ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বো/মা না টিকা, কোন মৃ/ত্যু বেশি নৃ’শং’স? কক্সবাজারে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে এমজেএসিবি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ সংসদে এমপি কাজলের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ্যানি-বাঁকখালী নদী খননসহ কক্সবাজারে ৩ টি প্রকল্প চলমান উখিয়ায় তিন পেট্রোল পাম্পকে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ওমরাহ শেষে মাকে আনতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল কিশোরের, আহত ৩ চকরিয়ায় লাইসেন্স ছাড়া অধিক মূল্যে তেল বিক্রি করায় জরিমানা: ইয়াবা সেবনে কারাদণ্ড সাগরে ৪ দিন ভেসে থাকা ১৫ জেলেকে উদ্ধার করলো নৌবাহিনী অপহরণচক্রের আস্তানা থেকে ৩ অপহৃত উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫ চকরিয়ার ছোট্ট দুই বোনের বাড়ি ফেরা হলো না বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, টানা ৩ দিন ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস সংসদ থেকে বিরোধীদল সদস্যদের ওয়াকআউট কক্সবাজারে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু, ভর্তি ৩৮ রোববার থেকে হামের টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কউকের সেমিনার-কক্সবাজারে সুপেয় পানির পরিমান কমছে নানার বাড়ি এসে পুকুরেডুবে দুই শিশুর মৃ’ত্যু

কক্সবাজার-১ আসন: বিএনপি-জামায়াতসহ পাঁচ জনের মনোনয়ন দাখিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১( চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে পাঁচ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন জমা দিয়েছেন৷ ২৯ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ এবং জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিলো।

মনোনয়ন দাখিল করা প্রার্থীরা হলেন, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী থেকে আব্দুল্লাহ আল ফারুক, গণঅধিকার পরিষদ থেকে আব্দুল কাদের,
ইসলামি আন্দোলন মোঃ ছরওয়ার আলম কুতুবী এবং
স্বতন্ত্র প্রার্থী থেকে সাইফুল ইসলাম।

পাঁচ জনের মধ্যে গত ২৮ ডিসেম্বর সবার আগে মনোনয়ন জমা দেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এ আসনে মোট পাঁচ জন প্রার্থী থাকলেও আসল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের মধ্যে।

তথ্য সংগ্রহে জানা যায়, কক্সবাজার-১ আসন থেকে ষষ্ঠ, সপ্তম এবং অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক বিজয় লাভ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। ২০০১সালের বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। এরপর ২০০৮ সালে নির্বাচনকালীন সময়ে তিনি কারাগারে থাকলে প্রার্থী হন তাঁর স্ত্রী এডভোকেট হাসিনা আহমেদ। সে বার ও এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয় বিএনপি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করলে আসনটি চলে যায় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হাজ্বী মোহাম্মদ ইলিয়াসের হাতে। এরপর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন চকরিয়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি জাফর আলম। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান ছৈয়দ ইব্রাহিম এমপি নির্বাচিত হন এই আসনে৷ ছাত্র জনতার গনঅভ্যুত্থানে ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে মাত্র সাত মাসের মাথায় বিদায় নিতে হয় এই ইব্রাহিমকে।

মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তির সময় ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বো/মা না টিকা, কোন মৃ/ত্যু বেশি নৃ’শং’স?

কক্সবাজার-১ আসন: বিএনপি-জামায়াতসহ পাঁচ জনের মনোনয়ন দাখিল

আপডেট সময় : ১০:৫৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১( চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে পাঁচ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন জমা দিয়েছেন৷ ২৯ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ এবং জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিলো।

মনোনয়ন দাখিল করা প্রার্থীরা হলেন, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী থেকে আব্দুল্লাহ আল ফারুক, গণঅধিকার পরিষদ থেকে আব্দুল কাদের,
ইসলামি আন্দোলন মোঃ ছরওয়ার আলম কুতুবী এবং
স্বতন্ত্র প্রার্থী থেকে সাইফুল ইসলাম।

পাঁচ জনের মধ্যে গত ২৮ ডিসেম্বর সবার আগে মনোনয়ন জমা দেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এ আসনে মোট পাঁচ জন প্রার্থী থাকলেও আসল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের মধ্যে।

তথ্য সংগ্রহে জানা যায়, কক্সবাজার-১ আসন থেকে ষষ্ঠ, সপ্তম এবং অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক বিজয় লাভ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। ২০০১সালের বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। এরপর ২০০৮ সালে নির্বাচনকালীন সময়ে তিনি কারাগারে থাকলে প্রার্থী হন তাঁর স্ত্রী এডভোকেট হাসিনা আহমেদ। সে বার ও এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয় বিএনপি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করলে আসনটি চলে যায় জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হাজ্বী মোহাম্মদ ইলিয়াসের হাতে। এরপর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন চকরিয়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি জাফর আলম। সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান ছৈয়দ ইব্রাহিম এমপি নির্বাচিত হন এই আসনে৷ ছাত্র জনতার গনঅভ্যুত্থানে ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে মাত্র সাত মাসের মাথায় বিদায় নিতে হয় এই ইব্রাহিমকে।

মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তির সময় ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারী।