ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে নবনির্মিত বিওপি উদ্বোধন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার বিরোধিতা: প্যাথলজি রিপোর্টে স্বাক্ষরের দাবিতে সমাবেশ কুতুবদিয়া সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন আমরা ক্ষমতায় গেলে কারো প্রতি অন্যায় করব না-অধ্যক্ষ আনোয়ারী মালয়েশিয়ার উত্তাল সমুদ্রে বাংলাদেশের জয়গান মহেশখালী মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম হবে দেশের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র: ড. হামিদুর রহমান আযাদ মহেশখালীতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ে গেছে ৪ বসতবাড়ি আরাকান আর্মির গুলিতে ২ জেলে আহত: হাসপাতালে ভর্তি গণসংযোগকালে হামিদুর রহমান আযাদ:ধলঘাট মাতার বাড়ির নামেই বাংলাদেশ পরিচিতি লাভ করবে কক্সবাজারে বিজিবির মহাপরিচালক-জাতীয় নির্বাচনে ৩৭ হাজার বিজিবির সদস্য মোতায়েন থাকবে- কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে আর পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থাকবে না: শফিকুর রহমান মানববন্ধনে স্বাধীন তদন্ত ও ২৪ ঘন্টার মধ্যে আরফাত সানির মুক্তি দাবি ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সংসদের নতুন কমিটি: সভাপতি আরিফ, সম্পাদক রহমান মিজান ভারুয়াখালী ও রশিদ নগরে বাহাদুর- “লবণ শিল্প রক্ষা ও লবণচাষিদের জীবনমান উন্নয়নে দাঁড়ি পাল্লায় ভোট দিন”

নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলকে সরিয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের দাবি বিএনপির

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম দিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দলটি। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ দেড় দশকের আন্দোলন সংগ্রামের সময় ড. খলিলের নাম কেউ কখনও শুনেনি। সুসময়ে হঠাৎ করেই তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসে উপদেষ্টা হয়েছেন।’

বিএনপির পক্ষ থেকে রুহুল কবির বলেন, ‘ড. খলিল তার নিজের পক্ষে ওঠা প্রশ্নের জবাব না দিয়ে পলাতক স্বৈরাচারের মতো তারেক রহমানের বিপক্ষে প্রোপাগান্ডার পথ বেছে নিয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করেছেন। জনগণ এসব মেনে নেবে না। ফ্যাসিবাদের দেড় দশক ড. খলিল কোথায় ছিলেন? কীভাবে ছিলেন? কোন দেশে ছিলেন?’

‘বিদেশে তার স্ট্যাটাস কী ছিল? ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে তার ভূমিকা কী ছিল? অবশ্যই এসকল প্রশ্নের জবাব জনগণকে জানাতে হবে। আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, রাষ্ট্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ নেই। ড. খলিলকে অবিলম্বে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দেশে-বিদেশে তার অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেশের জনগণের সামনে হাজির করতে হবে।’

রিজভী বলেন, ‘দেড় দশকের শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে দেশে-বিদেশে কোথাও যার কোনও উপস্থিতি ছিল না, না ছিল কোনও জোরালো বক্তব্য। তার কাছে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত কিনা এসব নিয়ে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।’

গতকাল বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “কেবলমাত্র আমি আমেরিকায় থেকেছি বলে আমাকে যদি বলা হয় আপনি বিদেশি নাগরিক, তাহলে কালকে তারেক রহমান সাহেবকেও সে কথা বলতে হবে। আমাকে ঢিল নিক্ষেপ করলে সেই ঢিল কিন্তু অন্যের উপর গিয়েও পড়তে পারে।”

রিজভী বলেন, ‘তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দেশের মানুষ বিস্মিত-হতবাক, উদ্বিগ্ন এবং ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ফ্যাসিবাদের প্রতিভূ হাসিনা যেভাবে গণতন্ত্রকে কফিন পরিয়ে তথাকথিত উন্নয়নের ইন্দ্রজাল সৃষ্টির জন্য জিয়া পরিবারকে নিয়ে কুৎসা রটাতেন, উপদেষ্টার এই মন্তব্য যেন তারই পুনরাবৃত্তি।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন প্রসঙ্গটি যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিমূলক। ‘ধান ভানতে শিবের গীত’ গাওয়ার মতো।’

রিজভী আহমেদ বলেন, ‘রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে ড. খলিলুর রহমানের এহেন বক্তব্য নিঃসন্দেহে আত্মগরিমার প্রদর্শন এবং দুরভিসন্ধিমূলক। ড. খলিলুর রহমান তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বিনষ্ট, জনসাধারণকে বিভ্রান্ত এবং মানুষের মাঝে তার মর্যাদা ক্ষুন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে নিয়েই এই বক্তব্য রেখেছেন, যা দুর্ভাগ্যজনক বিভ্রান্তির কবলের মধ্যে পড়ে।’

‘তাকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ অনির্বাচিত কর্তৃত্ববাদের অনুকূল সমাজভূমি নয়। তিনি তার কথাবার্তায় আচরণে বিগত কিছু দিনে ‘ধরাকে সরা জ্ঞান’ করতে শুরু করেছেন। তিনি হয়তো দেশি-বিদেশি কারও স্বার্থ চরিতার্থ করার মিশনে যুক্ত বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। শেখ হাসিনার হাতের মুঠোয় ছিল ধ্বংসের শক্তি, জনগণ তা প্রতিহত করেছে। আমরা আর নতুন করে কোনও প্রভুত্ববাদের অধীনতার নাগপাশে বন্দি হতে চাই না।’

তিনি প্রশ্ন তুলেন, ‘এক্ষণে দেশের জনগণের সম্মুখে প্রশ্ন চিহ্ন দীর্ঘ হচ্ছে যে, খলিলুর রহমানের মতো একজন বিতর্কিত এবং করিডোর-চ্যানেল-বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের কুশীলব বলে পরিচিত কী করে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা’ হিসেবেও নিয়োগ পান?’

বিএনপিনেতা রিজভী বলেন, ‘ড. খলিলুর রহমানের অজানা থাকলেও দেশবাসীর অজানা নয় যে, তারেক রহমানকে কী কারণে কোন পরিস্থিতিতে লন্ডন যেতে হয়েছে। সেখানে থেকে তারেক রহমানকে বিশ্বের নিষ্ঠুরতম একটি জগদ্দল ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিতে হয়েছে।’

‘আমি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবকে বলতে চাই, আপনি এমন একজন ব্যক্তিকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বানিয়েছেন দেশের জন্য যার কোনও দৃশ্যমান অবদান নেই।’ বলেন রিজভী। আরও যোগ করেন, ‘তিনি তো বাংলাদেশের জন্য নন, বিদেশের জন্য কাজ করবেন। মানবিক করিডোর বা চ্যানেল নামে বাংলাদেশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশকে অস্থির করার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু আমরা তা হতে দেবো না।’

‘ড. খলিলের অহেতুক প্রলাপে প্রতীয়মান হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ কেউ সুকৌশলে বাংলাদেশের জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমানের দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনকে অনিরাপদ করে তুলতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘ড. খলিল তার নিজের পক্ষে ওঠা প্রশ্নের জবাব না দিয়ে পলাতক স্বৈরাচারের মতো তারেক রহমানের বিপক্ষে প্রোপাগান্ডার পথ বেছে নিয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না।’

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে নবনির্মিত বিওপি উদ্বোধন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক

This will close in 6 seconds

নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলকে সরিয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের দাবি বিএনপির

আপডেট সময় : ০২:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম দিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দলটি। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ দেড় দশকের আন্দোলন সংগ্রামের সময় ড. খলিলের নাম কেউ কখনও শুনেনি। সুসময়ে হঠাৎ করেই তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসে উপদেষ্টা হয়েছেন।’

বিএনপির পক্ষ থেকে রুহুল কবির বলেন, ‘ড. খলিল তার নিজের পক্ষে ওঠা প্রশ্নের জবাব না দিয়ে পলাতক স্বৈরাচারের মতো তারেক রহমানের বিপক্ষে প্রোপাগান্ডার পথ বেছে নিয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করেছেন। জনগণ এসব মেনে নেবে না। ফ্যাসিবাদের দেড় দশক ড. খলিল কোথায় ছিলেন? কীভাবে ছিলেন? কোন দেশে ছিলেন?’

‘বিদেশে তার স্ট্যাটাস কী ছিল? ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে তার ভূমিকা কী ছিল? অবশ্যই এসকল প্রশ্নের জবাব জনগণকে জানাতে হবে। আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, রাষ্ট্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ নেই। ড. খলিলকে অবিলম্বে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দেশে-বিদেশে তার অবস্থান সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেশের জনগণের সামনে হাজির করতে হবে।’

রিজভী বলেন, ‘দেড় দশকের শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে দেশে-বিদেশে কোথাও যার কোনও উপস্থিতি ছিল না, না ছিল কোনও জোরালো বক্তব্য। তার কাছে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত কিনা এসব নিয়ে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।’

গতকাল বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “কেবলমাত্র আমি আমেরিকায় থেকেছি বলে আমাকে যদি বলা হয় আপনি বিদেশি নাগরিক, তাহলে কালকে তারেক রহমান সাহেবকেও সে কথা বলতে হবে। আমাকে ঢিল নিক্ষেপ করলে সেই ঢিল কিন্তু অন্যের উপর গিয়েও পড়তে পারে।”

রিজভী বলেন, ‘তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দেশের মানুষ বিস্মিত-হতবাক, উদ্বিগ্ন এবং ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ফ্যাসিবাদের প্রতিভূ হাসিনা যেভাবে গণতন্ত্রকে কফিন পরিয়ে তথাকথিত উন্নয়নের ইন্দ্রজাল সৃষ্টির জন্য জিয়া পরিবারকে নিয়ে কুৎসা রটাতেন, উপদেষ্টার এই মন্তব্য যেন তারই পুনরাবৃত্তি।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ড. খলিলুর রহমান যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন প্রসঙ্গটি যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিমূলক। ‘ধান ভানতে শিবের গীত’ গাওয়ার মতো।’

রিজভী আহমেদ বলেন, ‘রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে ড. খলিলুর রহমানের এহেন বক্তব্য নিঃসন্দেহে আত্মগরিমার প্রদর্শন এবং দুরভিসন্ধিমূলক। ড. খলিলুর রহমান তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বিনষ্ট, জনসাধারণকে বিভ্রান্ত এবং মানুষের মাঝে তার মর্যাদা ক্ষুন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে নিয়েই এই বক্তব্য রেখেছেন, যা দুর্ভাগ্যজনক বিভ্রান্তির কবলের মধ্যে পড়ে।’

‘তাকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ অনির্বাচিত কর্তৃত্ববাদের অনুকূল সমাজভূমি নয়। তিনি তার কথাবার্তায় আচরণে বিগত কিছু দিনে ‘ধরাকে সরা জ্ঞান’ করতে শুরু করেছেন। তিনি হয়তো দেশি-বিদেশি কারও স্বার্থ চরিতার্থ করার মিশনে যুক্ত বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। শেখ হাসিনার হাতের মুঠোয় ছিল ধ্বংসের শক্তি, জনগণ তা প্রতিহত করেছে। আমরা আর নতুন করে কোনও প্রভুত্ববাদের অধীনতার নাগপাশে বন্দি হতে চাই না।’

তিনি প্রশ্ন তুলেন, ‘এক্ষণে দেশের জনগণের সম্মুখে প্রশ্ন চিহ্ন দীর্ঘ হচ্ছে যে, খলিলুর রহমানের মতো একজন বিতর্কিত এবং করিডোর-চ্যানেল-বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের কুশীলব বলে পরিচিত কী করে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা’ হিসেবেও নিয়োগ পান?’

বিএনপিনেতা রিজভী বলেন, ‘ড. খলিলুর রহমানের অজানা থাকলেও দেশবাসীর অজানা নয় যে, তারেক রহমানকে কী কারণে কোন পরিস্থিতিতে লন্ডন যেতে হয়েছে। সেখানে থেকে তারেক রহমানকে বিশ্বের নিষ্ঠুরতম একটি জগদ্দল ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিতে হয়েছে।’

‘আমি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবকে বলতে চাই, আপনি এমন একজন ব্যক্তিকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বানিয়েছেন দেশের জন্য যার কোনও দৃশ্যমান অবদান নেই।’ বলেন রিজভী। আরও যোগ করেন, ‘তিনি তো বাংলাদেশের জন্য নন, বিদেশের জন্য কাজ করবেন। মানবিক করিডোর বা চ্যানেল নামে বাংলাদেশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশকে অস্থির করার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু আমরা তা হতে দেবো না।’

‘ড. খলিলের অহেতুক প্রলাপে প্রতীয়মান হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কেউ কেউ সুকৌশলে বাংলাদেশের জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমানের দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনকে অনিরাপদ করে তুলতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘ড. খলিল তার নিজের পক্ষে ওঠা প্রশ্নের জবাব না দিয়ে পলাতক স্বৈরাচারের মতো তারেক রহমানের বিপক্ষে প্রোপাগান্ডার পথ বেছে নিয়ে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না।’

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন