ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সীমান্তে মাদককারবারির সাথে বিজিবির গুলি বিনিময়: পৌনে ১০ লাখ ইয়াবা উদ্ধার শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীদের স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে ‘মব কালচার শেষ’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফুটবলার মেসুত ওজিল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পুত্র বিলাল কক্সবাজার আসছেন বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের আকাশে দেখা গেলো রমজানের চাঁদ : রোজা শুরু বৃহস্পতিবার উখিয়ায় ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হলো কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের অফিস সাগরে পথে সিমেন্ট পাচারকালে আটক ১১ ভাই সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক ছাত্রদল নেতা এনামের খোলা চিঠি অটোরিকশা থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার দেড় কিলোমিটার ধাওয়া করে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী টেকনাফে ট্রলারসহ ৫ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে গুম হওয়া সালাহউদ্দিন আহমদ এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী!

৭৯ জন জেলে-নাবিকসহ বাংলাদেশি ২ জাহাজ ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 352

বাংলাদেশের ৭৯ জেলে-নাবিকসহ ২টি জাহাজ ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা থেকে ৭৯ জেলে-নাবিকসহ বাংলাদেশি দুটি মাছ ধরার জাহাজ ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড। জাহাজ দুটি হলো এফভি মেঘনা-৫ ও এফভি লায়লা-২।

খুলনা অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে সামুদ্রিক মৎস্য দফ্তরে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছে জাহাজ দুটির মালিকপক্ষ।

বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন অফিস সেক্রেটারি আবিদ হাসান বলেন, এফভি লায়লা-২ ফিশিং জাহাজটির মালিক সিদ্দিকুর রহমান। তাদের অপারেশন কোম্পানির নাম ‘এস আর ফিশিং’। এফভি মেঘনা-৫ ফিশিং জাহাজের মালিক এমএ ওয়াহেদ, অপারেশন কোম্পানির নাম সিঅ্যান্ডএ অ্যাগ্রো লিমিটেড।

সিঅ্যান্ডএ অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (অপারেশন) আনসারুল হক আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জাহাজের নাবিকরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমরা সবশেষ খবর পেয়েছি, জাহাজ দুটিকে ভারতের উড়িষ্যার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছি। এ বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হলে সে অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।’

জানা গেছে, এফভি মেঘনা-৫ এ নাবিকসহ ৩৭ জন ও এফভি লায়লা-২ এ ৪২ জনসহ জেলে ছিলেন। তবে কী কারণে ট্রলারগুলো নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি।

তবে ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সরকারি কোনও কর্তৃপক্ষ থেকে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেনি। নির্দিষ্ট কোন অবস্থান থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, কারা কেন ধরে নিয়ে গেছে; সেসব বিষয়েরও উত্তর পাওয়া যায়নি।

নৌ-পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমোডোর মাকসুদ আলম জানান, তিনি বিষয়টি জেনেছেন। খতিয়ে দেখে তারা ব্যবস্থা নেবেন।

সামুদ্রিক মৎস্য দফতরের পরিচালক মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে এখনও অবগত নই। অফিসে খবর নিয়ে জানাতে পারবো।’

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, তিনি মিডিয়ার মাধ্যমে এ ঘটনা শুনেছেন। কিন্তু কোনও চিঠি বা অভিযোগ পাননি। ফলে ঘটনাটি কোন লোকেশনে ঘটছে তাও জানতে পারছেন না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে মাদককারবারির সাথে বিজিবির গুলি বিনিময়: পৌনে ১০ লাখ ইয়াবা উদ্ধার

This will close in 6 seconds

৭৯ জন জেলে-নাবিকসহ বাংলাদেশি ২ জাহাজ ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড

আপডেট সময় : ০৮:২৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা থেকে ৭৯ জেলে-নাবিকসহ বাংলাদেশি দুটি মাছ ধরার জাহাজ ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় কোস্টগার্ড। জাহাজ দুটি হলো এফভি মেঘনা-৫ ও এফভি লায়লা-২।

খুলনা অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে সামুদ্রিক মৎস্য দফ্তরে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছে জাহাজ দুটির মালিকপক্ষ।

বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন অফিস সেক্রেটারি আবিদ হাসান বলেন, এফভি লায়লা-২ ফিশিং জাহাজটির মালিক সিদ্দিকুর রহমান। তাদের অপারেশন কোম্পানির নাম ‘এস আর ফিশিং’। এফভি মেঘনা-৫ ফিশিং জাহাজের মালিক এমএ ওয়াহেদ, অপারেশন কোম্পানির নাম সিঅ্যান্ডএ অ্যাগ্রো লিমিটেড।

সিঅ্যান্ডএ অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (অপারেশন) আনসারুল হক আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জাহাজের নাবিকরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমরা সবশেষ খবর পেয়েছি, জাহাজ দুটিকে ভারতের উড়িষ্যার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছি। এ বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হলে সে অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।’

জানা গেছে, এফভি মেঘনা-৫ এ নাবিকসহ ৩৭ জন ও এফভি লায়লা-২ এ ৪২ জনসহ জেলে ছিলেন। তবে কী কারণে ট্রলারগুলো নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি।

তবে ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সরকারি কোনও কর্তৃপক্ষ থেকে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেনি। নির্দিষ্ট কোন অবস্থান থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, কারা কেন ধরে নিয়ে গেছে; সেসব বিষয়েরও উত্তর পাওয়া যায়নি।

নৌ-পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমোডোর মাকসুদ আলম জানান, তিনি বিষয়টি জেনেছেন। খতিয়ে দেখে তারা ব্যবস্থা নেবেন।

সামুদ্রিক মৎস্য দফতরের পরিচালক মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে এখনও অবগত নই। অফিসে খবর নিয়ে জানাতে পারবো।’

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, তিনি মিডিয়ার মাধ্যমে এ ঘটনা শুনেছেন। কিন্তু কোনও চিঠি বা অভিযোগ পাননি। ফলে ঘটনাটি কোন লোকেশনে ঘটছে তাও জানতে পারছেন না।