বলছেন, বিগত সরকারের সময় এই দুই ভাইকে দেখা গেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলেসহ শীর্ষ নেতাদের সাথে। পিতা আলী আহমদও আওয়ামীলীগ নেতা ছিলেন। কিন্তু সাবেক এমপি বদির সখ্যতা পেয়ে ঘনিষ্টজন হওয়ার গল্প ভিন্ন।

জানা গেছে, মো. শামসুল আলম সাবেক ওসি আবদুর রহমানের ভাতিজির স্বামী। আর সেই ওসি হলেন সাবেক এমপি বর্তমানে কারাবন্ধি আবদুর রহমান বদির ভগ্নিপতি। যে সুবাদে বদির ঘনিষ্টজন হিসেবে দাপটের সাথে চলেছেন।

কিন্তু বর্তমানেও একই দাপট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। একাধিক মামলার আসামি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে ঘুরে সাধারণ মানুষকে হয়রানী ও নির্যাতনের নেপথ্যে জানতে চান ভূক্তভোগীরা।

এদিকে টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মামলার আসামী হলে কেউ ছাড় পাবেনা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজাহান-আনোয়ারীর লড়াই জমালো যে ‘ভোটব্যাংক’

This will close in 6 seconds

মামলার আসামী হলেও বদির ঘনিষ্ঠ দুই সহোদর বহাল তবিয়তে

আপডেট সময় : ১০:৫১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভারত পালায়নের মধ্য দিয়ে পতন ঘটে আওয়ামীলীগের। এরপর একে একে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে শীর্ষ নেতা, মন্ত্রীসহ অনেকেই। আবার অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্ধি। কিন্তু এক বছরেও বদলায়নি সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দৃশ্যপট।

যেখানে এখনও দাপটের সাথে আছেন সাবেক এমপি বর্তমানে কারাবন্ধি আবদুর রহমান বদির ঘনিষ্ট দুই সহোদর।

এরা হলেন, সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা মো. শামসুল আলম মেম্বার ও তার ভাই সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরু।

টেকনাফের স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই দুই সহোদর বিগত ১৫ বছর ধরে সীমান্তের ইয়াবা ও মানবপাচার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার আসামি করে ঘর ছাড়া করেছেন। আওয়ামীলীগের পতনের এক বছরে মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ রেখে সাধারণ মানুষকে হয়রানী করে যাচ্ছে এই দুই সহোচর।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা বলছেন, বিগত সরকারের সময় এই দুই ভাইকে দেখা গেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলেসহ শীর্ষ নেতাদের সাথে। পিতা আলী আহমদও আওয়ামীলীগ নেতা ছিলেন। কিন্তু সাবেক এমপি বদির সখ্যতা পেয়ে ঘনিষ্টজন হওয়ার গল্প ভিন্ন।

জানা গেছে, মো. শামসুল আলম সাবেক ওসি আবদুর রহমানের ভাতিজির স্বামী। আর সেই ওসি হলেন সাবেক এমপি বর্তমানে কারাবন্ধি আবদুর রহমান বদির ভগ্নিপতি। যে সুবাদে বদির ঘনিষ্টজন হিসেবে দাপটের সাথে চলেছেন।

কিন্তু বর্তমানেও একই দাপট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। একাধিক মামলার আসামি হওয়ার পরও প্রকাশ্যে ঘুরে সাধারণ মানুষকে হয়রানী ও নির্যাতনের নেপথ্যে জানতে চান ভূক্তভোগীরা।

এদিকে টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মামলার আসামী হলে কেউ ছাড় পাবেনা।