ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাগরে পথে সিমেন্ট পাচারকালে আটক ১১ ভাই সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক ছাত্রদল নেতা এনামের খোলা চিঠি অটোরিকশা থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেড় কিলোমিটার ধাওয়া করে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে গুম হওয়া সালাহউদ্দিন আহমদ এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী! সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেইজ বন্ধ ঘোষণা তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা: কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সৈকতে মিলল তরুণ-তরুণীর মরদেহ সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল ও মিষ্টি বিতরণ

ভাই সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক ছাত্রদল নেতা এনামের খোলা চিঠি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি লিখেছেন কক্সবাজার পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এনামুল হক। কক্সবাজার ডাক বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠিতে ছাত্রনেতা এনাম লিখেছেন, রাজনীতি আমার কাছে কখনোই ক্ষমতার সিঁড়ি নয়, এটি মানুষের বিশ্বাস রক্ষার দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এই খোলা চিঠি লিখছেন বলে দাবি এনামের।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভাই সম্বোধন করে লেখা চিঠিটি হুবুহু প্রচার করা হলো।

 

খোলা চিঠি
প্রাপক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

রাজনীতি আমার কাছে কখনোই ক্ষমতার সিঁড়ি নয়, এটি মানুষের বিশ্বাস রক্ষার দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আজ এই খোলা চিঠি লিখছি। আমি এনামুল হক, একজন সাবেক ছাত্রনেতা। আজও নিজেকে লাস্ট বেঞ্চের ছাত্র বলেই পরিচয় দিই। কারণ সামনে বসে নয়, পেছন থেকে পুরো দৃশ্যটা দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের আশা, কষ্ট, ত্যাগ আর নীরব সংগ্রাম খুব কাছ থেকে দেখেছি বলেই কিছু কথা সরাসরি আপনার কাছে তুলে ধরতে চাই।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের রাজনীতিতে লুৎফুর রহমান কাজল একটি আস্থার নাম। তিনি শুধু দলের একজন নেতা নন, বরং মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একজন কর্মী। রাজনীতি তার কাছে পদ বা পরিচয়ের বিষয় নয়, এটি দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের জায়গা। দায়িত্ব পেলে তিনি নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করবেন—এ বিশ্বাস সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে দৃঢ়ভাবে রয়েছে।

তার ভেতরের দেশচিন্তা ও উন্নয়ন ভাবনা বাইরে থেকে পুরোটা বোঝা যায় না। খুব কাছ থেকে না দেখলে তার পরিকল্পনার গভীরতা উপলব্ধি করা কঠিন।তিনি অন্তবর্তীকালীন ড.ইউনুস সরকারের আমলে সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ও প্রযুক্তি কেন্দ্র (BFRI) সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হন,এবং নতুন প্রজাতির পোনা আমদানির ব্রু সদস্য মনোনীত হন।কক্সবাজার হ্যাচারী ও পোনা শিল্প মালিক সমিতির বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি মনোনীত হন। তিনি উপকূলীয় অর্থনীতি, মৎস্যখাত, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে বাস্তবসম্মত চিন্তা করেন। তার দৃষ্টিভঙ্গি কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দীর্ঘ মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

গত রামু সফরে রামুর ট্র‍্যাজেডি ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১১ই নভেম্বর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিশাল জন সমাবেশে তাকে বলেছিলেন, “আজ থেকে তুমি বিএনপির কাজল—এটাই তোমার পরিচয়।” এই স্বীকৃতি শুধু একটি বাক্য নয়; এটি ছিল আস্থা ও বিশ্বাসের প্রকাশ। সেই পরিচয়ের মর্যাদা তিনি আজও নিষ্ঠার সঙ্গে ধরে রেখেছেন।
২০০৯ সালের নির্বাচনে তিনি রেকর্ডসংখ্যক ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন।যা সারা বাংলাদেশে প্র‍্যয়াত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরবর্তী স্থানে তিনি ছিলেন (ভোটের ব্যাবধানে) জয় লাভ করেন।এটি তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার স্পষ্ট প্রমাণ। দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রতিকূল সময়েও তিনি নেতাকর্মীদের ছেড়ে একদিনের জন্যও দেশ বা ঘর ত্যাগ করেননি। কঠিন সময়ে পাশে থাকা, চাপের মুখেও মাঠে টিকে থাকা—এই মানসিক দৃঢ়তাই একজন প্রকৃত নেতার পরিচয় বহন করে।

তার পারিবারিক পটভূমিও গৌরবের। তার বাবা মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান দেশের চিংড়ি শিল্প, রাবার বাগান এবং সাদা লবণ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। গবেষণা ও শিল্প উদ্যোগের মাধ্যমে উপকূলীয় অর্থনীতিতে যে ভূমিকা তিনি রেখেছেন, তা আজও মানুষের জীবিকার সঙ্গে জড়িত। সেই কর্মনিষ্ঠ পরিবেশে বেড়ে ওঠায় কাজলের মধ্যেও দায়িত্ববোধ ও উন্নয়নচিন্তা স্বাভাবিকভাবে গড়ে উঠেছে।

বিশেষ করে মৎস্যখাতে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। উপকূলের মানুষের জীবনযাত্রা, সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা তিনি কাছ থেকে জানেন। সঠিক পরিকল্পনা ও নেতৃত্ব থাকলে এই খাত জাতীয় অর্থনীতিতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে—এ বিষয়ে তার সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত ধারণা রয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি ইতোমধ্যে আমাদের প্রিয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছেন। তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। একইভাবে লুৎফুর রহমান কাজলকেও তার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, ত্যাগ এবং মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বিবেচনা করা হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।
আমি ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থে নয়, একজন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাধারণ কর্মী হিসেবে এই আবেদন জানাচ্ছি। আমাদের প্রত্যাশা—যোগ্যতার মূল্যায়ন হোক, ত্যাগের সম্মান হোক, এবং মাঠে থাকা কর্মীদের কণ্ঠস্বর গুরুত্ব পাক। পৃথিবীর দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের অবস্থান ও উনার নির্বাচনি আসনের আওতাভুক্ত, যা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের রাজস্ব আদায়ের অন্যতম প্রধান খ্যাত।যদি আপনার সাথে মাত্র এক মিনিটের সাক্ষাৎ করার সুযোগ করে দিন,যা আমি চিঠিতে প্রকাশ করতে সক্ষম হচ্ছি না, তা আমি বাস্তবে প্রকাশ করতে ইনশাআল্লাহ সফল হব বলে আশাবাদী।
আপনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে দেশ ও দল আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে—এই বিশ্বাস রেখেই চিঠিটি শেষ করছি এবং পরিশেষে আপনার স্বপরিবার নিয়ে পৃথিবীর দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আসার আমন্ত্রণ রইল।

শ্রদ্ধাসহ,
মোঃএনামুল হক
সাবেক সভাপতি
কক্সবাজার পৌর ছাত্রদল।
মোবাইল নংঃ০১৮৩২২১৫১৩৩

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাগরে পথে সিমেন্ট পাচারকালে আটক ১১

This will close in 6 seconds

ভাই সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক ছাত্রদল নেতা এনামের খোলা চিঠি

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি লিখেছেন কক্সবাজার পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এনামুল হক। কক্সবাজার ডাক বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠিতে ছাত্রনেতা এনাম লিখেছেন, রাজনীতি আমার কাছে কখনোই ক্ষমতার সিঁড়ি নয়, এটি মানুষের বিশ্বাস রক্ষার দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এই খোলা চিঠি লিখছেন বলে দাবি এনামের।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভাই সম্বোধন করে লেখা চিঠিটি হুবুহু প্রচার করা হলো।

 

খোলা চিঠি
প্রাপক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

রাজনীতি আমার কাছে কখনোই ক্ষমতার সিঁড়ি নয়, এটি মানুষের বিশ্বাস রক্ষার দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আজ এই খোলা চিঠি লিখছি। আমি এনামুল হক, একজন সাবেক ছাত্রনেতা। আজও নিজেকে লাস্ট বেঞ্চের ছাত্র বলেই পরিচয় দিই। কারণ সামনে বসে নয়, পেছন থেকে পুরো দৃশ্যটা দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের আশা, কষ্ট, ত্যাগ আর নীরব সংগ্রাম খুব কাছ থেকে দেখেছি বলেই কিছু কথা সরাসরি আপনার কাছে তুলে ধরতে চাই।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের রাজনীতিতে লুৎফুর রহমান কাজল একটি আস্থার নাম। তিনি শুধু দলের একজন নেতা নন, বরং মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একজন কর্মী। রাজনীতি তার কাছে পদ বা পরিচয়ের বিষয় নয়, এটি দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের জায়গা। দায়িত্ব পেলে তিনি নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করবেন—এ বিশ্বাস সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে দৃঢ়ভাবে রয়েছে।

তার ভেতরের দেশচিন্তা ও উন্নয়ন ভাবনা বাইরে থেকে পুরোটা বোঝা যায় না। খুব কাছ থেকে না দেখলে তার পরিকল্পনার গভীরতা উপলব্ধি করা কঠিন।তিনি অন্তবর্তীকালীন ড.ইউনুস সরকারের আমলে সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ও প্রযুক্তি কেন্দ্র (BFRI) সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হন,এবং নতুন প্রজাতির পোনা আমদানির ব্রু সদস্য মনোনীত হন।কক্সবাজার হ্যাচারী ও পোনা শিল্প মালিক সমিতির বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি মনোনীত হন। তিনি উপকূলীয় অর্থনীতি, মৎস্যখাত, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে বাস্তবসম্মত চিন্তা করেন। তার দৃষ্টিভঙ্গি কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দীর্ঘ মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

গত রামু সফরে রামুর ট্র‍্যাজেডি ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১১ই নভেম্বর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিশাল জন সমাবেশে তাকে বলেছিলেন, “আজ থেকে তুমি বিএনপির কাজল—এটাই তোমার পরিচয়।” এই স্বীকৃতি শুধু একটি বাক্য নয়; এটি ছিল আস্থা ও বিশ্বাসের প্রকাশ। সেই পরিচয়ের মর্যাদা তিনি আজও নিষ্ঠার সঙ্গে ধরে রেখেছেন।
২০০৯ সালের নির্বাচনে তিনি রেকর্ডসংখ্যক ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন।যা সারা বাংলাদেশে প্র‍্যয়াত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরবর্তী স্থানে তিনি ছিলেন (ভোটের ব্যাবধানে) জয় লাভ করেন।এটি তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার স্পষ্ট প্রমাণ। দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রতিকূল সময়েও তিনি নেতাকর্মীদের ছেড়ে একদিনের জন্যও দেশ বা ঘর ত্যাগ করেননি। কঠিন সময়ে পাশে থাকা, চাপের মুখেও মাঠে টিকে থাকা—এই মানসিক দৃঢ়তাই একজন প্রকৃত নেতার পরিচয় বহন করে।

তার পারিবারিক পটভূমিও গৌরবের। তার বাবা মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান দেশের চিংড়ি শিল্প, রাবার বাগান এবং সাদা লবণ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। গবেষণা ও শিল্প উদ্যোগের মাধ্যমে উপকূলীয় অর্থনীতিতে যে ভূমিকা তিনি রেখেছেন, তা আজও মানুষের জীবিকার সঙ্গে জড়িত। সেই কর্মনিষ্ঠ পরিবেশে বেড়ে ওঠায় কাজলের মধ্যেও দায়িত্ববোধ ও উন্নয়নচিন্তা স্বাভাবিকভাবে গড়ে উঠেছে।

বিশেষ করে মৎস্যখাতে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। উপকূলের মানুষের জীবনযাত্রা, সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা তিনি কাছ থেকে জানেন। সঠিক পরিকল্পনা ও নেতৃত্ব থাকলে এই খাত জাতীয় অর্থনীতিতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে—এ বিষয়ে তার সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত ধারণা রয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি ইতোমধ্যে আমাদের প্রিয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছেন। তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। একইভাবে লুৎফুর রহমান কাজলকেও তার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, ত্যাগ এবং মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বিবেচনা করা হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।
আমি ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থে নয়, একজন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাধারণ কর্মী হিসেবে এই আবেদন জানাচ্ছি। আমাদের প্রত্যাশা—যোগ্যতার মূল্যায়ন হোক, ত্যাগের সম্মান হোক, এবং মাঠে থাকা কর্মীদের কণ্ঠস্বর গুরুত্ব পাক। পৃথিবীর দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের অবস্থান ও উনার নির্বাচনি আসনের আওতাভুক্ত, যা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের রাজস্ব আদায়ের অন্যতম প্রধান খ্যাত।যদি আপনার সাথে মাত্র এক মিনিটের সাক্ষাৎ করার সুযোগ করে দিন,যা আমি চিঠিতে প্রকাশ করতে সক্ষম হচ্ছি না, তা আমি বাস্তবে প্রকাশ করতে ইনশাআল্লাহ সফল হব বলে আশাবাদী।
আপনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে দেশ ও দল আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে—এই বিশ্বাস রেখেই চিঠিটি শেষ করছি এবং পরিশেষে আপনার স্বপরিবার নিয়ে পৃথিবীর দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আসার আমন্ত্রণ রইল।

শ্রদ্ধাসহ,
মোঃএনামুল হক
সাবেক সভাপতি
কক্সবাজার পৌর ছাত্রদল।
মোবাইল নংঃ০১৮৩২২১৫১৩৩